Published : 01 Mar 2024, 11:27 AM
গাজীপুরের শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে এক কৃষকের বাড়ির পাঁচটি কক্ষ পুড়ে গেছে। এ সময় গোয়াল ঘরে থাকা নয়টি গরু দ্গ্ধ হয়েছে।
স্থানীয়রাসহ ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বারবার জানানোর পরও শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যাননি। পরে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এলাকাবাসী।
অভিযোগ অস্বীকার করে ফায়ার সার্ভিস বলছে, রওয়ানা হওয়ার পর তাদের আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার কথা জানান হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ড। রফিকুল ওই গ্রামের নেয়ামত আলীর ছেলে।
রফিকুল বলেন, “সন্ধ্যায় গরুগুলো গোয়াল ঘরে বেঁধে পাশের বলদীঘাট বাজারে যাই। ঘণ্টা দুয়েক পর আমার ছেলে দৌড়ে এসে বাড়িতে আগুন লাগার খবর জানায়।
“দ্রুত বাড়িতে গিয়ে দেখি ঘরবাড়িতে আগুন জ্বলছে। এরপর ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আসেনি। স্থানীয়রা দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।”
তিনি আরও বলেন, “গোয়াল ঘরে থাকা নয়টি গরু আগুনে পুড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসলে গরুগুলো এমনভাবে আগুনে পুড়তো না।”
বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এ আগুন লেগেছে বলে ধারণা করছেন তিনি।
কাওরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজিজুল হক বলেন, “আগুনে বাড়ির পাঁচটি রুম পুড়ে গেছে এবং কয়েকটি গবাদি পশুর চামড়া পুড়ে মারাত্মক ক্ষত হয়েছে। পশু চিকিৎসকরা বাড়ি এসে গরুর চিকিৎসা দিচ্ছেন।”
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, “আগুন লাগার খবর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। কিন্তু পথে পুনরায় ফোন করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে, ফায়ার সার্ভিসের প্রয়োজন হবে না বলে জানানো হয়। তাই আমরা যাইনি।
“আগুন লাগার খবর পেয়ে যাইনি, এ ধরনের অভিযোগ করে থাকলে সেটি অবশ্যই মিথ্যা।”