Published : 10 Nov 2025, 10:28 PM
দেশের ক্ষতি করে কাউকে বন্দরের কোনো টার্মিনাল দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম. সাখাওয়াত হোসেন।
তবে কন্টেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলার কথাও বলেছেন তিনি।
সোমবার চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়ার চর কন্টেইনার ইয়ার্ড উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা বলেন, “লালদিয়া কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনা নিয়ে ‘এপিএম টার্মিনালসের’ সঙ্গে সমঝোতা চলছে; বৈঠক হচ্ছে।
“তারা যেটা চাইছে, আমরা তা মানিনি। প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে তা বলা যাচ্ছে না। তবে দেশের ক্ষতি করে কাউকে বন্দরের কোনো টার্মিনাল দেওয়া হবে না।”
নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালসহ (এনসিটি) যে কয়েকটি টার্মিনাল বিদেশিদের দেওয়ার কথা উঠেছে, লালদিয়া কন্টেইনার টার্মিনাল সেগুলোর একটি। টার্মিনালটি নেদারল্যান্ডসভিত্তিক কোম্পানি এপিএম টার্মিনালসের হাতে দেওয়ার আলোচনা আছে।
বিদেশি কোম্পানি বিনিয়োগ করে টার্মিনাল নির্মাণ করে পরিচালনা করবে। টার্মিনাল পরিচালনার সময় যে মাশুল আদায় হবে, তার কত অংশ বন্দর পাবে এবং কত অংশ বিদেশি কোম্পানি পাবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেতে হলে চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে হবে। এ জন্য প্রযুক্তি দরকার, বিনিয়োগ দরকার। বাংলাদেশে বড় বড় খাতে খুব কম বিনিয়োগ হয়েছে। তবে বন্দর সম্প্রসারণ ঘিরে চার থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে।
‘‘উন্নত দেশের বেশির ভাগ বন্দর অপারেটর দিয়ে চলছে। আমরা কেন পিছিয়ে যাব। তাই আমরাও চেষ্টা করছি। যারা বিজনেস করে, তাদের জন্য লালদিয়ার চর টার্মিনাল বড় সুযোগ। ১০ হাজার কনটেইনার রাখার সক্ষমতা বাড়বে।‘‘
লালদিয়া কন্টেইনার ইয়ার্ড ছাড়াও উপদেষ্টা নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় বে-টার্মিনাল এলাকায় পরিবহন টার্মিনাল ও তালতলা কন্টেইনার ইয়ার্ড উদ্বোধন করেন।
এসময় অন্যদের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব নুরুন্নাহার চৌধুরী ও চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।