১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চবিতে নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা দাবি

“জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি চলবে না।”

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Jan 2026, 03:19 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:32 PM

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিচয় ও যোগ্যতা প্রকাশের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার দুপুর ১টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে এ মানববন্ধন করে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা ও  শিক্ষার্থীরা। 

মানববন্ধনে ‘কামাল স্যারের ক্ষুদা পায়, নিয়োগ দিয়ে পেট ভরায়’, ‘শামীম স্যার চমৎকার, নিয়োগের ঠিকাদার’, ‘এই প্রশাসন চায় কি, নিয়োগ ছাড়া আরকি’, ‘দেড় বছরে ৪০০, কয় বছর কয়শ’, ‘এই প্রশাসন চায় কী, নিয়োগ ছাড়া আরকি’ প্রভৃতি স্লোগান দিতে শোনা যায়।

ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্য সচিব মোহাম্মদ সবুজ বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় চারশ নিয়োগ হয়েছে। তবে এই নিয়োগের বিষয়ে আমাদের কাছে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি চলবে না।” 

এ এফ রহমান হল সংসদের স্বাস্থ্য সম্পাদক তানজিম আশরাফ বলেন, “আমরা নিয়োগ বোর্ডে স্বচ্ছতা চাচ্ছি। আপনারা নিয়োগের মাধ্যমে পারিবারিক বিশ্ববিদ্যালয় বানিয়ে ফেলেছেন। 

“আমরা দেখতে পেরেছি কিছু বিভাগের শিক্ষক প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। নিয়োগের যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা সেটা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।” 

ইসলামী ছাত্র মজলিসের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাকিব মাহমুদ রুমি বলেন, “আমরা পত্রিকার মাধ্যমে জেনেছি, প্রশাসন ৪১১ জন শিক্ষক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে। আমরা জানতে চাই, এদের কেন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং কোন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।” 

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আশিক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার দাওলাতুল ইসলাম সাকলাইন, এ এফ রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক তামিম চৌধুরী, শাহজালাল হলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ জাবেদ।