পুতিন, বেবি টুইনস লুহানস্ক ও দোনেস্ক এবং বুড়ো খাটাশ ন্যাটো

সাইফ তারিক
Published : 3 March 2022, 01:25 PM
Updated : 3 March 2022, 01:25 PM

কেন যে মার্কিন প্রশাসন ব্যাকরণ ভুলে গিয়ে ইউক্রেইনের ময়দানে যুদ্ধে নামতে গেল! আর তাদের পানবরদার হলো ন্যাটো– লীলাবাজ বুড়ো খাটাশ।

যুদ্ধের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র একইসঙ্গে নিজের নিওকন চরিত্রেরও বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করে ইউক্রেইনের ময়দানে হাজির হয়ে নব্যনাৎসি ইউক্রেইনি বিক্ষোভকারীদের পাউরুটি, পানি ও সফট ড্রিংকস খাইয়ে, তাদের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে; তার সাথে ব্ল্যাকওয়াটার নামে মার্কিন প্রাইভেট মিলিটারি কোম্পানির সার্ভিসম্যানরাও ছিল। নব্যনাৎসিদের লালন, পালন ও বিকাশের 'কভার্ট অপারেশন'-এর দায়িত্ব পালন করেছে তারা। ব্ল্যাকওয়াটার ইরাকেও কুখ্যাতি অর্জন করেছে। যার সামগ্রিক ফল: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে হিটলারের নাৎসি বাহিনীর পক্ষে যোগদানকারী স্তেপান বান্দেরা'র হিরো হয়ে ওটা অর্থাৎ ইউক্রেইনে 'রাজাকারদের' চালিকাশক্তি হয়ে ওঠা। আমাদের দেশে সামরিক শাসনকালে এমন ক্রিয়া-কর্মের নজির আমরা দেখেছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলাকালে তাদের পক্ষে 'দাঁড়িয়ে যাওয়ার মার্কিন কসরত' আমরা দেখেছি। এটাই মার্কিন 'কূটনৈতিক আদব'। এটাই নিও-লিবারেল ইয়াঙ্কি ডেমোক্র্যাসি। গণতন্ত্র যেন 'গণিকালয়ের বাঈজি নৃত্য'।

এরকম মার্কিন 'সুবাস্তু' লীলার কারণেই পদ্মাসেতু 'স্বপ্নের পদ্মাসেতু' হয়ে উঠতে পারে। দুর্নীতি প্রমাণিত হয়নি, কিন্তু দুর্নীতি হতে পারে (!) মর্মে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণাধীন বিশ্বব্যাংকের রসের কেরদানি এই 'স্বপ্নসেতু'র জন্মদাতা। এতে দুর্নীতির আসল কেচ্ছাটুকু– যদি থেকে থাকে– হারিয়ে যায়। শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের নানা দেশে নানাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের 'গণতন্ত্রলীলা'র প্রকাশ ঘটতে আমরা দেখেছি। গ্লোবাল ওয়ার অন টেরর এমন এক লীলার নাম। ভেনেজুয়েলায় গুয়াইদো আরেক লীলার নাম– গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল। বলিভিয়ায় ইভো মোরালেসের বিরুদ্ধে আরেক লীলা দেখা গেল, তাতে শেষ রক্ষা হলো না; তাদের মনোনীত জিনি আনেস ক্যু-সংঘটনের অভিযোগে এখন জেলের ঘানি টানছেন। মার্কিন লীলা দেখা গেছে ব্রাজিলে– দিউমা হোসেফের ক্ষেত্রে; এরপরও লুলা দ্য সিলভাকে ঠেকানো যাবে কি! হন্ডুরাসে ম্যানুয়েল জেলায়াকে হটানো গিয়েছিল; কিন্তু তার স্ত্রী নতুন প্রেসিডেন্ট শিওমারা কাস্ত্রোর বিজয় ঠেকানো গেল না। কিউবায় ৬০ বছরের বেশিকাল ধরে মার্কিন অর্থনৈতিক অবরোধের 'রাসলীলা' চলছে। লিবিয়ায় গাদ্দাফিকে ফেলে দেওয়া গেছে, গণবিধ্বংসী অস্ত্র মজুদ করার অভিযোগে ইরাকে সাদ্দাম হোসেনকে বিচার না করেই ঝুলিয়ে দেওয়া গেছে, কিন্তু সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদকে সাইজ করা গেল না।

