৩ বছর ও ২৮ ইনিংস পর বাভুমার সেঞ্চুরি
ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবার সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন টেম্বা বাভুমা, এর মধ্যে পাঁচটিই অধিনায়ক হিসেবে।
ওয়ানডেতে আগের সেঞ্চুরির পর কেটে গেছে তিনটি বছর। দীর্ঘ সেই অপেক্ষার ইতি টানলেন টেম্বা বাভুমা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চমৎকার ব্যাটিংয়ে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে কাটালেন এই সংস্করণে তার ২৮ ইনিংসের সেঞ্চুরি খরা।
জোহানেসবার্গে রোববার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তিনে নেমে ১০৩ রান করেন বাভুমা। তার ১১৬ বলের ইনিংসটি গড়া দুটি ছক্কা ও ১০টি চারে।
ওয়ানডেতে এটা বাভুমার ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। এর পাঁচটিই করলেন তিনি অধিনায়ক হিসেবে। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক হিসেবে এই সংস্করণে তার চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি আছে কেবল গ্রায়েম স্মিথ (৮টি) ও এবি ডি ভিলিয়ার্সের (১৩টি)।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবে এটি বাভুমার দ্বিতীয় তিন অঙ্কের ইনিংস। তাসমান সাগর পারের দলটির বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবে তিনটি সেঞ্চুরি করেছেন ফাফ দু প্লেসি।
৫৭ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে বাভুমা আগের সেঞ্চুরিটি করেন ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই। ওই ম্যাচে অপরাজিত ১১৪ রান করেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। এরপর আরও পাঁচবার পঞ্চাশ ছুঁলেও তিন অঙ্কের দেখা পাননি তিনি।
এ দিন ম্যাচের প্রথম বলে দলে ফেরা এইডেন মার্করামকে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই ধাক্কা সামাল দিয়ে দলকে এগিয়ে নেন বাভুমা। তৃতীয় ওভারে জশ হেইজেলউডকে একটি করে ছক্কা ও চার মারেন তিনি।
পাওয়ার প্লেতে কুইন্টন ডি কককেও হারায় স্বাগতিকরা। থিতু হয়ে বিদায় নেন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান ম্যাথু ব্রিটস্কি। তবে ভড়কে যাননি বাভুমা। এক প্রান্তে নিজের মতো খেলে যান তিনি। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বাড়াতে থাকেন রান।
২০তম ওভারে ডাবল নিয়ে ৬১ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন বাভুমা। পঞ্চাশের পর রানের গতি কিছুটা বাড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্কে পা রাখেন তিনি ১১২ বলে। ফিফটি থেকে সেঞ্চুরি ছুঁতে তার লাগে ৫১ বল।
জ্যাক এডওয়ার্ডসকে জায়গা বানিয়ে ছক্কার চেষ্টায় কাভারে ধরা পড়েন বাভুমা। ইনিংসটির পথে ডি ককের সঙ্গে ৩৬, ব্রিটস্কির সঙ্গে ৫৭ ও ডেভিড মিলারের সঙ্গে ১৫৬ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন তিনি।
