Published : 26 Jul 2025, 11:57 AM
ব্যান্ডসংগীত তারকা প্রয়াত শাফিন আহমেদ চার বছর আগে তার দীর্ঘদিনের ঠিকানা 'মাইলস' থেকে আলাদা হয়ে ‘ভয়েস অব মাইলস’ নামের নিজস্ব যে ব্যান্ড গড়ে তুলেছিলেন, সেটির আর কোনো অস্তিত্ব নেই।
দেশের সংগীত অঙ্গনের দুই মহারথী সংগীত শিল্পী ফিরোজা বেগম এবং সুরকার কমল দাশগুপ্তের ছেলে শাফিনের মৃত্যুর চারদিনের মাথায় দলটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
ছয় সদস্যের যে দলটি এগিয়ে নিয়ে শাফিন পরিকল্পনা আর স্বপ্ন বুনেছিলেন, যে দল নিয়ে তিনি গানে মাতাতে চেয়েছিলেন দেশ-বিদেশ বিভূঁইয়ের ব্যান্ডের গান পাগলদের, সেই দলটি এখন কেবল অতীত।
বৃহস্পতিবার শাফিনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে ব্যান্ডের তিনসদস্য অন্তরা রহমান, রাইসুল ইসলাম রিমন এবং সামিউল মোমিতের সঙ্গে 'ভয়েস অব মাইলস' নিয়ে কথা বলেছে গ্লিটজ।
এই ব্যান্ডের সাবেকরা বলছেন তাদের ব্যান্ডটি ছিল পুরোপুরি শাফিন আহমেদ কেন্দ্রিক। তাই তাকে ছাড়া এই দল টিকিয়ে রাখাকে শাফিন আহমেদের ‘লিগ্যাসির' প্রতি অসম্মান করা হবে বলে মনে করেছিলেন তারা। আর সেই ধারণা থেকে পথ হারালো ‘ভয়েস অব মাইলস’।
তবে শাফিন যে তার ‘আসল ঘর’ মাইলসে ফিরতে চাইতেন সেই ঈঙ্গিত শাফিনের নানা কথায় মিলেছিল বলেও জানিয়েছেন দলের কেউ কেউ।
২০২৪ সালের ২৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার একটি হাসপাতালে মারা যান ব্যান্ডের উজ্জ্বল এই তারকা। একটি কনসার্টে অংশ নিতে ২০ জুলাই সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। বিদেশে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে নেওয়া হয় হাসপাতালে, চারদিন লাইফ সাপোর্টেও ছিলেন তিনি। কিন্তু সেখান থেকে আর ফেরানো যায়নি শাফিনকে।
দিনটি ঘিরে গ্লিটজের কাছে ‘ভয়েস অব মাইলস’ ব্যান্ডের সদস্যরা নানা কথায় স্মরণ করেছেন শাফিনকে। তিন বছরে শাফিনের কাছ থেকে সংগীত ও বাদ্যযন্ত্র বাজানোর যে পাঠ তারা পাচ্ছিলেন সেই সময়ের বহু অজানা কথা কথা তারা বলেছেন। তবে সব গল্প ছাপিয়ে ব্যান্ড ভেঙে যাওয়ার হাহাকার উঠে এসেছে তরুণদের কণ্ঠে। তাদের ভাষ্য ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা দিয়ে তাদের পথ দেখিয়েছেন শাফিন, যা কারো কাছ থেকে পাওয়া সহজ নয়।
২০২১ সালে গড়ে ওঠা ‘ভয়েস অব মাইলস’; ব্যান্ডে শাফিন ছাড়াও ছিলেন-রাইসুল ইসলাম রিমন (কী বোর্ড), সামিউল মোমিত (ড্রামস), শাহরিয়ার শুভ্র (গিটার), সৈয়দ রেজা আলী (গিটার), অন্তরা রহমান (কণ্ঠ)। পরে সৈয়দ রেজা আলী ছাড়ার পর যুক্ত হন রাজীব ঘোষ।
শাফিন ভাই ছাড়া এই ব্যান্ড কল্পনাই করা যায় না
অন্তরা রহমান 'ভয়েস অব মাইলসে' যুক্ত হন ২০২২ সালে। শাফিনের সঙ্গে দেড় বছরের মত কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি।
‘ভয়েস অব ব্যান্ড’ এর কার্যক্রম বন্ধের কারণ তুলে ধরে অন্তরা বলেন, "ওই ব্যান্ডটি শাফিন ভাইকে ঘিরে ছিল। এটার সবকিছু উনার। আমাদের রাইসুল ইসলাম রিমন ভাই বললেন, 'ভাইয়া যেহেতু নেই এটা এখানেই স্টপ'।"