ইরানের জেনারেল সুলায়মানিকে খুন করা সম্ভব হয়েছে, কিন্তু ইরানকে দমানো গেল না। ইয়েমেনে সৌদিদের মাধ্যমে বেসামরিক নাগরিকদের 'গণহত্যা' করা গেছে, শিশুদের না খাইয়ে রেখে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া গেছে; কিন্তু হুতিদের ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না, উল্টো সৌদি আরবেরই এখন ত্রাহি অবস্থা। লীলার মাজেজা দেখানো সম্ভব হবে না তাইওয়ানেও। লীলায় মজবে না উত্তর কোরিয়াও, তারা ১৬ মাখের (১ মাখ = শব্দের গতিবেগ) হাইপারসনিক মিসাইল ছুঁড়েছে দিন দুয়েক আগে। ১৯৫০ সালের যুদ্ধের বেদনা তারা ভোলেনি। এসব লীলা এখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই ভীষণ জ্বালা হিসেবে দেখা দিয়েছে। হরিণীর নাকি আপন কস্তুরীর জ্বালায় প্রাণ যায়!

তোমাকে বধিবে যে গোকুলে বাড়িছে সে। যে গোকুলে বেড়েছে, তার জন্ম হয়েছে ২০১৪ সালে। এ জন্য ভিক্টোরিয়া ন্যুল্যান্ডকে (তার মানে যুক্তরাষ্ট্রকে) ক্রেডিট দিতে হয়। সে যমজ সত্তা – লোগানস্ক ও দোনেস্ক। পুতিন এই টুইন বেবির সাহায্যে ইউক্রেইনের গলা টিপে ধরেছেন, আর যুক্তরাষ্ট্রকে (বাংলা ছায়াছবি 'হরিপদ ব্যান্ডওয়ালা'র অন্যতম চরিত্র খরাজ মুখোপাধ্যায়ের আপ্ত-সংলাপের মতো) 'পেঁপে দিয়ে চেপে' দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র এখন 'পেঁপেতে চাপাপড়া'র ব্যথায় কঁকাচ্ছে– তার সর্ব অঙ্গে ব্যথা!

অতএব ইউক্রেইন সমস্যার শুরু ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি নয়, এর শুরু ২০১৪ সালের গোড়ায়, বিশেষ করে ২০১৪-এর ২২ ফেব্রুয়ারির পর। যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটোর মদদে নব্যনাৎসিরা ক্ষমতায় (অবৈধভাবে) আরোহন করে। বলা যায়, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি আসলে উদ্ভুত সমস্যার শেষের শুরু। প্রসঙ্গত–

The Ukrainian SSR was a founding member of the Soviet Union in 1922. The country regained its independence in 1991, following the dissolution of the Soviet Union.

বর্তমান সংকট বোঝার জন্য ইতিহাসের এই বাঁকগুলো সম্পর্কে জানা থাকা দরকার–

The territory of modern Ukraine has been inhabited since 32,000 BC. During the Middle Ages, the area was a key centre of East Slavic culture, with the loose tribal federation Kievan Rus' forming the basis of Ukrainian identity. Following its fragmentation into several principalities in the 13th century and the devastation created by the Mongol invasion, the territorial unity collapsed and the area was contested, divided, and ruled by a variety of powers … In the aftermath of the Russian Revolution, … The Ukrainian SSR was a founding member of the Soviet Union in 1922.

