মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ৮ উইকেট হাতে নিয়ে ৩০ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ।
Published : 08 Dec 2023, 08:18 AM
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৭২
নিউ জিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ১৮০
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৮ ওভারে ৩৮/২
প্রথম দিন বিকেলে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা অর্ধেকটা ভুলিয়ে দিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। দ্বিতীয় দিন তাদের সামনে থাকছে বাকি অর্ধেক কাজ সারার সুযোগ। আর তা করতে পারলেই স্রেফ ১৭২ রানের পুঁজি নিয়েও লিড পাবে বাংলাদেশ।
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ১৭২ রানে। জবাবে স্রেফ ১২.৪ ওভারে ৫৫ রান করতে ৫ উইকেট হারিয়েছে নিউ জিল্যান্ড। স্বাগতিকদের চেয়ে এখনও ১১৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে তারা।
স্পিন সহায়ক উইকেটে মেঘাচ্ছন্ন কন্ডিশনে প্রথম দিন পড়েছে ১৫ উইকেট। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও স্পিনবান্ধব হওয়ার কথা এই উইকেট। তাতে সুযোগ বাড়বে বাংলাদেশের। তৃতীয় দিন সকালে তাই কিউইদের অল্পেই গুটিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য থাকবে তাদের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর (দ্বিতীয় দিন শেষে):
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৬৬.২ ওভারে ১৭২ (জয় ১৪, জাকির ৮, শান্ত ৯, মুমিনুল ৫, মুশফিক ৩৫, শাহাদাত ৩১, মিরাজ ২০, সোহান ৭, নাঈম ১৩*, তাইজুল ৬, শরিফুল ১০; সাউদি ৫.২-৫-০-১, জেমিসন ৪-২-৮-০, এজাজ ১৭-৬-৫৪-২, স্যান্টনার ২৮-৭-৬৫-৩, ফিলিপস ১২-১-৩১-৩)
নিউ জিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ১২.৪ ওভারে ৫৫/৫ (ল্যাথাম ৪, কনওয়ে ১১, উইলিয়ামসন ১৩, নিকোলস ১, মিচেল ১২*, ব্লান্ডেল ০, ফিলিপস ৫*; শরিফুল ১-১-০-০, মিরাজ ৬-১-১৭-৩, তাইজুল ৫.৪-০-২৯-২)
আগের দিন সকাল থেকে কাভারে ঢাকা মাঠ। বৃষ্টি থামায় শুক্রবার সকালে শুরু হয়েছে কাভার সরানোর কাজ। মাঠ ভেজা থাকায় দেরি হচ্ছে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হতে।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার আলোকস্বল্পতায় নির্ধারিত সময়ের ১৪ মিনিট আগে শেষ হয় খেলা। তাই পরদিন সকাল সাড়ে নয়টার জায়গায় সোয়া নয়টায় খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেদিন বৃষ্টির জন্য কোনো বলই মাঠে গড়ায়নি।
তৃতীয় দিনও খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল সকাল সোয়া নয়টায়। কিন্তু মাঠে খেলার উপযোগী না থাকায় দেরি হচ্ছে এদিনও।
মিরপুরে থেমেছে বৃষ্টি। এরই মধ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে উইকেট ও এর আশপাশে থাকা ভারী কভার। এখন উইকেটের ওপর থাকা চট সরানোর কাজ শুরু করেছেন মাঠকর্মীরা।
বৃষ্টি থামলেও আকাশ পুরোপুরি পরিষ্কার হয়নি। তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে নেই বৃষ্টির শঙ্কা। তাই খেলা শুরু হতে এখন সময়ের অপেক্ষা।