ব্যান্ড এগিয়ে নিতে আর কারো কোনো আগ্রহ ছিল কী না প্রশ্নে অন্তরা বলেন, "এখনো তো মাইলস আছে, ভাইয়ার গান কারো করার অধিকার থাকলে সেটা মাইলসই পাবে। আমরা তো কেউ না আসলে।"
'ভয়েস অব মাইলস' এর যাত্রা শাফিন শুরু করেছিলেন তিনজনকে নিয়ে। তাদের মধ্যে একজন রাইসুল ইসলাম রিমন। যিনি শাফিনের সঙ্গে কাজ করেছেন ২০১২ সাল থেকে।
অন্তরার কথার পুনরাবৃত্তি শোনা গেছে রিমনের ভাষ্যে।
তিনি বলেন, "এই ব্যান্ডের প্রধান শাফিন ভাই। উনাকে ছাড়া আমরা কোনো কিছু চিন্তা করতে পারিনি। চলে যাওয়ার পর আমরা এটা আগাতে পারতাম কিন্তু সেটা যুক্তিযুক্ত হত না। উনি ছাড়া ‘ভয়েস অব মাইলস’ নামটাও যায় না। অন্য নামে হয়ত এগোতে পারতাম কিন্তু সেটা করলে উনাকে অসম্মান করা হত।"
শাফিন নিজে ছিলেন বেইজ গিটারিস্ট, সুরকার এবং গায়ক। ১৯৬১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তার জন্ম। পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণে ছোটবেলা থেকেই গানের আবহে বেড়ে উঠেছেন শাফিন। বাবার কাছে উচ্চাঙ্গ সংগীত আর মায়ের কাছে নজরুলগীতি শিখেছেন।
বড় ভাই হামিন আহমেদসহ ইংল্যান্ডে পড়তে গিয়ে পশ্চিমের সংগীতের সঙ্গে সখ্য হয় শাফিনের। শুরু হয় তার ব্যান্ড সংগীতের যাত্রা।
একরকম শখের বশেই ১৯৭৯ সালে তারা গড়ে তোলেন ব্যান্ড দল ‘মাইলস’।
২০১৭ সালে 'মাইলস' ছেড়ে শাফিন 'দ্য অরিজিনালস' নামের ব্যান্ড করেন। যেখানেও ছিলেন রিমনসহ পাঁচজন। ওই দলটাও এক বছর চালিয়ে আবার 'মাইলসে' চলে যান শাফিন। পরে আবার 'মাইলসের' সঙ্গে সম্পর্কে ছেদ পরে ২০২০ সালে। সব মিলিয়ে ‘মাইলসের’ সঙ্গে শাফিনের গাঁটছড়ার বয়স ৪০ বছর।
শাফিন আহমেদ নিজের ইচ্ছায় 'ভয়েস অব মাইলস' ব্যান্ড গড়ে তুললেও জটিলতা মিটে গেলে ‘মাইলসে’ ফিরে যাওয়ার ইচ্ছার ইঙ্গিত রিমন পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।
"উনার মৃত্যুর পরে অনেকজনের কাছ থেকেও শুনেছি উনার মাইলসে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল। আমাদের কাছেও কথাবার্তায় উনি সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। উনি চেয়েছিলেন, যদি মাইলসে ফিরে যান তাহলে হয়ত উনি এই সেট আপকে রাখবেন তবে সেটা মেন্টর হিসেবে। আমাদের সরাসরি বলেননি, আকার, ইঙ্গিতে বুঝিয়েছিলেন।"
‘ভয়েস অব মাইলস’ এর থেমে যাওয়া নিয়ে রিমন বলেন, "তার অবর্তমানে আমরা হয়ত দলে আরেকজন ভোকাল নিয়ে চালিয়ে যেতে পারতাম সেক্ষেত্রে শাফিন ভাইয়ের লিগ্যাসিকে অস্মমান করা হত। যে মানুষটা নেই তার নাম ব্যবহার করে অর্থনৈতিকভাবে সুবিধা নিব সেই চিন্তা আমাদের নেই। এই ব্যান্ড নিয়ে কনসার্ট চালিয়ে গেলে শাফিন ভাইয়ের লিগ্যাসির প্রতি দুর্নাম হত।"
'মাইলসের' কোনো সদস্যদের সঙ্গে 'ভয়েস অব মাইলসের' সদস্যদের কোনো দ্বন্দ্ব নেই জানিয়ে রিমন আরও বলেন, "শাফিন ভাই এবং মাইলসের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। সেই দ্বন্দ্বের অংশ আমরা কখনোই হতে চাই না। আমরা তাদের কাছ থেকে কোনো অপমানজনক কথা আশা করি না, কারণ তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো ঝামেলা নেই।
