০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

ফলাফল নির্ধারিত, তবুও কেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?

সংবিধানের বিদ্যমান ব্যবস্থা এবং আইনে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের পদ্ধতিটাই এমন যে, এটি নিতান্তই একটি আনুষ্ঠানিকতা।

ফলাফল নির্ধারিত, তবুও কেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বেড়াজাল আর ব্যালটে স্বাক্ষর করে নাম নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা থাকায় আগে থেকেই নিশ্চিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল। ছবি: এআই

আমীন আল রশীদ আমীন আল রশীদ

Published : 12 Aug 2026, 07:10 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:24 PM

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণের জন্য আগামী ২০ অগাস্ট দুপুরে সংসদ সদস্যদের বৈঠক ডেকেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং এই নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনি কর্মকর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন। যেহেতু এই মুহূর্তে সংসদের অধিবেশন চলছে না, ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনের বিধান অনুযায়ী সিইসি এই বৈঠক ডেকেছেন। যেদিন (মঙ্গলবার) এই বৈঠক ডাকা হলো, সেদিনই জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি (ভারপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। এই অধিবেশন শুরু হবে ২৭ অগাস্ট। অর্থাৎ ২০ অগাস্ট বা তার একদিন আগে অধিবেশনটি শুরু হলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণের জন্য আলাদা করে সিইসিকে সংসদ সদস্যদের বৈঠক ডাকতে হতো না।

বিদ্যমান সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এবং ১৯৯১ সালে পাস হওয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে ভোটগ্রহণের যৌক্তিকতা কতখানি—সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যাক।

সংবিধানের ৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন। আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ১৯৯১ অনুযায়ী, একাধিক প্রার্থী থাকলে সাড়ে তিনশো (৫০টি সংরক্ষিতসহ) সংসদ-সদস্য প্রকাশ্যে ভোট দেবেন। নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্যালট পেপার প্রস্তুত করবে। প্রত্যেকটি ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে। কাউন্টার ফয়েলে প্রত্যেক ভোটারের নাম ও বিভক্তি সংখ্যা মুদ্রিত থাকবে এবং ভোটারের স্বাক্ষরের জন্য স্থান নির্ধারিত থাকবে। প্রত্যেকটি ব্যালট পেপারের আউটার ফয়েলে প্রত্যেক ভোটারের বিভক্তি সংখ্যা এবং রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীদের নাম আদ্যাক্ষর অনুযায়ী ক্রমানুসারে সরলরেখার মধ্যে পৃথকভাবে মুদ্রিত থাকবে এবং প্রত্যেক নামের বিপরীতে ভোটার কর্তৃক স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভোট প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকবে। প্রত্যেক ভোটার তার জন্য নির্দিষ্ট ব্যালটের কাউন্টার ফয়েলে নিজ নাম স্বাক্ষর করে ব্যালট পেপার সংগ্রহ করবেন। এরপর সেটি আউটার ফয়েলে তিনি যে প্রার্থীকে ভোট দেবেন, তার নামের বিপরীতে নির্দিষ্ট স্থানে নিজের পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন এবং সেটি সংরক্ষিত ব্যালট বাক্সের ভেতরে রাখবেন। তার মানে কোন এমপি রাষ্ট্রপতি পদে কাকে ভোট দিলেন, সেটি জানা সম্ভব এবং যেহেতু সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে, ফলে দলীয় মনোনীত প্রার্থী ছাড়া অন্য কাউকে ভোট দেওয়ার সুযোগও নেই।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ইসির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলামও এটা স্পষ্ট করেছেন যে, যেহেতু ৭০ অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে, অতএব সংসদ সদস্যদের দলের মনোনীত প্রার্থীকেই ভোট দিতে হবে। না হয় এটি ‘ফ্লোর ক্রসিং’ হিসেবে গণ্য হবে এবং তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হবে। যে কারণে এই সংবাদ সম্মেলনেই বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হলে সেটি আরও গ্রহণযোগ্য হতো।

প্রসঙ্গত, জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের যে প্রস্তাব করা হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি আইন অনুযায়ী আইনসভার উভয় কক্ষের (নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৪)-এ বর্ণিত যোগ্যতাসমূহ এবং রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার সময় কোনো ব্যক্তি কোনো রাষ্ট্রীয়, সরকারি বা রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের কোনো পদে থাকতে পারবেন না।

