১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরান যুদ্ধ যা শেখাল

সামরিক শক্তিই কি শেষ কথা? ইরান যুদ্ধ বিশ্বকে দেখাল ভূপ্রকৃতি, ড্রোন প্রযুক্তি আর জাতীয় ঐক্য কীভাবে পাল্টে দিতে পারে যুদ্ধের প্রচলিত সমীকরণ। আল-জাজিরা থেকে অনূদিত আব্দুল্লাহ বান্দার আল-ইতাইবির লেখা।

ইরান যুদ্ধ যা শেখাল
মার্কিন, ইসরায়েলি হামলার পর তেহরানে ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটি পুলিশ স্টেশন। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ২৪

লেখা: আব্দুল্লাহ বান্দার আল-ইতাইবি | অনুবাদ: রাকিবুল রাকিব

Published : 13 Apr 2026, 02:43 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:24 PM

এক দশকেরও বেশি সময় পরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সরাসরি আলোচনায় অংশ নেয় গত শনিবারে। সেদিন উভয় পক্ষের মতপার্থক্য এতটাই প্রবল ছিল যে, কোনো সমঝোতা ছাড়াই আলোচনার অবসান ঘটেছে।

এই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে যুদ্ধের প্রায় দেড় মাসে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেখা হলো। শুধু যুদ্ধ বিষয়ে নয়, আধুনিক যুদ্ধবিগ্রহের গতিপ্রকৃতি নিয়ে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে ওয়াশিংটনের জন্য এগুলো মূল বিবেচ্য হতে পারে।

যুদ্ধের বিস্তৃতি ও ভৌগোলিক গুরুত্ব

ইরান এমন কৌশলে যুদ্ধ করেছে, যা সংঘাতকে তাৎক্ষণিকভাবে জটিল করে তোলে। দেশটির আয়তন প্রায় ১৬ লাখ ৪০ হাজার বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৯ কোটিরও বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত বড় যুদ্ধগুলোর বিস্তৃতির তুলনায় এর ভৌগোলিক বিস্তৃতি ও জনসংখ্যা অনেক বেশি।

তুলনা করলে দেখা যায়, ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত জোট ইরাকে অভিযান চালিয়েছিল। দেশটি ইরানের ভূখণ্ডের এক-চতুর্থাংশ এবং জনসংখ্যায় প্রায় অর্ধেক ছিল। আফগানিস্তান ও ইউক্রেইন আয়তনের দিক থেকে মোটামুটি হলেও, ভূখণ্ড ও জনসংখ্যার পরিসংখ্যানে ইরানের তুলনায় বেশ ছোট।

ভূখণ্ডের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সামরিক অভিযান কখনোই সরলরৈখিকভাবে চলে না। বৃহৎ ভূখণ্ডের জন্য শুধু বেশি সৈন্য ও অস্ত্রের প্রয়োজন হয় না, জ্যামিতিক হারে বাড়ে যুদ্ধের সরঞ্জাম, দীর্ঘ সরবরাহপথ এবং বিস্তৃত গোয়েন্দা তৎপরতার প্রয়োজন হয়। যদি যুদ্ধ জটিল হয়, তবে ভূখণ্ড অনুসারে রসদসামগ্রীর আরও প্রয়োজন পড়ে।

ইরাক অভিযানে অনুকূল ভূখণ্ডের জন্য আমেরিকা সুবিধা পেয়েছিল। মার্কিনজোট বাহিনী দক্ষিণাঞ্চলীয় সমতল মরুভূমি ও নদী উপত্যকা ধরে দ্রুত অগ্রসর হয়ে বাগদাদের দিকে পৌঁছেছিল। অনুরূপভাবে, ইউক্রেইনের তুলনামূলক সমতল ভূখণ্ড রুশ বাহিনীকে সুবিধা দেয়, বিশেষত দেশটির পূর্বাঞ্চলের স্তেপ অঞ্চলে। তবে সমতল ভূখণ্ডের একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো, এতে সৈন্যদের অবস্থান ও গতিবিধি সহজেই শনাক্ত করা যায়, শত্রুর আক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে।