চলমান সমস্যার একমাত্র কারণ যুক্তরাষ্ট্র; ন্যাটো তার অপযুক্তির লাঠি। নব্যনাৎসিরা হচ্ছে 'পনস অব ইউএস এম্পায়ার'। যুক্তরাষ্ট্র একটি শয়তানের সাম্রাজ্য কায়েম করেছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরেই। ১৯৯২ সাল থেকে (সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর থেকে) বিশ্বে একক মার্কিন কর্তৃত্ব প্রতিষ্টা করার চেষ্টা চলছে, বাধা শুধু রাশিয়া আর চীন; সঙ্গে কিউবা, নিকারাগোয়াই (নিকারাগুয়া), ভেনেজুয়েলা, বলিভিয়া ও ইরানের মতো কিছু বেয়াড়া দেশ আছে।

২০১৪ সালে ভিক্তর ইয়ানোকোভিচ্-কে ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে হটানো হয়েছিল। অথচ তিনি অবৈধ ছিলেন না–

"After rejecting the Ukrainian-European Association Agreement, Yanukovych was ousted from office in the 2014 Ukrainian Revolution. He currently lives in exile in Russia. … . He was Prime Minister of Ukraine from 21 November 2002 to 7 December 2004 and from 28 December 2004 to 5 January 2005, under President Leonid Kuchma. Yanukovych first ran for president in 2004: he advanced to the runoff election and was initially declared the winner against former Prime Minister Viktor Yushchenko. However, the election was fraught with allegations of electoral fraud and voter intimidation. This caused widespread citizen protests and Kyiv's Independence Square was occupied in what became known as the Orange Revolution. The Ukrainian Supreme Court nullified the runoff election and ordered a second runoff. Yanukovych lost this second election to Yushchenko. He served as Prime Minister for a second time from 4 August 2006 to 18 December 2007, under President Yushchenko. … .Yanukovych was elected president in 2010, defeating Prime Minister Yulia Tymoshenko. The election was judged free and fair by international observers. … . November 2013 saw the beginning of a series of events that led to his ousting as president. Yanukovych rejected a pending EU association agreement, choosing instead to pursue a Russian loan bailout and closer ties with Russia. This led to protests and the occupation of Kyiv's Independence Square, a series of events dubbed the "Euromaidan" by proponents of aligning Ukraine toward the European Union. … . In January 2014, this developed into deadly clashes in Independence Square and in other areas across Ukraine, … In February 2014, Ukraine appeared to be on the brink of civil war, … On 21 February 2014, Yanukovych claimed that, after lengthy discussions, he had reached an agreement with the opposition. Later that day, however, he left the capital for Kharkiv, … and travelling next to Crimea, and eventually to exile in southern Russia."

এসব কথা উইকিপিডিয়াতেই লেখা আছে– মনগড়া কথা নয়। কবে ইউক্রেইনের চলমান ঘটনার শুরু সেকথা মনে রাখা ফরজ। ঘটনার সূত্রপাতকারী কে বা কারা তাও মনে রাখা জরুরী। অযথাই উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে লাভ নেই। ইয়ানুকোভিচ্ প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে দোনেস্কের গভর্নর ছিলেন (১৯৯৭-২০০২)। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ একেবারেই নেই তা নয়। কিন্তু ওইসব অভিযোগের কোনওটাই তাকে গদিচ্যুত করার উপযুক্ত নয়। আসলে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনাটি মার্কিন মদদপুষ্ট একটি নব্যনাৎসিপন্থি ক্যু। তার বিরুদ্ধে অন্যতম প্রচারণা, তিনি ইউক্রাইনিয়ান-ইউরোপিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যাগ্রিমেন্ট বাতিল করেছিলেন এবং এর বদলে রাশিয়ার কাছ থেকে বেইলআউট লোন পেতে চেয়েছিলেন ও রাশিয়ার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক চেয়েছিলেন। এটা ছিল ইউক্রেইনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর 'ড্রিম প্রজেক্ট'-এর বিরোধী। মূলত এটাই তার অপরাধ। জেলেনস্কি ইউতে, ন্যাটোতে ঢোকার স্বপ্ন দেখলে দোষ নেই, দোষ হচ্ছে ইয়ানুকোভিচ্ রাশিয়ার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়তে চাইলে। বড় সুন্দর 'ন্যাটোস্তানি' (ব্রাজিলীয় সাংবাদিক-প্রাবন্ধিক পেপি এস্কোবারের পরিভাষা) যুক্তিবিদ্যা! আসলে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো কোনো যুক্তিরই ধার ধারে না।

