০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ইউক্রেইনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার স্বপ্ন নস্যাৎ করতে রাশিয়া যে যুদ্ধের শুরু করেছে, আজ সেই ন্যাটোর অস্তিত্বই সংকটে? ট্রাম্প-পুতিন গোপন ফোনালাপ আর ইউরোপের পিছুটান—ইউক্রেইন কি তবে পশ্চিমা মিত্রদের কাছে এখন এক পরিত্যক্ত বোঝা?
ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় ক্ষোভ হলো, কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর অভিযানকে আরো কঠিন করে তুলেছে।
তিনি গাদ্দাফির পুত্র ছিলেন—কিন্তু সেটা তার অপরাধ নয়। অপরাধ ছিল, তিনি লিবিয়ার এমন এক ভবিষ্যৎ কল্পনা করেছিলেন, যা সাম্রাজ্যবাদীরা সহ্য করতে পারছিল না।
যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্রদের ওপর আধিপত্য বিস্তার থেকে বেইজিংকে বিরত রাখাই যথেষ্ট মনে করছে ট্রাম্প প্রশাসন।
ওয়াশিংটনের এমন পরিকল্পনা ইউরোপীয় মিত্রদের গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শত্রুদের অবস্থান চিহ্নিত করা, গোলন্দাজ বাহিনীকে পথ দেখানো এবং লক্ষ্যবস্তুতে বোমা ফেলার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে হাজার হাজার ড্রোন।
ইরানে হামলা, গাজায় গণহত্যা এবং ট্রাম্পের ‘ড্যাডি’ হয়ে ওঠা—ইসরায়েল ও ইউরোপের রাজনৈতিক চাটুকারিতায় গড়ে উঠছে এক নতুন রঙ্গমঞ্চ।
পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম যেভাবেই প্রচার করুক না কেন, বাস্তবতা হচ্ছে তিন বছর আগে শুরু হওয়া যুদ্ধে রাশিয়াই এখন সব দিক থেকে সুবিধাজনক অবস্থায় আছে। এই অবস্থায় রুশ প্রশাসনকে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে অনেকটা চাপমুক্ত মনে হচ্ছে।