আফগানিস্তান ঠিক বিপরীত ধরনের চ্যালেঞ্জ হাজির করেছিল। পার্বত্য অঞ্চল প্রচলিত সামরিক অভিযানকে সীমিত করে দিয়েছিল এবং বিমানশক্তি, প্রশিক্ষিত বিশেষ বাহিনী ও স্থানীয় মিত্রদের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য করেছিল।

তবে ইরান এমন এক ভূখণ্ডে অবস্থিত, যেখানে উভয় ধরনের ভূপ্রকৃতির সবচেয়ে জটিল দিকগুলো উপস্থিত আছে।

ইরানের পশ্চিম সীমান্তজুড়ে জাগ্রোস পর্বতমালা বিস্তৃত হয়ে একটি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যূহ তৈরি করেছে। উত্তরে অবস্থিত আলবোর্জ পর্বতমালা তেহরানসহ গুরুত্বপূর্ণ জনবসতিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে রক্ষা করে। কেন্দ্রীয় মালভূমিতে রয়েছে বিস্তীর্ণ মরুভূমি, যা সামরিক রণকৌশল ও রসদ সরবরাহকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। অন্যদিকে, পারস্য ও ওমান উপসাগর বরাবর ইরানের দীর্ঘ উপকূলরেখা যেমন নিরাপত্তা দুর্বলতা তৈরি করে, তেমনই প্রতিরক্ষা ব্যূহকেও মজবুত করে।

ইরানের পার্বত্য ভূখণ্ড শুধু স্থল অভিযানকে প্রায় অসম্ভব করে তোলে না, বরং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক, সামরিক উৎপাদন কর্মকাণ্ড এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আড়ালে রাখার ব্যাপক সুযোগ তৈরি করে দেয়। এর অর্থ হলো, আকাশপথে সীমাবদ্ধ শত্রু দেশের সামরিক অভিযান যুদ্ধ দীর্ঘ করতে পারে। উপরন্তু, ইরানের পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতাও রয়েছে।

শক্তিশালী এবং সুসংহত প্রতিরক্ষা

ইরান সম্পর্কে একটি বাড়াবাড়ি অনুমান হলো, অভ্যন্তরীণ বৈচিত্র্য দেশটিকে দুর্বল করেছে। এ বিষয়ে সন্দেহ নেই, নৃতাত্ত্বিক দিক থেকে ইরান বহুবিচিত্র। সেখানে আজেরি, কুর্দ, আরব, বেলুচ এবং অন্যান্য গোষ্ঠী দেশটির জনসংখ্যার বড় একটি অঞ্চল জুড়ে রয়েছে। কিন্তু ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা দেখায়, বহিরাগত হুমকি ছিন্নভিন্ন না করে তাদের মধ্যে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করেছে।

এর সবচেয়ে সাম্প্রতিক উদাহরণ ইউক্রেইন। ভাষাগত ও আঞ্চলিক পার্থক্য সত্ত্বেও, রাশিয়ার আক্রমণ ইউক্রেইনীয়দের জাতীয় সংহতি ও প্রতিরোধকে আরও দৃঢ় করেছে। ইরান অনেকটাই একই গতিপথ অনুসরণ করছে। বহিরাগত সামরিক চাপ রাষ্ট্রকে ভাঙতে পারে না, তাকে আরও মজবুত করে।

ইরানের সামরিক কাঠামোর প্রেক্ষাপটে এই বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দেশটির একটি শক্তিশালী স্তরবিন্যস্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে নিয়মিত সেনাবাহিনী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরসহ আট লাখের বেশি সক্রিয় সদস্য রয়েছে। এই বাহিনী প্রচলিত এবং অসম উভয় ধরনের যুদ্ধের জন্য সংগঠিত। এর সামরিক মতবাদে সৈন্যদের ছত্রভঙ্গ করে রাখা, টিকে থাকার সহ্যক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

