হামের উপসর্গ নিয়ে দুজনের মৃত্যু
সব মিলিয়ে হামজনিত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৮২ জনে।
দেশে গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২৮২ জনের মৃত্যু হল।
এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১ হাজার ১৭৭ জন। এছাড়া হাম শনাক্ত হওয়ার ১০৫ জন মারা গেছেন।
রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছে।
এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৫২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। সিলেট বিভাগে মারা গেছে ২০৬ জন, চট্টগ্রামে ১১৪, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৯০, বরিশালে ৭০, খুলনায় ৫৭ ও রংপুর বিভাগে ১৮ জন মারা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ১ হাজার ১৩৮ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এ সময়ে ৮৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১১৪ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ভর্তি হয়েছে ৪৬৪ জন, চট্টগ্রামে ২০৪, সিলেটে ১২১, বরিশালে ৯৮, খুলনায় ৯১, ময়মনসিংহে ৬০, রংপুরে ৩২ ও রাজশাহীতে ৪০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ৯৭৯ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে ২ লাখ চার হাজার ৪৯ জন।
বুলেটিন অনুসারে, চলতি বছর হাম উপসর্গে রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪০ জন। এর মধ্যে ২৪ হাজার ৪৪২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হিসাব রাখে। যদিও হাসপাতালে আসা সব রোগী কিংবা হাসপাতালের বাইরে থাকা সব রোগীর হাম পরীক্ষা হয় না। ফলে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর প্রকৃত সংখ্যা জানা কঠিন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে শুধু হাসপাতালে আসা ও ভর্তি হওয়া রোগীদের তথ্যই নথিভুক্ত করা হয়।