"ভয়েস অব মাইলসের' প্রতিটা সদস্য চাইতেন শাফিন ভাই যেন মাইলসে ফেরত যান। কারণ আমরা ছোট থেকেই উনাকে সেই জায়গায় দেখেছি, মাইলস বাজাচ্ছে শাফিনের সঙ্গে।"
ব্যান্ডের আরেক সদস্য সামিউল মোমিতের ভাষ্য, ব্যান্ড মিউজিকে শাফিন আহমেদ দ্বিতীয়টি তৈরি হবে না। তার এই অর্জনের প্রতি সম্মান জানিয়ে, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকেই তারা দলটি নিয়ে আর এগিয়ে যাননি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
শাফিন যুক্তরাষ্ট্র্রে যাওয়ার আগে নতুন একটি গান নিয়ে তারা অনুশীলন করছিলেন বলে জানিয়েছেন অন্তরা। যা ঈদ ঘিরে প্রকাশ পাওয়ার কথা ছিল। এছাড়াও দেশে ফিরে 'ভয়েস অব মাইলসের’ কিছু কনসার্টের পরিকল্পনাও করে গিয়েছিলেন শাফিন।
শাফিনের মৃত্যুর খবর স্তব্ধ করে দিয়েছিল তাদের।
দিনটির কথা স্মরণ করে অন্তরা বলেন, "জুলাই অন্দোলনের কারণে নেটওয়ার্ক ছিল না, শাফিন ভাই বিদেশে যাওয়ার পর থেকে আমাদের সঙ্গে তেমন একটা যোগাযোগ ছিল না। আমাদেরকে রিমন ভাই জানিয়েছিলেন তিনি অসুস্থ। কিন্তু সেময়ে উনার সঙ্গে যোগাযোগ করার সুযোগ ছিল না। তিন চারদিন পর সকাল বেলা আম্মু ডেকে বলেন, শাফিন আহমেদ তো মারা গেছেন। আমি একদম থমকে গিয়েছিলাম।
"খারাপ লাগার জায়গাটা আমার বেশি ছিল কারণ যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে উনার সঙ্গে একটা নতুন গান নিয়ে প্র্যাকটিস করার কথা ছিল। আমি সেদিন উপস্থিত হতে পারিনি। এটা আমাকে খুব কষ্ট দেয়। সেই আফসোস থেকে যাবে।"
আরেক সদস্য রিমন বলেন, "জুলাই মাসের ২৫ তারিখ ভোর ৬টায় জেমসের ম্যানেজার রবিন ঠাকুর আমাকে কল দিয়ে খবর দেন, শাফিন ভাই তো আর নেই। আমি উনাকে প্রশ্ন করি আর ইউ শিউর? উনি বললেন, একটা মানুষের মৃত্যু নিয়ে তো আমি দুষ্টুমি করব না। তখন আমি মনে হয় হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।
"বারান্দায় বসে চিন্তা করতে থাকি এখন আসলে কী হবে! আমাদের নতুন একটা গান নিয়ে আসার প্রস্তুতিও চলছিল। কনসার্টের পরিকল্পনা ছিল।"
শাফিন আহমেদ একজন প্রতিষ্ঠান
রিমন, মোমিত এবং অন্তরা-এই তিনজনেরই কথা শাফিন আহমেদ কেবল একজন শিল্পী ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক ধরনের ‘মিউজিক ইনস্টিটিউশন’।
শাফিনকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে অন্তরা বলেন, “ভাইয়া শো শেষে আমাদের নিয়ে বসতেন, গান, স্টেজ পারফরম্যান্স, এমনকি উনার লন্ডনে কাটানো সময়ের গল্পও করতেন।”
স্টেজে কে কোথায় ঝামেলা করেছেন, ভুল করেছেন, কোথায় ঠিক করতে হবে তা ধরিয়ে দিতেন বলেও জানিয়েছেন অন্তরা।
"তিনি বলতেন, 'অন্তরা সবসময় রকস্টারের মত পরিবেশন করার চেষ্টা করবা'। কারণ আমি লিরিক্স স্ট্যান্ড সামনে রেখে গান করতাম। না হলে ভয় কাজ করত। তিনি বলতেন, 'এটা করা যাবে না, গান একদম মুখস্ত করে ফেলবা।' এমন অনেক স্মৃতি আছে।”