তার মানে বিদ্যমান আইনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রকাশ্যে ভোটের কথা বলা হলেও জুলাই সনদে গোপন ভোটের প্রস্তাব করা হয়েছে এবং নির্দলীয় ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বানানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা হবে কি না, সেটি এখনও নিশ্চিত নয়। সংবিধান সংশোধনে যে বিশেষ কমিটি করা করা হয়েছে, সেখানে বিষয়টি নিয়ে নিশ্চয়ই আলোচনা হবে।

বিদ্যমান সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যেখানে দলের বিপক্ষে সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যেহেতু প্রকাশ্যে ভোট দিতে হয়, সে কারণে এই প্রশ্ন তোলাই সঙ্গত যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আদৌ ভোটের প্রয়োজন আছে কি না? বিশেষ করে যে সংসদে সরকারি দল দুই তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে আছে। তার মানে এক তৃতীয়াংশ সদস্য যদি ভোট দিতে নাও আসেন, তারপরও বাকি সদস্যদের ভোটেই সরকারি দল মনোনীত প্রার্থী জয়ী হবেন। কিন্তু ভোট যদি গোপন থাকত এবং রাষ্ট্রপতি পদে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা যদি স্বাধীন থাকতেন, অর্থাৎ এটি যদি ফ্লোর ক্রসিং হিসেবে বিবেচিত না হতো, তাহলে এটি অধিকতর গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ হতো বলে মনে করা যায়। কিন্তু সংসদীয় গণতন্ত্রে যেহেতু রাষ্ট্রপতির খুব বেশি ক্ষমতা নেই এবং বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে যেহেতু সব কাজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে করতে হয়, ফলে সরকারি দল সব সময়ই চায় যে, রাষ্ট্রপতি সরকার তথা সরকারি দলের প্রতি অনুগত ও বিশ্বস্ত থাকবেন।  সম্ভবত এ কারণেই রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের পদ্ধতিটা এমন রাখা হয়েছে যাতে সরকারি দলের সদস্যরা নিজেদের দল মনোনীত প্রার্থীর বাইরে কাউকে ভোট দিতে না পারেন।

অবশ্য ১৯৯১ সালের পরে আর কখনো রাষ্ট্রপতি পদে ভোটগ্রহণের প্রয়োজনও হয়নি। কেননা প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল থেকে একজনকে মনোনীত করা হয়েছে এবং স্বতন্ত্র বা বিরোধী দল থেকে কোনো প্রার্থী না থাকায় তাকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ একাধিক প্রার্থী না থাকায় ভোটের আয়োজন করার প্রয়োজন পড়েনি। যে কারণে ১৯৯৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতিরা সাংবিধানিকভাবে সংসদ কর্তৃক নির্বাচিত হলেও কার্যত তারা প্রত্যেকেই ছিলেন দল কর্তৃক মনোনীত। যেটিকে ইলেকশন বা নির্বাচন না বলে সিলেকশন বলাই যুক্তিযুক্ত। সেই বাস্তবতায় এবার যে দুজন প্রার্থীর মধ্যে ভোট হচ্ছে, সেটি এক অর্থে মন্দের ভালো।

রাষ্ট্রপতি পদে সরকারি দল তথা বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এখনও কারো নাম ঘোষণা করা না হলেও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন বৃহস্পতিবার বিএনপির প্রার্থীর নাম জানা যাবে। তবে এরই মধ্যে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট থেকে এলডিপির শীর্ষ নেতা অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

এবারের সংসদে মোট সাড়ে তিনশো আসনের (সংরক্ষিতসহ) মধ্যে ২৫০টি আসন বিএনপির। বিপরীতে ৮৮টি আসন জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের। তার মানে বিএনপি জোটের প্রার্থীদের সবাই যদি বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে ভোট নাও দেন বা ভোটের দিন অনুপস্থিত থাকেন; বিপরীতে বিরোধী জোটের সবাই যদি তাদের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দেন—তারপরও বিরোধী জোটের প্রার্থী অলি আহমদের জয়ের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবু দুজন প্রার্থীর মধ্যে যে ভোটাভুটি হবে, সেটি একধরনের গণতান্ত্রিক চর্চা হলেও এটি একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

