১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কার নির্দেশে ‘নুর ভাই রক্তাক্ত’, সেনাপ্রধানকে জবাব দিতে হবে: সারজিস

“যারা পেছন থেকে কালো হাতের খেলা খেলার চেষ্টা করছে, তাদের কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে,” বলেন এ এনসিপি নেতা।

কার নির্দেশে ‘নুর ভাই রক্তাক্ত’, সেনাপ্রধানকে জবাব দিতে হবে: সারজিস
সারজিস আলম। ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 Aug 2025, 02:25 AM

Updated : 26 Aug 2026, 02:12 PM

গণঅধিকার পরিষদের নেতা নুরুল হক নুরের আহত হওয়ার ঘটনায় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের ঘটনার পর নিজের ফেইসবুক পেইজে এ অভিযোগ তোলেন সারজিস।

তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্টবিরোধী লড়াইয়ের মাধ্যমে হাসিনা পতন আন্দোলনের অন্যতম সহযোদ্ধা নূর ভাইয়ের উপর সেনাবাহিনীর এ বর্বর রক্তাক্ত হামলাকে আমি স্বাভাবিক হামলা হিসেবে দেখি না।

“আর্মি কখনো ওপরের নির্দেশ ছাড়া একটা পা-ও ফেলে না। সেনাবাহিনীর মধ্যকার কার নির্দেশে নূর ভাইকে রক্তাক্ত করা হলো, এ জবাব সেনাপ্রধানকে দিতে হবে। সেনাবাহিনীর মধ্যকার কারা একটা রাজনৈতিক দলের সভাপতিকে মেরে হলেও জাতীয় পার্টিকে রক্ষার মিশনে নেমেছে, সেটাও খুঁজে বের করতে হবে।”

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সারজিস বলেন, “পুলিশের মধ্যকার যে আওয়ামী দালালরা এখনো রয়ে গেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। 

“এই সেনাবাহিনী ও পুলিশ অবশ্যই নুরুল হক নুরকে ভালো করে চেনে। তারপরও প্ল্যান করে তাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। যারা পেছন থেকে কালো হাতের খেলা খেলার চেষ্টা করছে তাদের কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় সংঘর্ষে জড়ান উভয় দলের নেতাকর্মীরা।

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছে দাবি করেন, হামলার প্রতিবাদে জাতীয় পার্টিসহ আওয়ামী লীগের দোসরদের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদের মশাল মিছিলের কর্মসূচি ছিল। সেটি শেষ করে গণঅধিকার পরিষদ কার্যালয়ের সামনে প্রেস ব্রিফিং করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিপেটা করে।

তিনি বলেন, লাঠিপেটায় নুরুল হক গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

তবে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর—আইএসপিআর বলেছে, পুলিশ ‘সহযোগিতা’ চাওয়ায় দুই দলের সংঘর্ষের ঘটনায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা সম্পৃক্ত হন।

আইএসপিআর বলছে, ‘শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা অগ্রাহ্য’ হওয়ার পর সেনাবাহিনী সেখানে ‘মব ভায়োলেন্স’ ঠেকানোর জন্য বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।

সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্যের আহত হওয়ার কথাও জানায় আইএসপিআর।

আরও পড়ুন

'মব ভায়োলেন্সথামাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় সেনাবাহিনীআইএসপিআর

জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকারের সংঘর্ষে আহত নুর ঢাকা মেডিকেলে