এক দফা মাঠ দেখে গেছেন দুই আম্পায়ার পল রাইফেল ও রড টাকার। আউটফিল্ড তৈরির কাজ করছেন মাঠকর্মীরা। অগ্রগতি দেখতে ১১টায় ফের পর্যবেক্ষণ করবেন দুই আম্পায়ার। তাই আরও একটি সেশনের খেলা নষ্ট হওয়া প্রায় নিশ্চিত।
দ্বিতীয় দফায় মাঠ পর্যবেক্ষণের পর খেলা শুরুর সময় নির্ধারণ করলেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা। দুপুর ১২টায় মাঠে গড়াবে তৃতীয় দিনের প্রথম বল।
অন্যান্য দিনের মতো ১১টা ৩০ মিনিটের বদলে শুক্রবার নির্ধারিত সময়ের দশ মিনিট আগেই নেওয়া হয়েছে মধ্যাহ্ন বিরতি।
দুই দিন পর অবশেষে সুর্য উঁকি দিয়েছে মিরপুরের আকাশে। এরই মধ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সব কভার। খেলা শুরুর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত মাঠ। ওয়ার্ম আপ ও টুকটাক অনুশীলন করছেন দুই দলের ক্রিকেটাররা।
বৃষ্টির প্রভাবে প্রথম সেশন পুরোটা ভেসে যাওয়ার কারণে শেষ সেশনে ৪৫ মিনিট বেশি খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অফিসিয়ালরা। আলো থাকা সাপেক্ষে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলবে তৃতীয় দিনের খেলা। সেক্ষেত্রে খেলা হবে অন্তত ৭৪ ওভার।
মেহেদী হাসান মিরাজের লেগ স্টাম্পে পিচ করা ডেলিভারি রিভার্স সুইপের চেষ্টা করলেন ড্যারিল মিচেল। বল তার ব্যাট ঘেঁষে হাতের ওপরের অংশে লেগে ক্যাচ উঠল শর্ট লেগে থাকা শাহাদাত হোসেনের হাতে।
বাংলাদেশের জোরাল আবেদনে সাড়া দিলেন না আম্পায়ার। বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা করে একদম শেষ মুহূর্তে রিভিউ নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। রিপ্লেতে দেখা যায়, ব্যাট বা গ্লাভসে লাগেনি বল। ফলে ক্যাচ আউট থেকে বেঁচে যান মিচেল।
এলবিডব্লিউর ক্ষেত্রে দেখা যায়, বলের 'ইমপ্যাক্ট' লেগ স্টাম্পের বাইরে। তাই বিফলেই যায় বাংলাদেশের প্রথম রিভিউ। তখন ১৬ রানে খেলছিলেন মিচেল।
২০ ওভারে নিউ জিল্যান্ডের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৮৭ রান। তারা এখনও পিছিয়ে ৮৫ রানে। দিনের শুরু থেকে আগ্রাসী ব্যাট করতে থাকা গ্লেন ফিলিপস অপরাজিত ২৮ বলে ৩১ রানে।
প্রথমবারের মতো আক্রমণে এলেন নাঈম হাসান। প্রথম বলেই তাকে ছক্কা মেরে স্বাগত জানালেন গ্লেন ফিলিপস।
ম্যাচের প্রথম দিন স্রেফ এক ওভার বোলিং করেন একমাত্র পেসার শরিফুল ইসলাম। এরপর তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ মিলে করেন টানা ২০ ওভার।
২২তম ওভারে মিরাজের পরিবর্তে আক্রমণে আনা হয়েছে নাঈমকে।
আক্রমণে এসেই সাফল্য পেলেন নাঈম হাসান। খোলস ছেড়ে বেরোনোর চেষ্টা করতে গিয়ে মাশুল গুনলেন ড্যারিল মিচেল। এর বড় কৃতিত্ব অবশ্য মেহেদী হাসান মিরাজের।
নাঈমের হালকা টেনে দেওয়া ডেলিভারি ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে মারতে যান মিচেল। কিন্তু দূর থেকে খেলায় ব্যাট থেকে ছুটে যায় এক হাত। বল উঠে যায় আকাশ।
লং অন ও মিড অনের মাঝামাঝি থেকে বাম দিকে অনেকটা পথ দৌড়ে অসাধারণ দক্ষতায় দুই হাতে ক্যাচ নেন মিরাজ। বিদায়ঘণ্টা বাজে ১৮ রান করা মিচেলের।
তার বিদায়ে ভাঙল গ্লেন ফিলিপসের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটে গড়া ৪৯ রানের জুটি। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে এই জুটির সিংহভাগ রান ফিলিপসেরই। স্রেফ ৩১ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত তিনি। নতুন ব্যাটসম্যান মিচেল স্যান্টনার।
