শীর্ষেন্দুর প্রথম উপন্যাস আসছে বড়পর্দায়
“নগরজীবনে একাকীত্ব কিন্তু শীর্ষেন্দুর উপন্যাসেও রয়েছে। অথচ দর্শক হিসেবে আমরা বেশির ভাগ সময়েই বিদেশি সিনেমাকে প্রাধান্য দিই।”
জনমানুষে ভরা ব্যস্ত শহরে একাকীত্বের সঙ্গে এক যুবকের যুদ্ধ করার গল্প বলেছিলেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় তার প্রথম উপন্যাস ‘ঘূণপোকা’য়। দুই মলাটের সেই উপন্যাস এবার আসছে সিনেমার পর্দায়।
আনন্দবাজার লিখেছে, পরিচালক পলাশ দে উপন্যাসটির স্বত্ব নিয়েছেন সিনেমা তৈরির জন্য।
তিনি বলেন, “বাংলায় লেখা হলেও আন্তর্জাতিক স্তরের এই উপন্যাসের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। এর মধ্যে সমাজের অনেকগুলো মানুষের সফর রয়েছে, যার সঙ্গে আজও পাঠক নিজেদের মিল খুঁজে পান। জীবনকে উদযাপন করে, এ রকম একটা উপন্যাস নিয়ে সিনেমা তৈরি হওয়া প্রয়োজন বলেই আমার মনে হয়েছিল।”
পলাশ মনে করেন বাংলা সাহিত্যে গল্পের অভাব নেই, চাইলে ভালো সিনেমা তৈরি হতেই পারে। তবে ভালো গল্পের কাজ নিয়ে অনেক প্রযোজকই ‘আগ্রহী হন না’ বলে আক্ষেপ করেছেন পলাশ।
তিনি বলেন, ‘‘নগরজীবনে একাকীত্ব কিন্তু শীর্ষেন্দুর উপন্যাসেও রয়েছে। অথচ দর্শক হিসেবে আমরা বেশির ভাগ সময়েই বিদেশি সিনেমাকে প্রাধান্য দিই।”
পলাশ জানিয়েছেন গত বছর তিনি ‘ঘুণপোকা’র স্বত্ব কিনেছেন। তার পর থেকে এই সিনেমা নিয়ে ধীরে ধীরে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। কয়েকটি প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গেও সিনেমাটি বানাতে কথা সেরেছেন তিনি।
পলাশের মতে, ‘ঘুণপোকা’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। তার কথায়, ‘‘আমি সিনেমাটা নিয়ে কোনো তাড়াহুড়া করে তৈরি করতে চাই না। সময় নিয়ে তৈরি করতে চাই।’’
সিনেমা তৈরি হলে সেখানে শ্যামের চরিত্রে কাকে ভাবছেন পলাশ?
তিনি বলেন, “এক জন বাঙালি তারকা অভিনেতার সঙ্গে কথা হয়েছে। কিন্তু যতক্ষণ না পর্যন্ত চূড়ান্ত হচ্ছে, ততক্ষণ কিছুই বলতে পারব না।”
পলাশ জানিয়েছেন, শুটিং থেকে সিনেমা মুক্তি পর্যন্ত যাবতীয় প্রক্রিয়ার সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব নেবেন, এমন কোনও প্রযোজক পেলেই তিনি ছবির কাজ শুরু করবেন।
