১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রাম ইপিজেডের কারখানার আগুন ১৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে লাগা আগুন শুক্রবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটের দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে বলে ফায়ার সার্ভিসের আগ্রাবাদ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Oct 2025, 12:05 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:30 PM

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল-সিইপিজেড এলাকায় কারখানা ভবনে লাগা আগুন প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। 

বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে লাগা আগুন শুক্রবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটের দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে বলে ফায়ার সার্ভিসের আগ্রাবাদ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। তবে আগুন নির্বাপন এখনো শেষ হয়নি। 

শুক্রবার বেলা ১১টায় আগ্রাবাদ নিয়য়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, আগুন নির্বাপণে এখনো ১৭টি ইউনিট কাজ করছে। 

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে সিইপিজেডের ১ নম্বর সেক্টরের ৫ নম্বর সড়কে ওই ভবনটিতে আগুন লাগে। সে ভবনে অ্যাডামস ক্যাপ অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড এবং জিহং মেডিকেল কোম্পানি নামের দুটি প্রতিষ্ঠান আছে। 

ফায়ার সার্ভিসের ভাষ্য, ভবনটির ৮ তলা খালি। সেখানে টিনের সিলিং দেওয়া। সাততলায় ‘অ্যাডামস ক্যাপ অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড’ এবং ‘জিহং মেডিকেল’ কোম্পানির গুদাম। সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। 

অ্যাডামস ক্যাপ নামের প্রতিষ্ঠানে টাওয়েল ও ক্যাপ এবং জিহং মেডিকেল সার্জিকেল গাউনসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরি করে। 

এই ভবনে যখন আগুন লাগে তখন দুপুরের খাবারের বিরতি থাকায় কারখানার শ্রমিকরা বেশিরভাগই তখন ভবন থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছিলেন।

কারখানার কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলেছেন, আগুন জ্বলার সময় ‘ভবনে কোন শ্রমিক ছিল না’। 

আগুন নিয়য়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি নৌবাহিনীর ফায়ার ফাইটার দল অংশ নেয়। সহযোগিতা করে সেনাবাহিনী এবং বিজিবির দল। 

রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গিয়েছিল, ভবনটির উপরের দু-তিনটি তলার ছাদের সিলিং আগুনে গলে ভেঙে পড়ছে। সবশেষ ৮ তলা ভবনটির নিচ তলা পর্যন্ত আগুন ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। 

তখন ভবন ঘিরে উৎসুক মানুষের ভিড় ছিল। কিন্তু আগুনের তাপে কাছাকাছি যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা একদিক থেকে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে অন্যদিকে আগুন বেড়ে যাচ্ছিল। 

আগুনের লেলিহান শিখা ও কালো ধোয়া নগরীর বিভিন্ন অংশ থেকে দেখা যাচ্ছিল। রাত ১০টার পর বৃষ্টি শুরু হয়। তবে বৃষ্টিও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। 

শুক্রবার সকালে আগ্রাবাদ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ বলছে, আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপ এখনো করা সম্ভব হয়নি। আগুন নির্বাপণের কাজ শেষ হলে তারপর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো যাবে।