১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

জয়ার 'ফেরেশতে' সিনেমায় পিয়াস মজিদের গান

বাংলাদেশ–ইরানের যৌথ প্রযোজনার এই সিনেমা শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে।

জয়ার 'ফেরেশতে' সিনেমায় পিয়াস মজিদের গান
জয়া আহসান ও পিয়াস মজিদ। ছবি: প্রযোজকের সৌজন্যে।

গ্লিটজ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Sep 2025, 12:02 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:19 PM

সমাজের প্রান্তিক মানুষের জীবনের গল্প নিয়ে অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনীত ‘ফেরেশতে’ নামের যেই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে আসছে, তাতে গান থাকছে একটি।  

বাংলাদেশ–ইরানের যৌথ প্রযোজনার সিনেমাটি শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে।  

সিনেমার ‘প্রেমের হাওয়া একবার যদি গায়ে লাগে রে’ গানের কথা লিখেছেন কবি পিয়াস মজিদ। গানটি গেয়েছেন সংগীতশিল্পী বেলাল খান ও ইরানি গায়িকা মোনা আসকারি। 

গানের সুরও করেছেন বেলাল খান। সংগীত পরিচালনা করেছেন ফুয়াদ হেজাজি (ফ্রান্স)।

পিয়াস মজিদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "সিনেমার চিত্রনাট্যকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মুমিত আল-রশিদ আমার কাছ থেকে গানটি নিয়েছিলেন। পরে এটি বেলাল খান সুর করেছেন এবং কণ্ঠ দিয়েছেন। 

“যতদূর জানি সিনেমায় একটিই গান ব্যবহার হয়েছে। এটি আমার লেখা। এটা ভেবে ভালো লাগছে।"

তিন বছর আগে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সিনেমার দৃশ্যধারণ করেন ইরানি নির্মাতা মুর্তজা অতাশ জমজম। 

সমাজের প্রান্তিক মানুষের জীবনের গল্প পরিচালক তুলে ধরেছেন এ চলচ্চিত্রে। অভিনয়ের পাশাপাশি সহপ্রযোজনা করেছেন জয়া আহসান।

জয়ার ভাষায়, এ সিনেমায় তার চরিত্রটি ছিল ‘চ্যালেঞ্জিং'। 

‘ফেরেশতে’ সিনেমার দৃশ্য। ছবি: প্রযোজকের সৌজন্যে।

‘ফেরেশতে’ সিনেমার দৃশ্য

তিনি বলেন, “আমাদের দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ভেতরে যে সংগ্রামী ও সাহসী চরিত্র রয়েছে, তাদেরই একজনের ভূমিকায় আমি অভিনয় করেছি। পুরো টিম সহযোগিতা করায় শুটিং সুষ্ঠুভাবে শেষ করা সম্ভব হয়েছে।"

নির্মাণের পর সিনেমাটি দেখানো হয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসবে। ইরানের মর্যাদাপূর্ণ ফজর চলচ্চিত্র উৎসবে মানবিক বার্তার জন্য সিনেমাটি পুরস্কারও জিতেছে।

এছাড়া ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, ভারতের গোয়া আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রশংসিত হয়েছে ‘ফেরেশতে’।

জয়া ছাড়াও এ সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুমন ফারুক, শহীদুজ্জামান সেলিম, শাহেদ আলী, রিকিতা নন্দিনী শিমু, শাহীন মৃধা এবং শিশুশিল্পী সাথী।

‘ফেরেশতে’ সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন বাংলাদেশের মুমিত আল-রশিদ, যিনি ফারসি ও বাংলার অনুবাদেও কাজ করেছেন ফয়সাল ইফরানের সঙ্গে।