ইরান ২০০৩ সালের ইরাকের মতো রাষ্ট্র নয়। ইরাকি সামরিক বাহিনী অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও পূর্ববর্তী সংঘাতে জর্জরিত ছিল। কিন্তু ইরান ব্যক্তিনির্ভর কোনো ব্যবস্থা নয়, সেখানে রাষ্ট্রযন্ত্রের কাঠামো অনুযায়ী সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দেশটির রয়েছে সমন্বিত নির্দেশ কাঠামো এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা।

এখানে ইউক্রেইন আরেকটি শিক্ষা সামনে আনে। এমনকি একটি বৃহৎ ও আধুনিক সামরিক বাহিনীও, একটি ছোট অথচ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও সুসংগঠিত বাহিনীর বিরুদ্ধে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল লাভে ব্যর্থ হতে পারে। দ্রুত বিজয় ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে রাশিয়া একটি বিশাল বাহিনী নিয়ে ইউক্রেইনে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু যুদ্ধটি ক্রমশ দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে পরিণত হয়। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও, রাশিয়ার কৌশলগত লাভ সামান্যই হয়।

প্রচলিত ‍যুদ্ধাস্ত্রের সীমাবদ্ধতা

প্রচলিত যুদ্ধাস্ত্রের কার্যকারিতা সম্পর্কে গত দেড় মাসে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া গেছে। দেখা গেছে, মার্কিন-ইসরায়েলি আক্রমণ সহ্য করে যুদ্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করার কৌশল নিয়েছিল ইরান। এর ফলে স্পষ্ট হয়েছে, এ ধরনের রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শুধু আকাশপথে অপ্রতিরোধ্য শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে বল প্রয়োগ করে সব সময় কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করা যাবে না।

ইরানের সামরিক প্রতিরক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা। দ্রুত নিষ্ক্রিয় করা যায়, এমন কোনো কেন্দ্রীভূত ও উচ্চমূল্যের সামরিক কাঠামো ইরান গড়ে তোলেনি। দেশটি একটি বিকেন্দ্রীভূত ও বহুস্তরীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ করেছে।

ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক, মজুদকরণ ও উৎপাদন কেন্দ্রগুলোকে পার্বত্য অঞ্চলে অথবা সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ অবকাঠামোর আড়ালে বসানো হয়েছে। ফলে সেগুলো শনাক্ত করে ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন।

এই ব্যবস্থাপনা একটি বৃহত্তর বাস্তবতাকে সামনে আনে, ভূখণ্ড এখানে শুধু সংঘাতের ভিত্তি নয়, ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত।

একই সময়ে, ইরানের ড্রোননির্ভরতা এবং স্বল্পমূল্যের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভিন্নধর্মী এক চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য শত্রুপক্ষের ওপর নির্ভুল আঘাত হেনে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা নয়। বরং সময়ের সঙ্গে টিকে থাকা এবং চাপ সহ্য করা। এভাবে ইরান মার্কিন-ইসরায়েল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর ধারাবাহিক হামলার বোঝা চাপিয়ে দেয়। এর ফলে একটি কাঠামোগত ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়। অত্যন্ত আধুনিক ও ব্যয়বহুল সামরিক সরঞ্জাম যুদ্ধ ব্যয় বহুগুণে বাড়িয়ে দেয় অথচ সেগুলো ব্যবহার করতে হয় সস্তা অস্ত্রের মোকাবিলায়। সময়ের সঙ্গে এই বাস্তবতা যুদ্ধক্ষেত্রে শুধু বিজয়ের লক্ষ্যকে দূরে রাখে না, সক্ষমতা নষ্ট করে।

এসব বিষয় থেকে বোঝা যায়, সামরিক শক্তির গতিপ্রকৃতি কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রচলিত সামরিক শক্তির শ্রেষ্ঠত্ব এখনও স্বীকৃত, তবে তার ভূমিকা ক্রমেই সীমিত হয়ে আসছে। এ ধরনের অভিযান জীবনযাত্রা ব্যাহত করতে পারে, বিপর্যয় ঘটাতে পারে এবং কোনো দেশকে দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ রাখতে পারে।

তবে সীমাবদ্ধতা হলো, ভৌগোলিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত, কৌশলগতভাবে ছড়িয়ে থাকা এবং দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জন্য প্রস্তুত একটি প্রতিপক্ষকে চূড়ান্ত অর্থে পরাজিত করতে এই কৌশল হিমশিম খায়।

কৌশলগতভাবে এর অর্থ কী?

