Published : 04 Apr 2026, 03:43 PM
ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে বাহরাইনে নিহত বাংলাদেশি কর্মী এস এম তারেক আলীর জানাজা ও দাফন চট্টগ্রামে সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার দুপুরে নগরীর হালিশহরের নয়াবাজার এলাকায় এস এম তারেক আলীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
গেল ২ মার্চ ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে নিহত হন বাহারাইনে কর্মরত এস এম তারেক আলী।
শুক্রবার তার মরদেহ ঢাকায় এসে পৌঁছায়, সেখানে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। শনিবার মরদেহ চট্টগ্রামে আসে।
তারেক আলীর গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নে। তার স্ত্রী ও এক মেয়ে রয়েছে। পরিবার নিয়ে তিনি নগরীর হালিশহরে থাকতেন। বছর দেড়েক আগে ছুটিতে তিনি শেষ দেশে এসেছিলেন।
তারেক আলী দীর্ঘ ২৭ বছর বাহরাইনে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছিলেন। দেশটির রাজধানী মানামার কাছে ‘দ্রাইডক’ নামে একটি শিপইয়ার্ড কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন তিনি।
গত ২ মার্চ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তারেক নিহত হওয়ার পাশাপাশি আরও দুই বাংলাদেশি আহত হন।
শনিবার দুপুরে জানাজার আগে স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান তূর্য সমবেতদের উদ্দেশে বলেন, “মরহুম এস এম তারেক প্রবাসী ছিলেন এবং কষ্ট করে তার পরিবার ও বৃহত্তর পরিবারকে সংস্থান করতেন।
“আমরা শুধু দোয়া করতে পারি তিনি যেন বেহশত নসিব হন। কষ্ট হয়েছে, এই পরিবারকে ত্রিশটা দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমাদের সরকার মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে।”
জানাজায় অংশ নেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরের আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও দলটির আরেক নেতা শামসুজ্জামান হেলালী।
আগের খবর:
বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে নিহত তারেকের লাশ দেশে