২২ ওভারে নিউ জিল্যান্ডের সংরঘ ৬ উইকেটে ৯৫ রান। এখনও ৭৭ রানে পিছিয়ে তারা।
মিচেলের পর এবার মিচেল স্যান্টনারকে ড্রেসিং রুমের পথ দেখালেন নাঈম হাসান। একশর আগে ৭ উইকেট হারাল নিউ জিল্যান্ড।
স্টাম্পে পিচ করে টার্ন ও বাউন্সের সঙ্গে বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলার চেষ্টা করেন স্যান্টনার। বল তার ব্যাটের বাইরের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে।
১ রান করে ফিরেছেন স্যান্টনার। নতুন ব্যাটসম্যান কাইল জেমিসন। ৪০ রানে খেলছেন গ্লেন ফিলিপস।
২৩.৩ ওভারে নিউ জিল্যান্ডের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৯৭ রান। এখনও ৭৫ রানে পিছিয়ে তারা।
২৫তম ওভারে একশ পূর্ণ করল নিউ জিল্যান্ড। তাইজুল ইসলামের বলে কাইল জেমিসনের ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে পাওয়া বাউন্ডারিতে এই মাইলফলকে পৌঁছাল তারা।
২৫ ওভার শেষে নিউ জিল্যান্ডের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১০২ রান। বাংলাদেশের চেয়ে ৭০ রানে পিছিয়ে রয়েছে তারা।
নাঈম হাসানকে ছক্কায় ওড়ানোর পর স্লিপের পাশ দিয়ে চার রান পেলেন গ্লেন ফিলিপস। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান স্পর্শ করলেন পঞ্চাশ, ৩৮ বলে।
চার ও ছক্কায় এগোচ্ছেন ফিলিপস। বিস্ফোরক এই ব্যাটসম্যানের জন্য সীমানায় চার জন ফিল্ডার রেখেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবুও বাউন্ডারি পেতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না কিউই ব্যাটসম্যানের।
২৬ ওভারে নিউ জিল্যান্ডের রান ৭ উইকেটে ১১৪। ৪০ বলে তিন ছক্কা ও পাঁচ চারে ৫১ রানে খেলছেন ফিলিপস। ১০ বলে এক চারে কাইল জেমিসনের রান ৬।
ড্যারিল মিচেলের পর মিচেল স্যান্টনারকেও ফিরিয়ে দিয়েছেন নাঈম হাসান। তবে পাল্টা আক্রমণে দ্রুত রান বাড়িয়ে নিচ্ছেন গ্লেন ফিলিপস। ম্যাচের প্রথম পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসে তিনি কমাচ্ছেন ব্যবধান।
প্রথম ঘণ্টার পানি পানের বিরতির সময় নিউ জিল্যান্ডর রান ২৮ ওভারে ৭ উইকেটে ১২২। সফরকারীরা এখনও ৫০ রানে পিছিয়ে।
৪৮ বলে ৫৬ রানে খেলছেন ফিলিপস। ১৪ বলে ৮ রানে ব্যাট করছেন কাইল জেমিসন।
প্রথম ঘণ্টায় খেলা হয়েছে ১৫.২ ওভারে। এই সময়ে ২ উইকেট হারিয়ে ৬৭ রান যোগ করেছে নিউ জিল্যান্ড।
দ্রুত দুই উইকেট হারালেও আক্রমণ থামাননি গ্লেন ফিলিপস। দারুণ সঙ্গ দিচ্ছেন কাইল জেমিসন। এরই মধ্যে দুজন মিলে গড়েছেন পঞ্চাশ রানের জুটি।
৩২তম ওভারে মুমিনুল হককে পরপর দুই বলে চার ও ছক্কা মেরে জুটির পঞ্চাশ পূর্ণ করেছেন ফিলিপস। একইসঙ্গে দেড়শ রান পূর্ণ হয়েছে নিউ জিল্যান্ডের।
৭ চারের সঙ্গে ৪ ছক্কায় স্রেফ ৬০ বলে ৭৪ রানে খেলছেন ফিলিপস। জেমিসন অপরাজিত ২৬ বলে ২০ রানে।
৩২ ওভারে নিউ জিল্যান্ডের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৫২ রান। বাংলাদেশের চেয়ে আর ২০ রান পিছিয়ে তারা।
ইনিংসের প্রথম ওভার করার পর আক্রমণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় শরিফুল ইসলামকে। ৩৩তম ওভারে ফের বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই তিনি ফেরালেন কাইল জেমিসনকে।
