জিয়া হত্যাকাণ্ডের তদন্ত হলেই বেরিয়ে আসবে: খালিদ
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত হলে কফিনে লাশ ছিল কি না, তা বেরিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
রোববার ঢাকার বারডেম হাসপাতালে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
খালিদ মাহমুদ বলেন, “জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত। তদন্ত হলেই কফিনের মধ্যে কী ছিল, বেরিয়ে আসবে।
“আজকে মির্জা ফখরুল প্রধানমন্ত্রীর তথ্যভিত্তিক বক্তব্যকে হাস্যকর বলছেন; তার চিকিৎসা করানো দরকার। এটা দিবালোকের মতো আমরা দেখতে পাচ্ছি।”
জিয়া নিহত হওয়ার পর অনেক মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তাকে হত্যার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, “সেই সময়ে যারা বেঁচেছিলেন, তারা পরবর্তীতে অস্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছেন। সেগুলো এখন বড় প্রশ্ন। কাজেই সেটারও একটা রহস্য উদ্ঘাটন করা দরকার।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “পঁচাত্তরের একটি হত্যাকাণ্ডকে জায়েয করার জন্য কত হত্যাকাণ্ড করেছে জিয়াউর রহমান। যদি সেনাবাহিনীর মধ্যেই চিন্তা করি, ১৮টি ক্যু হয়েছে, সেই হত্যাকাণ্ডকে জায়েয করার জন্য শত শত নয়, হাজার হাজার শুধু সেনাসদস্যকেই হত্যা করা হয়েছে।”
সরকার ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরিতে ‘মতলববাজ মহল’ চেষ্টা করছে বলেও সতর্ক করেন নৌ প্রতিমন্ত্রী।
“সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন যেন না হয়, সেজন্য সরকারের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের একটি দ্বন্দ্ব তৈরি করার জন্য মতলববাজরা মাঠে নেমেছে। তাদের চিহ্নিত করে রাখতে হবে। তারা আমাদের সঙ্গেই আছে। আমাদের সঙ্গে থেকেই তারা ছুরিকাঘাত করতে চায়।”
বঙ্গবন্ধু পরিষদ বারডেম শাখার সভাপতি অধ্যাপক মীর নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এই আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি এস এ মালেক, বিএমএ সভাপতি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সহ-সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী, মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক রশীদ-ই-মাহবুব, বারডেম জেনারেল হাসপাতালের মহাপরিচালক অধ্যাপক মুর্তাজা কে আই কাইয়ুম চৌধুরী এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদ বারডেম শাখার সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন বক্তব্য রাখেন।
