৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

কোটা: গাজীপুরে আটকে পড়া মৈত্রী এক্সপ্রেস ছাড়ল ৫ ঘণ্টা পর

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা রেললাইনের পাশে থাকা স্লিপার তুলে নিয়ে রেলপথের উপরে রেখে অবরোধ সৃষ্টি করে।

কোটা: গাজীপুরে আটকে পড়া মৈত্রী এক্সপ্রেস ছাড়ল ৫ ঘণ্টা পর
মঙ্গলবার বিকালে ঢাকাগামী মৈত্রী এক্সপ্রেস মৌচাক রেলস্টেশন এলাকা অতিক্রমের পর আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অবরোধের মুখে পড়ে।

গাজীপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Jul 2024, 12:32 AM

Updated : 26 Aug 2026, 10:01 AM

গাজীপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের অবরোধ থেকে পাঁচ ঘণ্টা ছাড়া পেয়েছে ভারত থেকে ঢাকাগামী মৈত্রী এক্সপ্রেস। 

ট্রেনটি মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে যাত্রী নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন জয়দেবপুর জংশনের স্টেশন মাস্টার মো. হানিফ আলী। 

তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে ঢাকাগামী মৈত্রী ট্রেনটি কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক রেলস্টেশন এলাকা অতিক্রম করার পর আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অবরোধের মুখে পড়ে। পরে রাতে আন্দোলনকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। 

প্রায় একই সময়ে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী এবং ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী অন্যান্য ট্রেনও চলাচল শুরু করে বলে জানান তিনি। 

গাজীপুর সদর থানার ওসি মো. রাফিউল করিম রাফি জানান, কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা গাজীপুর শহরের তিতাস গ্যাস অফিসের অদূরে শিমুল তলী সড়কে রেলক্রসিংয়ে অবরোধ করেন। 

তারা রেললাইনের পাশে থাকা স্লিপার তুলে নিয়ে রেলপথের উপরে রেখে অবরোধ সৃষ্টি করে এবং মিছিল করতে থাকে। তাদের অবরোধে আটকা পড়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস। 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত রেলওয়ে পুলিশ এবং গাজীপুর সদর থানা পুলিশ মোতায়েন করা হয়। 

পরে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আন্দোলনকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে রেলপথ থেকে স্লিপার সরিয়ে দিলে রাত পৌনে ৯টার দিকে আটকে থাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। 

তবে আন্দোলনকারীরা ট্রেনের কোনো ক্ষতি করেনি বলে জানান তিনি। 

অপরদিকে গাজীপুর মহানগর পুলিশের এডিসি (ট্রাফিক) অশোক কুমার পাল জানান, কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীরা প্রায় তিন ঘণ্টা অবস্থানের পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে সরে গেলে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা বেলা ৩টার দিকে ওই মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছিলেন।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, “গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তেমন অবনতি হয়নি, তাই বিজিবি নামানোর প্রয়োজন হয়নি। তবে তাদের রেডি রাখা হয়েছে, প্রয়োজনে হলে নামানো হবে।”