২৯ বলে ম্যাকগার্কের দ্রুততম সেঞ্চুরি
অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া মার্শ কাপে ১০ চার ও ১৩ ছক্কায় ৩৮ বলে ১২৫ রানের খুনে ইনিংস খেললেন জেইক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক।
প্রথম দুই ওভারে স্রেফ এক বল ব্যাটিং পেলেন জেইক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক। সিঙ্গেল নিয়ে স্ট্রাইক রাখলেন নিজের কাছে। তৃতীয় ওভার থেকে শুরু করলেন তাণ্ডব। একের পর এক চার-ছক্কায় গড়লেন স্বীকৃত ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড।
অ্যাডিলেইডে মার্শ কাপের ম্যাচে তাসমানিয়ার বিপক্ষে স্রেফ ২৯ বলে জাদুকরী তিন অঙ্ক স্পর্শ করেছেন সাউথ অস্ট্রেলিয়ার ম্যাকগার্ক। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট তো বটেই, যে কোনো স্বীকৃত ক্রিকেটেই এটি বিশ্ব রেকর্ড।
এক দিনের ক্রিকেটে এত দিন ধরে রেকর্ডটি ছিল এবি ডি ভিলিয়ার্সের। ২০১৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে স্রেফ ৩১ বলে শতক পূর্ণ করেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক। প্রায় ৮ বছর রেকর্ডটি ভাঙলেন ম্যাকগার্ক।
এছাড়া স্বীকৃত ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরি ছিল ক্রিস গেইলের। ২০১৩ সালের আইপিএলে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে স্রেফ ৩০ বলে তিন অঙ্কে পৌঁছান রয়্য্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে খেলতে নামা ক্যারিবিয়ান তারকা।
ম্যাচের প্রথমভাগে অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া লিস্ট ‘এ’ ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড গড়ে তাসমানিয়া। জর্ডান সিল্কের ৮৫ বলে ১১৬, ক্যালেব জিউয়েলের ৫২ বলে ৯০ রানের ইনিংসের সৌজন্যে তারা দাঁড় করায় ৪৩৫ রানের পুঁজি। আগের সর্বোচ্চ ২০১৬ সালে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার করা ৪২০ রান।
রান তাড়ায় তৃতীয় ওভার থেকে শুরু হয় ম্যাকগার্কের ঝড়। স্যাম রেইনবার্ডের ওভারে ২ চার ও ৪টি ছক্কায় নেন ৩২ রান। ব্র্যাডলি হোপের ওভারে ১ চার ও ৩ ছক্কায় তোলেন ২২ রান।
স্রেফ ১৮ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়ে অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়েন ম্যাকগার্ক। আগের রেকর্ড ছিল গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের, ১৯ বলে।
বিলি স্ট্যানলেকের করা ইনিংসের নবম ওভারে টানা ৩ ছক্কার পর চার মেরে ৯৯ রানে পৌঁছান ২১ বছর বয়সী ওপেনার। পরের বলেই এক রান নিয়ে স্পর্শ করেন স্বীকৃত ক্রিকেটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি।
পরের ওভারে প্যাটট্রিক ডুলিকে ৪টি চারের সঙ্গে মারেন ১টি ছক্কা। স্রেফ ১০ ওভারে সাউথ অস্ট্রেলিয়া করে ফেলে ১৬০ রান।
দ্বাদশ ওভারে বু ওয়েবস্টারকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে তিনি ধরা পড়েন ডিপ মিড উইকেট সীমানায়। সমাপ্তি ঘটে তরুণ ওপেনারের ৩৮ বলে ১০ চার ও ১৩ ছক্কায় সাজানো ১২৫ রানের ইনিংসের।