অনেক কিছুই শাফিনের কাছ থেকে শেখা হয়েছে জানিয়ে রিমন বলেন, “২০২২ সালে এক মাসে আমরা ১৬টি শো করেছি। সারাদেশ ঘুরেছি। তিনি বাজাতেন না, কিন্তু প্রতিটি ইনস্ট্রুমেন্ট সম্পর্কে তার দারুণ জানাশোনা ছিল। তিনি বলতেন, কীভাবে একটা আউটপুট তৈরি হওয়া উচিত। ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা দিয়ে আমাদের পথ দেখিয়েছেন তিনি।”
শাফিনের সঙ্গে কাজ করা জীবনের ‘বড় অর্জন’ বলে মনে করেন মোমিত।
কবে কীভাবে শাফিনের দলে তার ঠাঁই হল সে গল্পে মোমিত বলেন, তিনি ২০০৭ সালে চ্যানেল আইয়ের 'ডিজুস রকস্টার' রিয়ালিটি শোতে অংশ নেন, সেখানে বিচারক ছিলেন শাফিন। ২০২১ সালে শাফিনের সঙ্গে বাজানোর বিষয়র মোমিতের কাছে প্রস্তাব আসে।
“আমি তখন উনাকে একটা ফোন দিব দিব করে ৩০ মিনিট কেবল মানসিক প্রস্তুতিই নিচ্ছিলাম। তারপর উনি আমার ছোট একটা ইন্টারভিউ নেন এবং প্রথম সেশনে আসতে বলেন। সেই থেকে শুরু।
“প্রথম সেশনেই আমরা ৩০ মিনিট দেরিতে গেলাম। গিয়ে দেখি উনি সেখানে উপস্থিত। ঢোকার পরই উনি বললেন, ৭টা মানে ৭টাই। উনি টাইমের ব্যাপারে ব্রিটিশ স্টাইলে চলে। উনার লাইফস্টাইলসহ বহু কিছু ব্রিটিশ স্টাইলের ছিলণ। উনার সব কিছু একদম সময় ধরে কাজ করা ছিল।
মোমিতের কথায় গেল এক বছরে এমন কোনো দিন নেই যে শাফিনের কথা তার মনে পড়ে না।
“উনি যা শিখিয়ে গেছেন তা সারাজীবন নিয়ে চলব।"
এই তিন সদস্যের কাছে শাফিন আহমেদ অগাধ ভালোবাসায় ভরা একজন কঠোর মানুষ।
অন্তরা বলেন, “তিনি ছিলেন পিতৃতুল্য। অনেক কঠিন যেমন হতেন তেমন সবাইকে ভালোবাসায় আগলে রাখতেন।"
রিমনের ভাষায়, “উনি অভিভাবক ছিলেন। উনার সঙ্গে কাটানো সময়টা দারুণ ছিল।"
মোমিত বলেন, “তিনি আমাকে শিখিয়েছেন, একজন মিউজিশিয়ান মানে হচ্ছে এমন একজন, যাকে দেখতে-শুনতে দশ হাজার মানুষ টিকেট কেটে আসবে। তাই পরিবেশনা কেবল গানে নয়, পোশাক, হেয়ারস্টাইল, সব কিছুতেই হতে হবে পারফেক্ট।”
ছোটবেলায় মায়ের কোলে বসে উচ্চাঙ্গ সংগীত শুনতে শুনতে বড় হওয়া শাফিন পরে হয়ে ওঠেছিলেন রকস্টার। গানে আর সুরে মাতিয়েছেন দর্শক-শ্রোতাদের। গায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তাও পেয়েছেন, দেখেছেন জীবনের নানা বাঁক বদল।
পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণে ছোটবেলা থেকেই গানের আবহে বেড়ে উঠেছেন শাফিন। বাবার কাছে উচ্চাঙ্গ সংগীত আর মায়ের কাছে নজরুলগীতি শিখেছেন।
আশি-নব্বই দশকের কিশোর-তরুণ শ্রোতাদের মন মাতানো ‘চাঁদ তারা সূর্য নও তুমি’, ‘প্রথম প্রেমের মতো’, ‘গুঞ্জন শুনি’, ‘সে কোন দরদিয়া’, ‘ফিরিয়ে দাও’, ‘ধিকি ধিকি’, ‘পাহাড়ি মেয়ে’, ‘নীলা’, ‘কি যাদু’, ‘কতকাল খুঁজব তোমায়’, ‘হৃদয়হীনা’, ‘স্বপ্নভঙ্গ’, ‘জ্বালা জ্বালা’, ‘শেষ ঠিকানা’, ‘পিয়াসী মন’, ‘বলব না তোমাকে’, ‘জাতীয় সঙ্গীতের দ্বিতীয় লাইন’ ও ‘প্রিয়তমা মেঘ’সহ বহু গানের শিল্পী শাফিন আহমেদ।
ঝরে গেল ব্যান্ড সংগীতের আরেক তারা, চলে গেলেন শাফিন আহমেদ
মিউজিক এখন কেউ কিনে শোনে না: শাফিন আহমেদ
আবারও 'মাইলস' ছাড়লেন শাফিন আহমেদ
নানামুখী অভিযোগ হামিনদের, 'নোংরামো' চান না শাফিন