১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

পাচার হওয়া ডলার ফিরিয়ে আনার তাগিদ গভর্নরের

“এই মুহূর্তে দেশের জন্য ডলার দরকার। তাই ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলার বাড়ানোর জন্য অফশোর ব্যাংকিং এ জোর দেওয়া হচ্ছে”, বলেন সোনালী ব্যাংকের এমডি।

পাচার হওয়া ডলার ফিরিয়ে আনার তাগিদ গভর্নরের
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মন মনসুর। ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Aug 2024, 12:16 AM

Updated : 10 Sep 2026, 12:15 PM

দেশ থেকে যে সকল ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে তা ফিরিয়ে আনতে ব্যাংকগুলোকে তাগিদ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মন মনসুর। 

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকে ১২টি ব্যাংকের সঙ্গে সভায় এই তাগিদ দেন গভর্নর।

ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিটেন্স বাড়ানো, সময়মত রপ্তানি আয় দেশে নিয়ে আসা, ক্রলিং পেগের মাধ্যমে ডলার বাজারকে স্থিতিশীল করা, আন্তঃব্যাংক লেনদেন চালু, ডলার দর ও ব্যাংকের ঋণের সুদের হার বাজারভিত্তিক করাসহ সামগ্রিক ব্যাংকিংখাত নিয়ে আলোচনা করা হয়।

ব্যাংকিং খাত সংস্কারে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়েও ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) কাছে পরামর্শ চান গভর্নর।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "আজ গভর্নরের সাথে ১২টি ব্যাংকের সভা হয়েছে। ব্যাংকিং খাতকে সংস্করণ করতে ব্যাংকগুলোর কাছে পরামর্শ চেয়েছেন। ব্যাংকিং খাতকে উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া ব্যাংকিং খাতের নানা অংশে কীভাবে উন্নয়ন করা যায় সে বিষয়েও আলাপ করা হয়েছে।"

সভায় উপস্থিত একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফজাল করিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এই মুহূর্তে দেশের জন্য ডলার দরকার। তাই ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলার বাড়ানোর জন্য অফশোর ব্যাংকিং এ জোর দেওয়া হচ্ছে। অফশোর চ্যানেলের পাচার হওয়া ডলার দেশে কীভাবে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে তাগিদ দিয়েছেন গভর্নর।''

তিনি বলেন, “আন্তঃব্যাংক ডলার বাজার চালু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে গভর্নরের পক্ষ থেকে। এছাড়া সার্বিক সভায় সরকারি ঋণপত্র খোলার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বেসরকারি ব্যাংকগুলোকেও এগিয়ে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়। 

“অনেক ব্যাংকে রপ্তানি আয় সময় মত প্রত্যবসিত হয়নি, সেটি ফিরিয়ে আনতে দ্রুততার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।”

গভর্নর সভায় বলেন, ব্যাংকগুলো গ্রাহক পর্যায় সর্বোচ্চ ১২০ টাকা দরে ডলার বিক্রি করতে পারবে।

চলতি ও আর্থিক হিসাব উন্নয়নে ব্যাংকগুলোকে এক সঙ্গে কাজ করতে বলা হয়। সঙ্গে মূল্যস্ফীতি কমানোকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।