ইরান ২০০১ সালের আফগানিস্তান নয়, ২০০৩ সালের ইরাকও নয়, আবার ২০২২ সালের ইউক্রেইনও নয়। যুদ্ধের মাত্রা, জটিলতা ও দৃঢ়তা, এই তিনের প্রদর্শনে ইরান যেন ওই তিন দেশের এক মিশ্র সংস্করণ।

সব মিলিয়ে, এই বাস্তবতাগুলো ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়। দেশটি শুধু একটি কঠিন লক্ষ্যবস্তু নয়, যুদ্ধের কৌশলগত সব হিসাব-নিকাশকে মৌলিকভাবে পাল্টে দিতে পারে।

যুদ্ধের মাত্রা, ভৌগোলিক অবস্থান এবং সহনশীলতার সমন্বয়ের অর্থ হলো, যেকোনো সংঘাতের দীর্ঘস্থায়ী, ব্যয়বহুল এবং ফলাফল অনিশ্চিত হওয়ার ঝুঁকি আছে। এ থেকেই বোঝা যায়, কেন মার্কিন সামরিক চাপ সত্ত্বেও ইরান যুদ্ধ বাস্তবে কোনো ফল আনতে পারেনি। বরং এখন সাময়িক যুদ্ধবিরতির দিকে অগ্রসর হয়েছে।

এই রচনা ভবিষ্যতে যুদ্ধ না ঘটার প্রস্তাব তুলে ধরে না। বরং সংঘাতের এক ধরনের গতিপ্রকৃতির কথা বলে, গত দেড় মাসে আমরা যা প্রত্যক্ষ করেছি। যখন দ্রুত বিজয়ের সম্ভাবনা থাকে না এবং সংঘাত বৃদ্ধির ব্যয় বাড়ে, তখন বৃহৎ আকারের যুদ্ধ কম আকর্ষণীয় হয়। পরিবর্তে, সামনে আসে সীমিত সংঘর্ষ, সংযত প্রতিক্রিয়া এবং কৌশলগত হুমকির ধারাবাহিকতা। এই পরিস্থিতিতে, বিবদমান পক্ষগুলো পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ করে না, আবার যুদ্ধের স্থায়ী সমাধানও করতে পারে না।

যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য প্রধান শক্তির জন্য এর তাৎপর্য একই। ২০০৩ সালে ইরাকের মতো দ্রুত ও চূড়ান্ত সামরিক অভিযানের প্রত্যাশা এই বাস্তবতায় খাপ খায় না। সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব যুদ্ধক্ষেত্রের গতিপথ নির্ধারণে ভূমিকা রাখে, কিন্তু তা নিশ্চিত ফল দিতে পারে না।

ইরান যুদ্ধ আধুনিক যুদ্ধবিগ্রহের বৃহত্তর এক রূপান্তরের ছবি তুলে ধরে। যুদ্ধবিজয়কে শুধু দ্রুত বিজয় অথবা আপাত কর্তৃত্ব দিয়ে বুঝবার ‍সুযোগ নেই। সহিষ্ণুতা, অভিযোজনক্ষমতা এবং জটিল পরিস্থিতিতে যুদ্ধ করার সামর্থ্য দিয়ে বুঝতে হবে। ইরান যুদ্ধ পুনরায় শুরু হবে কি না, মার্কিন হিসাব-নিকাশে এই প্রশ্নই বড় নির্ধারক হয়ে উঠবে।

লেখাটি আল-জাজিরা থেকে অনূদিত; এর লেখক আব্দুল্লাহ বান্দার আল-ইতাইবি কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তিনি উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে বয়ান (ন্যারেটিভ), পরিচয় ও পররাষ্ট্রনীতির আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করেন। তার প্রকাশিত একটি গ্রন্থ ‘Shifting Narratives and Evolving Roles of Qatari Foreign Policy (কাতারের পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তনশীল বয়ান ও বিবর্তনমূলক ভূমিকা)।