০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শৈশব ও কৈশোর কেটেছে গোপালগঞ্জ শহরে। আদিনিবাস নড়াইল জেলায়। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছেন। বাংলাদেশের কয়েকটি স্বনামধন্য টেলিভিশন চ্যানেলে কাজ করেছেন সংবাদ প্রযোজক হিসেবে। চলচ্চিত্র তার আগ্রহ ও কাজের প্রধান ক্ষেত্র। এই আগ্রহ থেকেই বিভিন্ন চলচ্চিত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন এবং চলচ্চিত্র নির্মাণেও সক্রিয়। চলচ্চিত্র নিয়ে লেখা ও পড়া তার প্রিয় কাজ।
দীর্ঘদিনের দমন-পীড়নের পর ইরানি নির্মাতা পানাহির দেশে ফিরে আসা কেবল ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; এটি একটি গভীর রাজনৈতিক ও মানবিক অবস্থান। যখন যুদ্ধ চলমান, ঠিক ওই সময়েই তিনি ফিরে এসেছেন নিজের মানুষের কাছে।
শব্দ বা প্রতীক নিয়ে প্রশ্ন তোলা আসলে আমাদের সাংস্কৃতিক পরিসরকে সীমিত করার চেষ্টা। আজ নাম বদলানো হচ্ছে, কাল হয়তো পুরো ঐতিহ্যকেই প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। এর ফলে মানুষের মনে নিজের সংস্কৃতি নিয়ে দ্বিধা তৈরি হয়।
‘জীবন থেকে নেয়া’ নিছক একটি চলচ্চিত্র নয়। এর গল্প এক ধরনের আয়না; যেখানে আমরা বারবার আমাদের সময়, সমাজ এবং নিজেদের বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। তাই ব্রিগেডিয়ার রাও ফরমান আলীর হুমকি উপেক্ষা করে যে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেয়েছিল, তা আজ ৫৪ বছর পর আরও বেশি প্রাসঙ্গিক।
যে শিল্পী নীরবে কাজ করে গেছেন, ক্ষমতার সঙ্গে সখ্য গড়েননি, তার স্বীকৃতি আসে দেরিতে—ববিতার একুশে পদক সেই সত্যই আবার সামনে এনেছে।
এপস্টেইনের দ্বীপ কি শুধু অপরাধের স্থান, নাকি ক্ষমতার নিঃশব্দ খেলা? কুবরিকের ‘আইজ ওয়াইড শাট’ আগেই দেখিয়েছিল সেই সত্য।
নারীর জন্য কল্পিত মুক্ত ও নিরাপদ পৃথিবী নিয়ে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের উপন্যাস এবং সেই উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ইসাবেল হারগুয়েরার সংবেদনশীল অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র সুলতানা’স ড্রিম দুই সময় ও দুই ভূগোলকে যুক্ত করে আমাদের সামনে তুলে ধরে এক অস্বস্তিকর প্রশ্ন।