লর্ডসে ওয়াকারকে ছাড়িয়ে আব্বাসের ৯ উইকেট
ক্রিকেট তীর্থে টেস্ট ম্যাচে এত উইকেট পাননি পাকিস্তানের আর কোনো পেসার।
ম্যাচে ১০ উইকেট নেওয়ার সম্ভাবনাও জাগে, কিন্তু হয়নি। তবে ৯ উইকেট নিয়েই দারুণ এক কীর্তি গড়েছেন মোহাম্মাদ আব্বাস। লর্ডসে টেস্ট ম্যাচে এত বেশি উইকেট পাননি পাকিস্তানের আর কোনো পেসার।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে রোববার ৫৭ রানে ৫ উইকেট নেন আব্বাস। প্রথম ইনিংসে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। ম্যাচে তার শিকার ১৩০ রানে ৯টি।
ক্রিকেট তীর্থে টেস্ট ম্যাচে পাকিস্তানের কোনো পেসারের সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ডটি এতদিন ওয়াকার ইউনিসের সঙ্গে ভাগাভাগি করছিলেন আব্বাস। ১৯৯৬ সালের জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫৪ রানে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন ওয়াকার। ২০১৮ সালের মে মাসে ৬৪ রানে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন আব্বাস।
ক্রিকেটের বিখ্যাত এই মাঠে পাকিস্তানের হয়ে টেস্টে ১০ উইকেট শিকার করতে পেরেছেন একমাত্র ইয়াসির শাহ। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪১ রান দিয়ে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন এই লেগ স্পিনার।
লর্ডসে দুই টেস্ট খেলে আব্বাসের উইকেট হলো মোট ১৭টি, এখানে পাকিস্তানের কোনো বোলারের যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ। ওয়াকারেরও আছে ১৭ উইকেট, যদিও তিনি ম্যাচ খেলেন তিনটি।
দ্বিতীয় ইনিংসে তিন উইকেট নিয়ে চতুর্থ দিনের বোলিং শুরু করেন আব্বাস, ইংল্যান্ড ব্যাটিং শুরু করে সাত উইকেটে ১৭৭ রান নিয়ে। দিনের শুরুতে পরপর দুই ওভারে ড্যান লরেন্স ও অলি রবিনসনকে আউট করে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন ৩৬ বছর বয়সী বোলার।
ম্যাচে ১০ উইকেটের হাতছানিতে পরে আর এক ওভার বোলিংয়ের সুযোগ পেয়ে উইকেট নিতে পারেননি আব্বাস। এর পরের ওভারে রান আউট হন ইংল্যান্ডের শেষ ব্যাটসম্যান জশ টাং।
পাঁচ উইকেট নিয়ে লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নাম লেখানো পাকিস্তানের সপ্তম বোলার আব্বাস। তার আগে এই নজির গড়েন খান মোহাম্মাদ, মুদাসসার নাজার, ওয়াকার ইউনিস, মুশতাক আহমেদ, মোহাম্মাদ আমির ও ইয়াসির শাহ। এর মধ্যে সেরা বোলিংয়ের কীর্তি মুদাসসারের। ১৯৮২ সালের অগাস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩২ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।
