১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সেন্ট মার্টিন থেকে ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে ফেরার পথে ট্রলারে গুলি

তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।

সেন্ট মার্টিন থেকে ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে ফেরার পথে ট্রলারে গুলি
ফাইল ছবি

কক্সবাজার প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Aug 2024, 05:29 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:07 PM

কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্ট মার্টিন থেকে নির্বাচনি কর্মকর্তা ও সরঞ্জাম নিয়ে ফেরা ট্রলারকে লক্ষ্য করে শতাধিক গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কেউ হতাহত না হলেও ট্রলারে গায়ে গুলি লেগেছে।  

বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌ পথে সাগরের নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী।  

তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানাতে পারেননি তিনি। 

আর বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

তবে মিয়ানমার সীমান্তের দিক থেকে গুলিবর্ষণ করা হয়েছে বলে ট্রলারে থাকা কয়েকজনের দাবি।

ইউএনও বলেন, ২৯ মে টেকনাফ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওইদিন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত ছিল। বুধবার ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ হয়েছে।  

“নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ শেষে ফেরার পথে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌ পথে নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় পৌঁছলে নির্বাচনি কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ইভিএমের সরঞ্জাম ভর্তি সার্ভিস ট্রলারকে লক্ষ্য করে আকস্মিক গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে। ট্রলারটি লক্ষ্য করে শতাধিক গুলি ছোড়া হয়েছে।”

ইউএনও বলেন, “এতে কেউ হতাহত হননি। তবে ট্রলারের গায়ে কয়েকটি গুলি লেগেছে।”

একই কথা জানান এসবি রাফি নামে ওই সার্ভিস ট্রলারের মাঝি মোহাম্মদ বেলাল।

তিনি বলেন, “মিয়ানমারের উপকূলীয় এলাকা থেকে ট্রলারকে লক্ষ্য করে শতাধিক গুলি বর্ষণ করা হয়েছে।”

এবারের টেকনাফ উপজেলা নির্বাচনে সেন্ট মার্টিন ইউনিয়নে একটি মাত্রই ভোটকেন্দ্র। ২৯ মে উপজেলার ৫৯টি কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হলেও রেমালের কারণে ৬০ নম্বর জিনজিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত ছিল। 

৫৯টি কেন্দ্রের ফলাফলে চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের জয় নিশ্চিত হলেও ভাইস চেয়ারম্যান পদে সরওয়ার আলমের টিউবওয়েল প্রতীক অপর দুই প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে ছিলেন ৩ হাজার ১১৭ ভোটে। তবে ওই কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৭৭১ জন। স্থগিত কেন্দ্রের মোট ভোটের চেয়ে কম ভোটে এগিয়ে থাকায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী প্রার্থী নির্ধারণে কেন্দ্রটিতে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়ে।

বুধবার অনুষ্ঠিত স্থগিত কেন্দ্রটির নির্বাচনে সরওয়ার আলমের টিউবওয়েল প্রতীক ভোট পেয়েছে ১ হাজার ৫৯২টি। অপর দুই প্রার্থীর মধ্যে রফিক উদ্দিনের মাইক প্রতীক পেয়েছে ৪৩ ভোট এবং আবু ছিদ্দিকের চশমা পেয়েছে ১১ ভোট।

ফলাফলে সরওয়ার আলমের টিউবওয়েল প্রতীক ৪০ হাজার ১৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিক উদ্দিন মাইক প্রতীক পেয়েছে ৩৫ হাজার ৪৬৫ ভোট।