১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারতীয় ‘পুশ ইন এর পাল্টা ব্যবস্থা’ চায় জনতা পার্টি

“অন্তবর্তীকালীন সরকারকে বলব, ভারতের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে অবিলম্বে এসব সুবিধা (ট্রানজিট) স্থগিত করুন।”

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 May 2025, 12:14 AM

Updated : 26 Aug 2026, 12:45 PM

ভারতীয় ‘পুশ ইন’ এর বিরুদ্ধে অন্তবর্তীকালীন সরকারকে ‘পাল্টা ব্যবস্থা’ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জনতা পার্টি, বাংলাাদেশ’।

সোমবার ‍দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে দলটির নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান।

দলটির মহাসচিব শওকত মাহমুদ বলেন, “ভারতীয় বাংলাভাষী এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পুশ ইন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে ভারত স্থলপথে রফতানি বন্ধ করে বাংলাদেশকে বিপদে ফেলতে চাইছে।

“বাংলাদেশের বিগত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার কলকাতা থেকে সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলোতে পণ্য পাঠাতে ট্রানজিট ও বন্দর ব্যবহার সুবিধা দিয়ে রেখেছে। অন্তবর্তীকালীন সরকারকে বলব, ভারতের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে অবিলম্বে এসব সুবিধা (ট্রানজিট) স্থগিত করুন।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের এক নম্বর, দুই নম্বর, তিন নম্বর সমস্যা ভারত। তারা যদি মনে করে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল রেখে অথবা তাদের মনোপুতঃ সরকার বসিয়ে তারা বাংলাদেশের জনগণকে কষ্ট দেবে, তাহলে আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দিতে চাই, ভারতের এই উদ্যোগ সফল হবে না।”

জনতা পার্টির নির্বাহী সভাপতি গোলাম সারোয়ার মিলন বলেন, “পুশ ইনের মাধ্যমে ভারত যে অমানবিক আচরণ এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যে অপরাধ করছে, এর বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার হতে হবে। একাত্তর ও চব্বিশের চেতনায় জাতীয়তাবাদী শক্তি ও সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দিতে হবে।

“বাংলাদেশ ভারতের করদ রাজ্য নয়। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। যারা ভারতের দালালি করে তারা বাংলাদেশে বন্ধু নয়, তারা জনগণের শত্রু।”

মুসলিম লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন রশিদ বলেন, “আপনারা জানেন, ইন্ডিয়া পুশইন করছে, আমাদের পানির ন্যায্য হিসা দিচ্ছে না… এটা কি প্রমাণ করে ইন্ডিয়া বাংলাদেশের জনগণের বন্ধু? না তারা একটি গোষ্ঠী অথবা একটি পরিবারের বন্ধু?

“অন্তবর্তীকালীন সরকারকে বলব, এই পুশ ইনের সমস্যাটি জাতিসংঘে নিয়ে যেতে। সময় এসেছে এখন এর বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে।”

গোলাম সারোয়ার মিলনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় দলের উপদেষ্টা শাহ মো. আবু জাফর, অবসরপ্রাপ্ত মেজর মুজিব, ফরহাদ হোসেন, আউয়াল ঠাকুর, ভাইস চেয়ারম্যান ওয়ালিউর রহমান খান, এমএস ইউসুফ, গ্রিন পার্টির মোজাম্মেল হক, নাজমুল হাসান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর ইমরান, জাকির হোসেন লিটু বক্তব্য দেন।