০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

গুলশানে অনুষ্ঠান: মধ্যরাতে গাড়িতে হামলার অভিযোগ করে ফের আলোচনায় পরীমনি

ঘটনাটিকে পরিকল্পিত দাবি করে ফেইসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 09 Nov 2026, 04:04 AM

Updated : 09 Nov 2026, 04:11 AM

রাজধানীর গুলশান শুটিং ক্লাবে একটি অনুষ্ঠানে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়ার অভিযোগ করেছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি।

রোববার মধ্যরাতের ওই অনুষ্ঠান শেষে বের হওয়ার সময় তার গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার দাবি করেছেন তিনি।

রাত পৌনে ১টার দিকে ফেইসবুক লাইভে এ অভিযোগ করেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই অভিনেত্রী ।

শুটিং ক্লাবে স্টল ভাঙচুরের অভিযোগও করেন তিনি। তার প্রশ্ন, এসব ভাঙচুরের দায় কে নেবে এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিল্পীরা হেনস্তার শিকার হলে তার দায়িত্ব কে নেবে।

এ বিষয়ে গুলশান থানার ওসি জায়েদ নূর বলেন, “একটা সমস্যা হয়েছিল। পরীমনি চলে গেছেন। আর কোনো ঝামেলা হয়নি।”

শুটিং ক্লাবে পাঁচ দিন ধরে অনুষ্ঠান চলছিল এবং রোববার এর শেষ দিন ছিল বলে জানান তিনি।

পরীমনির গাড়ি বা অনুষ্ঠানের স্টল ভাঙচুরের বিষয়ে ওসি বলেন, “ভাঙচুরের কোনো ঘটনা তা জানা নেই। পরীমনি সুস্থভাবে ফিরে গেছেন।”

দিন কয়েক আগে একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করে আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর সাংবাদিকের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনার অভিযোগে আলোচনায় আসেন পরীমনি।

রোববার মধ্যরাতে গুলশান শুটিং ক্লাবের ঘটনার পর ফেইসবুকে তার অভিযোগ, ঘটনাটি পরিকল্পিত। অনুষ্ঠানে তার পরিবেশনার নির্ধারিত সময়ে মঞ্চে উঠতে পারেননি তিনি। তবে দর্শকরা পুরো অনুষ্ঠান উপভোগ করেছেন।

পরীমনি বলেন, “পুরো প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পরে একজন আওয়াজ তুললো। অ্যাটাকিং মোডে আওয়াজ তুললো।”

অনুষ্ঠানে অন্য শিল্পীরাও উপস্থিত ছিলেন বলে তুলে ধরে তিনি বলেন, কারও কোনো ক্ষোভ থাকলে তার সঙ্গে সরাসরি কথা বলা উচিত ছিল।

তার অভিযোগ, অনুষ্ঠান শেষে বের হওয়ার সময় তার গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এ কারণে তিনি থানায় ফোন করতে বাধ্য হন। গাড়িতে উঠতেও পারেননি বলে দাবি করেন তিনি।

ফেইসবুক লাইভে তিনি বলেন, “গুলশান থানা পুলিশ এখানে থাকার পরেও তারা আমাকে বের করতে পারতেছিল না, অতিরিক্ত পুলিশ তারা কল করে। তাহলে দেশটা কার হাতে।”

ঘটনার জন্য দায়ীদের সমালোচনা করে পরীমনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে ‘ইয়েলো জার্নালিজম’ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, "কোথায় এই দেশের নিরাপত্তা। আমি তাহলে ঘোমটা পরেই থাকি, এই করবো।"

স্টল ভাঙচুরের অভিযোগ করে তিনি বলেন, "এসব ভাঙচুরের দায়িত্ব কে নেবে। এ দেশের রাষ্ট্র নেবে? অনেক আর্টিস্ট আছে তারা যে হেনস্তা হলো এটার দায়িত্ব কে নেবে?

"আমার সাথে যদি কোনো ক্ষোভ থেকে থাকে তাহলে আমার সাথে বসুক আমার সাথে বুঝুক।"