কিন্তু সংসদ সদস্যদের ওপর যদি ৭০ অনুচ্ছেদের খড়্গ না থাকত এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণটি যদি প্রকাশ্যে না হয়ে গোপনে হতো, তাহলে তারা ভোটদানের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকতেন। বস্তুত ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে এই বিতর্কের কারণেই বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সংবিধানের যেসব জায়গায় সংশোধনের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে, তার অন্যতম এই ৭০ অনুচ্ছেদ।

৭০ অনুচ্ছেদ এখন যেরকম আছে সেখানে বলা হয়েছে, যে দল থেকে একজন ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তিনি ওই দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হবে। যদিও দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়া বলতে কী বুঝায়—তা নিয়ে অস্পষ্টতা থাকায় সংসদ সদস্যপদ বাতিলের জুজুর ভয়ে সংসদে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারেন না বলে মনে করা হয়।

অবশ্য রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট দিলে সেটি দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া বলে গণ্য হবে কি না এবং এ কারণে তার সদস্যপদ বাতিল হবে কি না, এটি নিয়ে ১৯৯১ সালেই প্রশ্ন উঠেছিল। তখন বলা হয় যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংসদের আইন প্রণয়ন কার্যক্রম বা সংসদের স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ নয়। বরং এটি একটি স্বতন্ত্র আয়োজন—যেখানে ৭০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য নয়। কিন্তু ওই বছর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন পাস হলে তৎকালীন সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সংসদের কার্যপ্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গণ্য করার উদ্যোগ নেয়, যাতে ৭০ অনুচ্ছেদের দলত্যাগবিরোধী বিধান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও কার্যকর হয়। অর্থাৎ কেউ যদি দল মনোনীত প্রার্থীকে ভোট না দেন তাহলে তার সদস্যপদ বাতিল হবে। কিন্তু বিরোধী দলগুলোর প্রতিবাদ ও সমালোচনার মুখে কয়েক দিনের মধ্যেই অধ্যাদেশটি প্রত্যাহার করা হয়। প্রশ্ন হলো, তাহলে কি এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদানের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীন থাকবেন? উত্তর হলো ‘না’—যেটি এরইমধ্যে চিফ হুইপ স্পষ্ট করেছেন। যদি তাই হয় তাহলে এই নির্বাচনের অর্থ কী, যেখানে কে নির্বাচিত হবেন সেটি আগে থেকেই জানা আছে?

এরকম বাস্তবতায় জুলাই সনদে প্রস্তাব করা হয়েছে, কেবল অর্থবিল এবং আস্থা ভোটের বাইরে অন্য যেকোনো বিলে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীন থাকবেন। তবে নির্বাচনি ইশতেহারে বিএনপি আস্থাভোট, অর্থবিল, সংবিধান সংশোধনী বিল এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িত (যেমন: যুদ্ধ পরিস্থিতি) আছে, এমন বিষয়ের বাইরে যেকোনো বিষয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের  স্বাধীনতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তার মানে এই আলোকে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হলে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদানের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীন থাকবেন। কেননা তখন কোনো সাধারণ বিল বা ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ৭০ অনুচ্ছেদ কোনো অন্তরায় তৈরি করবে না। উপরন্তু রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সঙ্গে দলের আস্থা অনাস্থার প্রশ্ন জড়িত থাকবে না। কারণ রাষ্ট্রপতি পদে সরকারদলীয় প্রার্থী হেরে গেলেও তাতে সরকার পতন হবে না। কিন্তু সংবিধানের বিদ্যমান ব্যবস্থা এবং আইনে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের পদ্ধতিটাই এমন যে, এটি নিতান্তই একটি আনুষ্ঠানিকতা। এর কোনো একাডেমিক মূল্য নেই। গণতন্ত্রের চর্চায় এর গুরুত্ব কতখানি, সেই প্রশ্নও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

আমীন আল রশীদ সাংবাদিক ও লেখক। ইমেইল: aminalrasheed@gmail.com