অফ স্টাম্পের বাইরের ব্যাক অব লেংথ ডেলিভারি খোঁচা মারেন জেমিসন। প্রথম স্লিপে সামনে ঝুঁকে দারুণ ক্যাচ নেন শাহাদাত হোসেন।
২০ রান করে ফিরেছেন জেমিসন। দশ নম্বরে নেমেছেন টিম সাউদি। গ্লেন ফিলিপস খেলছেন ৭৪ রানে।
৩৩ ওভারে নিউ জিল্যান্ডের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ১৫৬ রান। বাংলাদেশের চেয়ে আর ১৬ রানে পিছিয়ে তারা।
গ্লেন ফিলিপসের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে লিড নিলো নিউ জিল্যান্ড। ৩৫তম ওভারে বাংলাদেশের ১৭২ রান টপকে গেল সফরকারীরা।
৩৫ ওভারে নিউ জিল্যান্ডের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ১৭৩ রান। ফিলিপস ৬৭ বলে ৮২, টিম সাউদি ৯ বলে ১২ রানে খেলছেন।
দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে দারুণ বোলিং করছেন শরিফুল ইসলাম। কাইল জেমিসনের পর গ্লেন ফিলিপসকে আউট করেছেন তিনি।
রাউন্ড দা উইকেট থেকে অফ স্টাম্পের বাইরে পিচ করে লাইন ধরে রাখা ডেলিভারিতে অন সাইডে বড় শটের চেষ্টা করেন ফিলিপস। ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল জমা পড়ে নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভসে।
ঠিক আগের বলেই ফিলিপসকে খানিক শর্ট লেংথ ডেলিভারিতে পরাস্ত করেন শরিফুল। ব্যাট ঘেঁষে সোহানের গ্লাভসে জমা পড়া বলে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু বিফলে যায় সেটি। তবে ফিলিপসকে টিকতে দেননি শরিফুল।
নিউ জিল্যান্ডকে লিড এনে দেওয়া ইনিংসে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ৭২ বলে ৮৭ রান করেছেন ফিলিপস।
তাইজুল ইসলামের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে লং অনে মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে ক্যাচ দিলেন টিম সাউদি। ১৮০ রানে গুটিয়ে গেল নিউ জিল্যান্ড, পেল ৮ রানের লিড।
তৃতীয় দিন ২৪.৩ ওভারে ১২৫ রান করেছে সফরকারীরা। শেষ ৩ উইকেটে তারা যোগ করেছে ৮৩ রান। এর পেছনে বড় অবদান গ্লেন ফিলিপসের। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ৭২ বলে ৮৭ রান করেছেন তিনি।
নিউ জিল্যান্ড অল আউট হওয়ার পরপর আগেভাগেই চা বিরতি নিয়েছেন আম্পায়াররা। এমনিতে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা ছিল চা বিরতি।
দ্বিতীয় দিন পুরোটা, তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন ভেসে যাওয়ায় শুক্রবার খেলা হবে ৪৫ মিনিট বেশি। আলো থাকা সাপেক্ষে এদিন খেলা চলবে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৭২
নিউ জিল্যান্ড ১ম ইনিংস: (আগের দিন ৫৫/৫) ৩৭.১ ওভারে ১৮০ (মিচেল ১৮, ফিলিপস ৮৭, স্যান্টনার ১, জেমিসন ২০, সাউদি ১৪, এজাজ ০*; শরিফুল ৪-১-১৫-২, মিরাজ ১১-১-৫৩-৩, তাইজুল ১৬.১-০-৬৪-৩, নাঈম ৪-০-২১-২, মুমিনুল ২-০-১৭-০)
দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই স্পিনার আক্রমণে আনল নিউ জিল্যান্ড। সাফল্য পেল হাতেনাতে। এজাজ প্যাটেলের তৃতীয় বলে ড্রেসিং রুমে ফিরলেন মাহমুদুল হাসান জয়।
অফ স্টাম্পের বাইরে পিচ করে নিখুঁত টার্নে বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারি দূর থেকে খেলেন জয়। ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল চলে যায় প্রথম স্লিপে। দুইবারের চেষ্টায় দারুণ ক্যাচ নেন ড্যারিল মিচেল।
