২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

শন কনেরির নামে পাইনউডের মঞ্চ

প্রথম জেমস বন্ডের ৯২তম জন্মবার্ষিকীতে তাকে এই সম্মান।

শন কনেরির নামে পাইনউডের মঞ্চ

পর্দায় জেমস বন্ডকে প্রথম চিনিয়েছেন শন কনেরি।

গ্লিটজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Aug 2022, 11:45 AM

Updated : 27 Aug 2022, 01:00 PM

জেমস বন্ডকে রুপালি পর্দায় যার মাধ্যমে প্রথম পাওয়া গিয়েছিল, বিশ্বজোড়া খ্যাতিমান সেই শন কনেরির নামে হচ্ছে পাইনউড স্টুডিওর নতুন ‘সাউন্ড স্টেজ’ ।

স্কটিশ এই অভিনেতা স্পাই থ্রিলারটির সাতটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে বনে যান কিংবদন্তিতে। ৯০ বছর বয়সে দুবছর আগে জাগতিক ভ্রমণ শেষ করে চিরবিদায় নেন তিনি।

স্কটল্যান্ড, এডিনবরা ফাউন্টেইন ব্রিজ এলাকায় ১৯৩০ সালের ২৫ অগাস্ট জন্ম শেন কনেরির।

বিবিসি জানাচ্ছে, তার ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাকে এই সম্মানে ভূষিত করে যুক্তরাজ্যের পাইনউড স্টুডিও।

আর ফ্র্যাঞ্চাইজি পালন করছে বন্ডের ৬০তম জন্মদিন পালন করছে, কারণ ১৯৬২ সালে জেমস বন্ডের প্রথম সিনেমা ‘ড. নো’তে অভিনয় করেছিলেন কনেরি।

পাইনউড গ্রুপের চেয়ারম্যান পল গোল্ডিং বলেন, “আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি পাইনউড স্টুডিওতে আমাদের পাঁচটি নতুন স্টুডিওর মধ্যে একটির নাম দেওয়া হবে ‘দ্য শন কনেরি স্টেজ’।”

কনেরি শুধু বন্ড সিরিজের যাত্রাই শুরু করেননি, উত্তরসূরি বন্ডদের জন্য ভিতই তৈরি করে দিয়ে গেছেন, যাকে অনুসরণীয় বলছে পাইনউড।

পুরনো খবর:

প্রথম জেমস বন্ড তারকা শন কনরি আর নেই
শন কনেরি: এক নক্ষত্রের জ্বলে ওঠার গল্প

কনেরির সম্মানে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে তার পরিবার। তার ছেলে জেসন এবং স্টিফেন কনেরি বলেন, তাদের বাবা জীবনের বেশিরভাগ সময় পাইউনউডে কাটিয়েছেন। পাইনউডও তাকে মনে রেখেছে। তাদের এই উদ্যোগে সন্তান হিসেবে তারা সম্মানিত বোধ করছেন।

বন্ড চরিত্রে মোট সাতজন অভিনেতা এ পর্যন্ত অভিনয় করলেও শন কনেরিকেই সেরা মনে করা হয়।

Image

জেমস বন্ড চরিত্রে শন কনেরি

১৯৬২ সালে কনেরি অভিনীত জেমস বন্ডের প্রথম সিনেমা ‘ড. নো’ করে জাত চিনিয়ে দেন জন কনেরি। এরপর ১৯৬৩ সালে ‘ফ্রম রাশিয়া উইথ লাভ’, ১৯৬৪ সালে ‘গোল্ডফিংগার’, ১৯৬৫ সালে ‘থান্ডারবল’ এবং ১৯৬৭ সালের ‘ইউ অনলি লিভ টোয়াইস’, ১৯৭১ সালে ‘ডায়মন্ডস আর ফরএভার’, ১৯৮৩ সালে ‘নেভার সে নেভার এগেইন’ বন্ড সিরিজের সিনেমাগুলোতে যুক্তরাজ্যের সিক্রেট এজেন্ট ‘জিরো জিরো সেভেন’র ভূমিকায় পর্দা কাঁপান তিনি।

তবে ‘ইউ অনলি লিভ টোয়াইস’ ছবিটি করার পর কনেরি একঘেয়েমিতে পড়ে যান। তাই ছেড়ে দেন এই সিরিজ।

২০০০ সালে তাকে নাইটহুড খেতাবেও ভূষিত করেন ব্রিটিশ রানি এলিজাবেথ।