২০১৪ সালে ইয়ানুকোভিচ্-বিরোধী বিক্ষোভ এবং তার ক্ষমতাচ্যুতির পরিপ্রেক্ষিতেই ইউক্রেইনের পূর্বাঞ্চলের রুশ অধ্যুষিত দুটি অঞ্চল দোনেস্ক ও লুহানস্ক স্বাধীনতা ঘোষণা করে, এ নিয়ে গৃহযুদ্ধ বাঁধে। এই যুদ্ধই ইউক্রেইনে আট বছর ধরে চলছে। একই সময়ে ক্রিমিয়া গণভোট করে, গণভোটে ক্রিমিয়ায় ৮৬ শতাংশের উপরে এবং তার স্বায়ত্তশাসিত শহর সেভাস্তোপোলে ৮৫ শতাংশের উপরে ভোট পড়ে রাশিয়ার সাথে পুনরেকত্রীকরণের জন্য। রাশিয়া এই স্বতস্ফূর্ত গণদাবিকে অবজ্ঞা করতে পারেনি। পুরেকত্রীকরণ বলার মানে ক্রিমিয়া এক সময় রাশিয়ার অংশই ছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নে থাকা অবস্থায় ১৯৫৪ সালে প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলে ক্রুশ্চেভ ক্রিমিয়াকে ইউক্রেইনের সাথে যুক্ত করেছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল বলে রুশ ফেডারেশন বড় কোনো ঝামেলা করেনি, কিন্তু ক্রিমিয়া যে তার অংশ এ দাবি ছাড়েনি। ২০১৪ সালে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ক্রিমিয়া আবার রুশ ফেডারেশনে ফিরে গেল। এ পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটোই তৈরি করেছিল, নব্যনাৎসিদের কাজে লাগিয়ে।

ইউক্রেইন এবং তার নিও-নাৎসিরা হামলা চালিয়ে ক্রিমিয়া পুনর্দখল করতে গিয়েছিল, কিন্তু রাশিয়ার সাথে পেরে ওঠেনি। দোনেস্ক ও লুহানস্কে কিয়েভ সরকার হামলা চালিয়েছে, তাদেরও দমাতে পারেনি। তারা বিদ্রোহী অঞ্চল হয়েই রয়ে গেল। কিয়েভ বাহিনীর হামলায় ওই দুই অঞ্চলে ১৩ হাজার লোক নিহত হয়েছে। এ হিসাব জাতিসংঘের, দোনেস্ক ও লুহানস্কের হিসাবে আরও বেশি। তারা এ হত্যাকাণ্ডকে 'গণহত্যা' বলছে এবং বিচার চাইছে কিন্তু বিচার মিলছে না। এ দুটি অঞ্চলের পরিচিতি 'দনবাস' হিসাবে। দনবাসের প্রতিরক্ষা বাহিনী নিজেদের স্বাতন্ত্র্য ধরে রাখে, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে সেখানে স্থিতাবস্থা জারি রেখে একটি চুক্তি করা হয়, সমঝোতা করা হয়, যার নাম মিনস্ক চুক্তি। আট বছর ধরেই পুতিন বলছেন মিনস্ক চুক্তি বাস্তবায়ন করার জন্য কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বারবার পিছলে যাচ্ছে, এ ব্যাপারে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।

অগত্যা দোনেস্ক ও লুহানস্কের উপর্যুপরি আহ্বানে ২০২২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া দোনেস্ক ও লুহানস্কের স্বাধীনতা ঘোষণাকে স্বীকৃতি দেয়। এরপরও ইউক্রেইন বাহিনী তাদের ওপর হামলা চালায়। একটি ইউক্রেইনীয় ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ার সীমানার এক কিলোমিটার ভেতরে পড়ে। রাশিয়া অবশ্য জবাব দেয়নি। ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার বাহিনী শান্তিরক্ষী বাহিনী হিসাবে দনবাসে প্রবেশ করে। দনবাসের প্রতিরক্ষা বাহিনী স্থলপথে অগ্রবর্তী বাহিনী হিসেবে অগ্রসর হচ্ছে পিছে পিছে রয়েছে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার টেকনিক্যাল ফায়ার পাওয়ার তো রয়েছেই। স্পেশাল ফোর্সও রয়েছে, ইউক্রেইনের জায়গায় জায়গায় এয়ারবর্ন ফোর্স অবতরণ করেছে।