মিরপুর টেস্ট দুই ইনিংসেই ব্যর্থ হয়েছেন জয়। ধুঁকতে ধুঁকতে ৪০ বলে ১৪ রান করার পর এবার করেছেন কেবল ২। তিন নম্বরে নেমেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩ রান।
দুই প্রান্ত থেকেই স্পিনার ব্যবহার করছে নিউ জিল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারে মিচেল স্যান্টনারকে সুইপ করে ইনিংসের প্রথম বাউন্ডারি মেরেছেন জাকির হাসান। ওই ওভারেই সফরকারীদের ৮ রানের লিড টপকে গেছে বাংলাদেশ।
২ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৯ রান। জাকির ৬, নাজমুল হোসেন শান্ত ১ রানে খেলছেন।
টিম সাউদির অফ স্টাম্পের বাইরে ফুল লেংথ ডেলিভারি ড্রাইভের মতো করলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু ঠিকঠাক ব্যাটে-বলে করতে পারলেন না। মিড-অফে সহজ ক্যাচ নিলেন কেন উইলিয়ামসন।
২ চারে ১৫ রান করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। চার নম্বরে নেমেছেন মুমিনুল হক।
৮ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩৮ রান। তাদের লিড এখন ৩০ রানের।
এবার আলোকস্বল্পতার কারণে বন্ধ হলো খেলা। আকাশ মেঘলা থাকলেও নেই বৃষ্টির আনাগোনা। মাঠে জ্বলছে ফ্লাডলাইট। তবে খেলা চালানোর মতো যথেষ্ট প্রাকৃতিক আলো না থাকায় খেলোয়াড়রা ফিরে গেছেন ড্রেসিং রুমে।
খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ৮ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩৮ রান।
স্বাগতিকদের লিড এখন ৩০ রানের। জাকির হাসান ১৬ রানে অপরাজিত। রানের খাতা খোলার অপেক্ষায় মুমিনুল হক।
দিনের শুরুতে বৃষ্টি, বিকাল গড়াতেই আলোকস্বল্পতা; প্রকৃতির বাগড়ায় প্রায় দুই সেশন হারিয়ে গেল তৃতীয় দিন থেকে। নির্ধারিত সময়ের ৬৭ মিনিট আগে সমাপ্ত ঘোষণা করা হলো খেলা।
দ্বিতীয় দিনের পুরোটা ভেসে যাওয়ার পর শুক্রবার খেলা হয়েছে মোটে ৩২.২ ওভার। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ ওভার ব্যাট করে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩৮ রান। স্বাগতিকদের লিড ৩০ রানের।
৫৫ রানে ৫ উইকেট নিয়ে খেলতে নেমে ২৪.৩ ওভারে আরও ১২৫ রান যোগ করে নিউ জিল্যান্ড। এর মধ্যে শেষ ৩ উইকেটে আসে ৮৩ রান। যার সৌজন্যে তারা পায় ৮ রানের লিড।
সফরকারীদের লিড এনে দেওয়ার মূল কারিগর গ্লেন ফিলিপস। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ৭২ বলে ৮৭ রান করেছেন তিনি।
বাংলাদেশের পক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম নেন ৩টি করে উইকেট।
পরে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে শুরুতেই ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়। নাজমুল হোসেন শান্ত ইতিবাচক শুরু করেও বেশি দূর যেতে পারেননি। চতুর্থ দিন সকাল সোয়া নয়টায় লিড বাড়িয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নামবেন জাকির হাসান ও মুমিনুল হক।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৭২
নিউ জিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ১৮০
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৮ ওভারে ৩৮/২ (জাকির ১৬*, জয় ২, শান্ত ১৫, মুমিনুল ০*; এজাজ ৪-০-১৩-১, স্যান্টনার ২-০-১২-০, সাউদি ২-০-৮-১)