Published : 10 Dec 2025, 07:07 PM
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে ‘অঘোষিত ধর্মঘট’ থেকে সরে এসেছেন বেসরকারি অফডক মালিকরা।
আগামী এক মাসের জন্য এ কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বলে বুধবার সন্ধ্যায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন অফডক মালিকদের সংগঠন বিকডার মহাসচিব রুহুল আমিন শিকদার ও চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক।
‘কাঙ্ক্ষিত’ মাশুল আদায় করতে না পেরে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে অঘোষিত ধর্মঘটে যাবার ঘোষণা দিয়েছিলেন ইনল্যান্ড ডিপোগুলোর মালিকরা। এর অংশ হিসেবে তারা রপ্তানি ও খালি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং থেকে বিরত থাকার কথা বলেছিলেন।
বুধবার বিকালে চট্টগ্রাম বন্দর ও চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ডিপো মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপো অ্যাসোসিয়েশনের (বিকডা) নেতাদের বৈঠকের পর তারা এ ঘোষণা দেন।
বন্দর সচিব বলেন, আলোচনার পর তারা (বিকডা) আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন।
হঠাৎ তাদের অঘোষিত এ ধর্মঘটের কারণ দেশের রপ্তানি খাত ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।
বিকডার মহাসচিব রুহুল আমিন শিকদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বন্দর ও কাস্টমসের সঙ্গে বৈঠকে আমরা বিকডার তরফ থেকে মামলা প্রত্যাহার ও বিভিন্ন সেবায় মশুল যৌক্তিক হারে বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছি। সংশ্লিষ্টদের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে আগামী এক মাসের জন্য আমাদের কর্মসূচি স্থগিত করেছি।“
বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (হারবার অ্যান্ড মেরিন) কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ, বিকডার সভাপতি খলিলুর রহমান, সহ-সভাপতি ইমরান ফাহিম নূর, হাজী মোহাম্মদ হোসেন, বেনজির চৌধুরী নিশান, বিকডার সদস্য সচিব রুহুল আমিন শিকদার উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামে অফডক মালিকদের এ সংগঠনের অধীন ১৯টি বেসরকারি কন্টেইনার ডিপো কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোতে রপ্তানিমুখী পণ্য এনে তা কন্টেইনারে বোঝাই করা হয়। এরপর তা জাহাজীকরণের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে পাঠানো হয়। আমদানি করা ৬৫ রকমের পণ্যের কন্টেইনারও বন্দর থেকে ডিপোতে নিয়ে খালাস করা হয়। খালি কন্টেইনারও তারা হ্যান্ডলিং করে।