Published : 01 Mar 2026, 11:41 AM
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ থেকে শুরু করে সুপার এইটের তিন ম্যাচ, সব মিলিয়ে টানা চার ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে গেছে শ্রীলঙ্কার। সেটির পেছনে চোট নামক আততায়ীকে মূল দায় দিচ্ছেন দাসুন শানাকা। শ্রীলঙ্কান অধিনায়কের দাবি, চোট হানা না দিলে শীর্ষ চারে জায়গা করে নিত তার দল।
আগেই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়া শ্রীলঙ্কা চেয়েছিল জয় দিয়ে আসর শেষ করতে। পাকিস্তানের বিপক্ষে পাল্লেকেলেতে ম্যাচটি দেখতে গ্যালারিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। তবে শেষটাও তারা ভালো করতে পারেনি। বিশাল রান তাড়ায় টপ অর্ডারের ব্যর্থতার পর শানাকা একটা সময়ে অসাধারণ ব্যাটিং করে দারুণ এক জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন।
শেষ ওভারে ২৮ রানের সমীকরণে শাহিন শাহ আফ্রিদিকে একটি চার মারার পর টানা তিনটি ছক্কা মারেন শানাকা। শেষ ২ বলে প্রয়োজন পড়ে ৬ রানের। তবে সেই দুই বলে ব্যাট ছোঁয়াতে পারেননি লঙ্কান অধিনায়ক। পাকিস্তান জিতে যায় ৫ রানে।
প্রথম তিন ম্যাচ জয়ের পর টানা চারটি পরাজয়, বিশ্বকাপ অভিযানে পেছনে ফিরে তাকিয়ে হতাশার কথাই বললেন শানাকা। ব্যর্থতার বর্ম হিসেবে তুলে ধরলেন তিনি চোটকে।
“আমাদের জন্য এই অভিযান ছিল কঠিন। কিছু চোট সমস্যা ছিল আমাদের। দর্শকদের হতাশ করেছি আমরা সমর্থকদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করতে চাই, কারণ দুঃখজনকভাবে কিছু চোট সমস্যার কারণে আমরা মুখ থুবড়ে পড়েছি। নাহলে হয়তো আমরা সেমি-ফাইনালে যেতে পারতাম। ভবিষ্যতে যদি চোট সমস্যা না থাকে, আমার মনে হয় এই দল ভালো কিছু উপহার দেবে।”
শ্রীলঙ্কার বোলিং আক্রমণের মূল অস্ত্র ও এই সংস্করণে দলের সেরা পারফরমার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা বিশ্বকাপে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেই ছিটকে পড়েন। ডেথ ওভারের মূল ভরসা মাথিশা পাথিরানার বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যায় প্রথথম তিন ম্যাচ পরই। এরপর আর জিততে পারেনি দল।
শানাকা বললেন, এই দুজনকে হারানোর ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি তার দল।
“দুজন গুরুত্বপূর্ণ বোলারকে হারানো ছিল বড় আঘাত। ওরা থাকলে এখানে অবশ্যই খেলত। বড় ক্ষতি হয়েছে আমাদের। বিশ্বকাপের মতো জায়গায় সেই ক্রিকেটারদের অবশ্য প্রয়োজন আমাদের, যারা দলের শক্তির জায়গা। মানসিকতারও ব্যাপার এসব। ওদেরকে হারানো ছিল বড় ধাক্কা। তবে আশা করি, দ্রুতই ওরা ফিরবে এবং শ্রীলঙ্কার জন্য ভালো করবে।”