Published : 20 Dec 2025, 01:16 AM
দলের সফলতম বোলার তাসকিন আহমেদ। তবে তিন উইকেট নিতে রান একটু বেশিই দিয়ে ফেললেন তিনি। উল্টো চিত্র মুস্তাফিজুর রহমানের ক্ষেত্রে। চমৎকার বোলিংয়ে দুই উইকেট নিয়ে দলের জয়ে অবদান রাখলেন তিনি।
আইএল টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের দুই তারকা পেসারের মুখোমুখি লড়াইয়ে বড় ব্যবধানে জিতল মুস্তাফিজের দুবাই ক্যাপিটালস। তাসকিনের শারজাহ ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে তাদের জয় ৬৩ রানে।
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শুক্রবার ক্যাপিটালসের ১৮০ রানের জবাবে ১১৭ রানে গুটিয়ে যায় ওয়ারিয়র্স।
চার ওভারে ৪০ রানে ৩ উইকেট নেন তাসকিন। আসরে নিজের তিন ম্যাচেই খরুচে বোলিং করে মোট ৪টি উইকেট শিকার করলেন তিনি।
দুই ওভারে ১৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন মুস্তাফিজ। আসরে ৬ ম্যাচে বাঁহাতি পেসারের উইকেট হলো ১১টি। ১৫ উইকেট নিয়ে ওপরে আছেন কেবল তার সতীর্থ ওয়াকার সালামখিল। ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ২২ রানে ৩ উইকেট নেন এই আফগান স্পিনার।
ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম দুই বলে চার হজম করেন তাসকিন। এই ওভারে তিনি দেন ১২ রান।
আবার তিনি বোলিং পান পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে। এবার প্রথম চার বলে হজম করেন দুটি চার। শেষ বলে দারুণ ডেলিভারিতে জর্ডান কক্সকে ফিরিয়ে প্রথম শিকার ধরেন তিনি। শর্ট বল কাট করার চেষ্টায় কিপারের গ্লাভসে ধরা পড়েন ব্যাটসম্যান।
ওভারে ৯ রান দিয়ে উইকেটটি নেন তাসকিন।
অষ্টাদশ ওভারে বোলিংয়ে ফেরেন তিনি। এবার তার প্রথম বল ছক্কায় ওড়ান সেদিকউল্লাহ আটাল। পরের বলে আফগান ব্যাটসম্যানকে (৪৪ বলে ৬৬) ফিরিয়ে প্রতিশোধ নেন তিনি।
এই ওভারে ৭ রান রান দেওয়া তাসকিন শেষ ওভারের প্রথম বলে উইকেট পান আরেকটি। লেংথ বলে মিড-অনে ধরা পড়েন দাসুন শানাকা। তৃতীয় বলে ছক্কা মারেন মোহাম্মদ নাবি। ওভারে আসে ১২ রান।
মুস্তাফিজও নতুন বলে বোলিং পান ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে। প্রথম বলে চার হজমের পরই উইকেটের দেখা পান তিনি। স্লোয়ার অফ কাটারে বল আকাশে তুলে দেন জনসন চার্লস। শর্ট থার্ডম্যান থেকে খানিকটা দৌড়ে দারুণ ক্যাচ নেন সালামখিল।
ওভারে ৮ রান দিয়ে উইকেটটি নেন মুস্তাফিজ। আবার তিনি বোলিং পান ষোড়শ ওভারে, ততক্ষণে ম্যাচ ক্যাপিটালসের মুঠোয়, ওয়ারিয়র্সের স্কোর তখন ৭ উইকেটে ১০৮।
প্রথম চার বলে ৫ রান দেন মুস্তাফিজ। পঞ্চম বলে আদিল রাশিদকে ফিরিয়ে দ্বিতীয় শিকার ধরেন তিনি। কট বিহাইন্ডের আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দেওয়ার পর রিভিউ নিয়ে সফল হন অধিনায়ক শানাকা। শেষ বলে আসেনি কোনো রান।
পরের ওভারে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচের ইতি টেনে দেন মোহাম্মদ নাবি। ৩টি করে চার ও ছক্কায় ১৯ বলে ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলার পর, ২৩ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ-সেরার পুরস্কারও জেতেন ৪০ বছর বয়সী আফগান অলরাউন্ডার।
সাত ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দুই নম্বরে উঠেছে ক্যাপিটালস। ছয় ম্যাচে দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে আছে ওয়ারিয়র্স।