১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

৫ ছক্কায় পারভেজের ঝড়ো ইনিংস

পিএসএলে প্রথমবার ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়েই ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান।

৫ ছক্কায় পারভেজের ঝড়ো ইনিংস
ঝড়ো ইনিংস উপহার দিলেন পারভেজ হোসেন (বাঁয়ে)। ছবি: পিএসএল ফেইসবুক

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Apr 2026, 12:07 AM

Updated : 26 Aug 2026, 03:18 PM

প্রথম দুই ম্যাচে চার নম্বরে ব্যাটিং পেয়ে ভালো করতে পারেননি। এবার ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়েই জ্বলে উঠলেন পারভেজ হোসেন। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দারুণ ইনিংস খেললেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) লাহোর কালান্দার্সের হয়ে মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে ১৯ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেছেন পারভেজ। পাঁচ ছক্কা ও দুই চারে গড়া বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানের ইনিংসটি।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শুক্রবার বৃষ্টির কারণে ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে আসে ১৩ ওভারে। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারে মুহাম্মাদ ইসমাইলের প্রথম পাঁচ বলে তিনটি চার মারেন মোহাম্মাদ নাইম। শেষ বলে প্রথম স্ট্রাইক পেয়ে সিঙ্গল নেন পারভেজ।

অতিরিক্ত মিলিয়ে এই ওভারে আসে মোট ২৬ রান। 

পরের ওভারে পিটার সিডলের প্রথম তিন বলে কোনো রান নিতে পারেননি পারভেজ। চতুর্থ বলে নেন সিঙ্গল। শেষ বলে কাভারের ওপর দিয়ে চার মারেন তিনি। 

তৃতীয় ওভারে দুটি ছক্কা মারেন নাইম। পরের ওভারে বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মাদ নাওয়াজের ওপর ঝড় বইয়ে দেন পারভেজ। পরপর দুটি ছক্কা মারেন তিনি ডিপ মিডউইকেট ও লং অন দিয়ে। পরের বলে চার মারেন মিড অফের ওপর দিয়ে।   

পরের ওভারে আরেক বাঁহাতি স্পিনার ফয়সাল আকরামের প্রথম তিন বলে তিনটি ছক্কা হাঁকান পারভেজ। প্রথমটি লং অফ দিয়ে, পরেরটি মিডউইকেটের ওপর দিয়ে, তৃতীয়টি লং অফ দিয়ে। চতুর্থ বলে নেন সিঙ্গল।

পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে ইসমাইলকে ছক্কার চেষ্টাতেই ডিপ মিডউইকেটে ধরা পড়েন ২৩ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান।

কালান্দার্সের স্কোর তখন ১ উইকেটে ৮৬।

এমনিতে ওপেনার হলেও আসরে প্রথম দুই ম্যাচে পারভেজকে চার নম্বরে খেলায় দলটি। হায়দরাবাদ কিংসমেনের বিপক্ষে ১৩ বলে ১৪ ও করাচি কিংসের বিপক্ষে ১২ বলে ১২ রান করে আউট হন তিনি। 

বল টেম্পারিংয়ের দায়ে ফাখার জামানের নিষেধাজ্ঞায় এবার সহজাত ব্যাটিং পজিশনে সুযোগ পেয়েই দলকে দারুণ শুরু এনে দিলেন পারভেজ।

গত বিপিএলেও প্রথম দিকে চার নম্বরে, পরে ওপেনিংয়ে ব্যাটিং করেছিলেন পারভেজ। মোট ১২ ইনিংসে ১৩২.৯৯ স্ট্রাইক রেটে ৩৯৫ রান করে আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনি।