Published : 01 Aug 2026, 09:42 PM
নতুন করে আর রেলের জমি ইজারা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
তিনি বলেছেন, “সরকার ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, নতুন কোনো ইজারা দেবে না। যে ইজারাগুলো রয়েছে সেগুলো আমরা পর্যবেক্ষণ করে যেগুলো বাতিল করা যায় বাতিল করা হবে।”
শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
এক সাংবাদিক জানতে চান, চট্টগ্রামে রেলওয়ের অনেক জায়গায় বাণিজ্যিক স্থাপনা তৈরি হচ্ছে, এ বিষয়ে করণীয় কী?
জবাবে মন্ত্রী বলেন, “রেলকে অনেক জায়গায় সোলারের মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুতায়নের একটা চিন্তাভাবনা আছে। সুতরাং রেলের সম্পত্তি নতুন করে ইজারা আমরা আর দেব না।
“যেগুলো আছে (ইজারা), সেগুলোর আইনি কোনো জটিলতা না থাকলে ইজারা বাতিল করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”
আরেক প্রশ্নের জবাবে হাবিবুর রশিদ বলেন, “ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-কক্সবাজারে যাত্রী সেবা বৃদ্ধি করতে চাই। যে কারণে ইতোমধ্যে আপনারা দেখেছেন, ঢাকা- চট্টগ্রামের যাতে দূরত্ব কমিয়ে আনা যায় সেজন্য সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করছে। সেটি হচ্ছে নতুন একটি কর্ডলাইনের মাধ্যমে।
“নারায়ণগঞ্জ থেকে কুমিল্লা একটি কর্ডলাইন তৈরি করার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। সেটি যদি বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে প্রায় ৮০ কিলোমিটারের মত দূরত্ব কমে যাবে এবং সেক্ষেত্রে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট ঢাকা-চট্টগ্রামের সময় কমে আসবে।”
চট্টগ্রাম-কক্সবজার রুটে ট্রেনের সংখ্যা চার জোড়া থেকে বাড়িয়ে পাঁচ জোড়া করার কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
শনিবার সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের চকরিয়া পর্যন্ত অংশ পরিদর্শনের কথা তুলে ধরে হাবিবুর রশিদ বলেন, “চট্টগ্রাম-কক্সবাজার যে লাইনটি করা হয়েছে, সে কাজ করার সময় অনেকগুলো গাছ কাটা হয়েছিল, প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার গাছ।
“পরবর্তীতে সেখানে যে গাছগুলো লাগানো হয়েছিল, তা বর্তমান কী অবস্থায় আছে দেখতে গিয়েছিলাম। সরকার যেহেতু বনায়নের জন্য সামাজিক বনায়নের জন্য কাজ করছে, সেক্ষেত্রে যদি গাছের কোনো কমতি থাকে, সামাজিক বনায়নের জন্য আমরা কাজ করছি।”
রেলে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে মন্তব্য করেন তিনি।
“মূল লক্ষ্য হচ্ছে, আমাদের সক্ষমতা যতটুকু রয়েছে তার সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে যাত্রী সেবা আরো উন্নত করা।”