জামালপুরে ৮ মাস পর কবর থেকে তোলা হল সাংবাদিকের লাশ
লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জামালপুরে আট মাস পর এক সাংবাদিকের লাশ আদালতের আদেশে কবর থেকে তোলা হয়েছে।
সাংবাদিক নুরুল হক জঙ্গি মেলান্দহ উপজেলার কাঠপাড়া এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে এবং জামালপুর থেকে প্রকাশিত ‘পল্লীকন্ঠ প্রতিদিন’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন।
মেলান্দহ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আলমগীর জানান, আদালতের আদেশে সোমবার দুপুরে তার উপস্থিতিতে পিবিআই মেলান্দহ উপজেলার মুন্সি নাংলা গ্রামের কবর থেকে নুরুল হক জঙ্গির লাশ উত্তোলন করে।
পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয় বলে জানান তিনি।
২০২৪ সালের ২১ ডিসেম্বর রাতে জামালপুর শহরের বানিয়াবাজার এলাকায় দুটি ইজিবাইকের চাপায় নুরুল হক নিহত হন বলে ওই সময় তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল।
পরে চলতি বছরের ১৩ মার্চ নুরুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী দিলরুবা ইয়াসমিন রুমা বাদী হয়ে প্রথম স্ত্রীর মেয়ের জামাই জিয়াউর রাফিসহ ছয় জনকে আসামি করে জামালপুর আমলি আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার অন্য বাকি আসামিরা হলেন- প্রথম স্ত্রী খায়রুন নেছা কাজলী, জামাতা জুলহাস, দুই মেয়ে জেবুন নেছা কাকলী, জিন্নাতুন নেছা কনা ও পল্লীকন্ঠ প্রতিদিন পত্রিকার কম্পিউটার অপারেটর দেলোয়ার হোসেন।
জামালপুর পিবিআইয়ের পরিদর্শক মোশারফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আদালতের আদেশে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর লাশ আবার আগের জায়গায় দাফন করা হবে।
ইউএনও আলমগীর বলেন, নুরুল হকের লাশ তেলার সময় মামলার বাদী দ্বিতীয় স্ত্রী দিলরুবা ইয়াসমিন রুমা এবং জামালপুর পিবিআই ইন্সপেক্টর মোশারফ হোসেনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক নুরুল হক জঙ্গি ১৯৯১ সালে জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে ফিডম পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচন করেছিলেন।
