Published : 03 May 2026, 08:14 PM
ভিরাট কোহলি ও রোহিত শার্মার মতো বড় তারকা মানিশ পান্ডে নন। ওই দুজনের মতো সমৃদ্ধ ক্যারিয়ারও তার নয়। তবে ক্যারিয়ারটা তার বেশ দীর্ঘ। সেই পথচলায় একটি জায়গায় কোহলি ও রোহিতের পাশে বসলেন ৩৬ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান।
স্রেফ তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলের ১৯ আসরের সবকটিতে অন্তত একটি ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়লেন মানিশে, যা তার আগে ছিল শুধু কোহলি ও রোহিতের।
এই তালিকায় যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছেন আরেকজন- মাহেন্দ্র সিং ধোনি। কিন্তু চোটের কারণে এবারের আসরে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে এখনও কোনো ম্যাচ খেলতে পারেননি ৪৪ বছর বয়সী কিপার-ব্যাটসম্যান।
২০০৮ সালে আইপিএলের শুরু থেকে শুধু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলছেন কোহলি। রোহিত প্রথম তিন আসরে খেলেন ডেকান চার্জার্সের হয়ে। ২০১১ সাল থেকে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি।
মানিশ বেশ কয়েকটি দলের হয়ে খেলেছেন: মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, পুনে ওয়ারিয়র্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, লখনৌ সুপার জায়ান্টস, দিল্লি ক্যাপিটালস ও কলকাতা নাইট রাইডার্স।
২০০৯ সালে প্রথম ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে আইপিএলে সেঞ্চুরি করে ইতিহাসে নাম লেখান মানিশ। সেদিন বেঙ্গালুরুর হয়ে ৭৩ বলে অপরাজিত ১১৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি।
তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখেন তিনি কলকাতার হয়ে। ২০১৪ আইপিএলের ফাইনালে রান তাড়ায় ৫০ বলে ৯৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে তিনিই ছিলেন কলকাতার শিরোপা জয়ের নায়ক। পরে ২০২৪ আসরেও দলটির শিরোপা জয়ে অবদান রাখেন তিনি।
এবারের আসরে কলকাতার প্রথম আট ম্যাচে একাদশে কিংবা ‘ইম্প্যাক্ট সাব’ হিসেবে খেলার সুযোগ তিনি পাননি। রোববার সানরাইজার্সের বিপক্ষে একাদশে সুযোগ মেলে তার। তাতেই গড়ে ফেলেন ওই কীর্তি।
যদিও ব্যাটিংয়ের সুযোগ মেলেনি তার। ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় কলকাতা ৭ উইকেটে জিতে যায় ১০ বল বাকি থাকতে।
এই ম্যাচের আগে মানিশ সবশেষ প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে খেলেছিলেন গত আইপিএলে, ২০২৫ সালের ২৫ মে। ওই আসরে কলকাতার হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পান ভারতের হয়ে ২৯ ওয়ানডে ও ৩৯ টি-টোয়েন্টি খেলা এই ব্যাটসম্যান।
সব মিলিয়ে আইপিএলে ১৭৫ ম্যাচে ১২১.৫২ স্ট্রাইক রেটে মানিশের রান তিন হাজার ৯৪২। সেঞ্চুরি একটিই। ফিফটি আছে ২২টি।