সরকারকে ফারুক বলেন, “সংবিধানের কথা বলে বাংলাদেশের মানুষকে আর অপমান কইরেন না।“
Published : 17 Jan 2024, 03:29 PM
তিনশ আসনের জাতীয় সংসদে ‘ছয়শজন’ সদস্য থাকার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক।
তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশে এখন এমপি ছয়শ জন। ২৯ তারিখ পর্যন্ত এই সংসদ (একাদশ), সেই সংসদের সদস্যরা এখনো বহাল আছেন। কি করে সম্ভব? সংবিধানের কোন আইনে লেখা আছে এরা শপথ করতে পারবেন?”
“আমি বলতে চাই, আপনারা (সরকার) সংবিধান মানেন না, সংবিধানের কথা বলে বাংলাদেশের মানুষকে আর অপমান কইরেন না। দয়া করে সংবিধান মত চলেন, পদত্যাগ করেন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেন।”
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে নির্বাচন নিয়ে কথা বলছিলেন নবম সংসদের বিরোধী দলের প্রধান হুইপ ফারুক।
সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে ২৯ জানুয়ারির মধ্যে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন করার বাধ্যবাকতা ছিল। এর মধ্যে ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা চতুর্থবারের মত সরকার গঠনের পর গত ১১ জানুয়ারি শপথ নিয়েছে শেখ হাসিনার নতুন মন্ত্রিসভা।
তার আগে ১০ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদের নতুন এমপিরা শপথ নিয়েছেন। অথচ একাদশ সংসদে মেয়াদ আছে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।
সেই প্রসঙ্গ ধরে ফারুক বলেন, “৭ জানুয়ারি যে নির্বাচন হয়ে গেল, এটা কোনো নির্বাচন হয়নি, ভোট কেন্দ্রে ভোটাররা যায়নি… এটা দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হয়েছে। এটা লজ্জার।”
বিএনপি নেতাদের মামলা-কারাগারের ভয় দেখিয়ে ‘লাভ হবে না’ মন্তব্য করে ফারুক বলেন “এই সরকার যত কলাকৌশল করুক না কেন তারা এরকম ভুয়া পাতানো নির্বাচন করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। জনগণ অবশ্যই তাদেরকে আন্দোলনের মাধ্যমে বিদায় করবেই।”
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ কারাবন্দি নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই মানবন্ধনের আয়োজন করে গণতন্ত্র ফোরাম।
সংগঠনের সভাপতি ভিপি ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, তথ্য ও গবেষণা সহ সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, কৃষক দলের ওবায়দুর রহমান টিপু, সাহাদাত হোসেন বিপ্লব, তাঁতী দলের কাজী মনিরুজ্জামান, মতস্যজীবী দলের সেলিম মিয়া, জাসাসের আরিফুর রহমান বক্তব্য দেন।