"Russia and its allies from the Donetsk and Lugansk People's Republics launched a military operation in Ukraine on Thursday aimed at "demilitarising and denazifying" the country in the face of a security crisis of a scale unseen in Europe in decades. … . In total, according to a representative of the Ministry of Defense, the Russian military have destroyed 821 military facilities in Ukraine. In particular, seven combat aircraft, seven helicopters and nine drones were shot down, 87 tanks and other combat vehicles were destroyed."

অতএব টেকনিক্যালি রাশিয়াকে আগ্রাসনকারী বাহিনী বলা প্রায় অসম্ভব। কারণ তারা ইউক্রেইনে ঢুকেছে দোনেস্ক ও লুহানস্কের সকারের আমন্ত্রণে। এর আগে রাশিয়া তাদের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। অগ্রবর্তী বাহিনী হিসেবে অগ্রসর হচ্ছে দোনেস্ক ও লুহানস্কের প্রতিরক্ষা বাহিনী। রাশিয়ার ইলেক্ট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম, প্রিসিশন গাইডেড মিসাইল, নেভাল পাওয়ার আর বিমান-স্থল-এয়ারবর্ন ফোর্সের সক্ষমতার কথা ন্যাটোর সমরবিশেষজ্ঞদের জানা আছে। তার ফলও তো সবাই দেখতে পাচ্ছে। ষাট ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেইন জেলেনস্কির হাতছাড়া হয়ে গেছে জেলেনস্কি বেলারুশের গোমেল শহরে রাশিয়ার সাথে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন। এছাড়া তার উপায় নেই।

পেপি এস্কোবারের ব্যাখ্যায়–

"This is what happens when a bunch of ragged hyenas, jackals and tiny rodents poke The Bear: a new geopolitical order is born in breathtaking speed. … .From a dramatic meeting of the Russian Security Council to a history lesson delivered by President Putin and the subsequent birth of the Baby Twins – the People's Republics of Donetsk and Luhansk – all the way to their appeal to President Putin to intervene militarily to expel the NATO-backed Ukrainian bombing-and-shelling forces from Donbass, it was a seamless process. … .Putin immediately turned Responsibility to Protect (R2P) upside down: … .First came the recognition of the Baby Twins – Putin's most important foreign policy decision since going to Syria in 2015. That was the preamble for the next game-changer: a "special military operation (…) aimed at demilitarization and denazification of Ukraine", … .Up to the last minute, the Kremlin was trying to rely on diplomacy, explaining to Kiev the necessary imperatives to prevent heavy metal thunder: recognition of Crimea as Russian; abandon any plans to join NATO; negotiate directly with the Baby Twins – an anathema for the Americans since 2015; finally, demilitarize and declare Ukraine as neutral. … .Kiev's handlers, predictably, would never accept the package – as they didn't accept the Master Package that really matters: the Russian demand for "indivisible security". … . It was the artillery of one of the Baby Twins, the DPR, that hit the HQ of the Armed Forces of Ukraine in Donbass, which actually housed the entire Ukrainian military command. This means that the Ukrainian General Staff instantly lost control of all its troops. … . As in realizing, not auspiciously, but rather in resignation, that the only language those neo-con and "humanitarian" imperialist psychos in the Beltway understand is heavy meal thunder (they are definitely deaf, dumb and blind to History, Geography and Diplomacy, for that matter. No to mention they never accepted their defeat in Syria.) … So the rules have changed. Drastically. The Hegemon is naked. The new deal starts with turning the post-Cold War set-up in Eastern Europe completely upside down. The East Med will be next. The Bear is back, baby. Hear him roar."

(ফ্রম দ্য ব্ল্যাক সি টু দি ইস্ট মেড, ডু নট পোক দ্য রাশিয়ান বিয়ার; ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২, পেপি এস্কোবার; https://thesaker.is)

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক