Published : 25 Jan 2025, 07:56 PM
ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে বড় অবদান রাখার পাশাপাশি বছরজুড়েই এই সংস্করণে উজ্জ্বল ছিলেন আর্শদিপ সিং। যার পুরস্কারও পেলেন বাঁহাতি এই পেসার। আইসিসি বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন তিনি।
২০২৪ সালের সেরা টি-টোয়েন্টি পুরুষ ও নারী ক্রিকেটারের নাম শনিবার প্রকাশ করেছে আইসিসি। মেয়েদের সেরা হয়েছে নিউ জিল্যান্ড অলরাউন্ডার অ্যামেলিয়া কার।
সেরার লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড, পাকিস্তানের বাবর আজম ও জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজাকে হারিয়েছেন আর্শদিপ। আর অ্যামেলিয়া কার টপকে গেছেন শ্রীলঙ্কার চামারি আতাপাত্তু, দক্ষিণ আফ্রিকার লরা উলভার্ট, আয়ারল্যান্ডের ওর্লা প্রেন্ডারগাস্টকে।
গত বছর ভারতের জার্সি গায়ে ১৮ টি-টোয়েন্টি খেলেন আর্শদিপ। সাড়ে ১৩ গড় ও ওভারপ্রতি ৭.৪৯ রান দিয়ে ৩৬ উইকেট নেন তিনি। টি-টোয়েন্টিতে এক পঞ্জিকাবর্ষে ভারতীয়দের মধ্যে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২২ সালে ৩২ ম্যাচে ভুবনেশ্বর কুমারের নেওয়া ৩৭ উইকেট সবার ওপরে। সেবার ৩৩ উইকেট নিয়ে তৃতীয় ছিলেন আর্শদিপ।
নতুন বলের পাশাপাশি ডেথ ওভারেও টি-টোয়েন্টিতে নিজেকে বিশ্বমানের বোলার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। গত বছর ছয়বার ম্যাচে ৩ উইকেট নেন তিনি। আর চার শিকার ধরেন একবার।
গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৯ রানে ৪ উইকেট আর্শদিপের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফাইনালেও আলো ছড়ান তিনি।
শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে স্রেফ ২০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন ২৫ বছর বয়সী পেসার। ১৯তম ওভারে স্রেফ ৪ রান দিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখেন তিনি। শেষ ওভারে ১৬ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি প্রোটিয়ারা, ভারত জয় পায় ৭ রানে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক আসরে ভারতের সবগুলো ম্যাচই খেলেন আর্শদিপ। ৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট নেন তিনি ১২.৬৪ গড়ে। আসরে যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ, আফগানিস্তানের পেসার ফাজালহাক ফারুকিও নেন ১৭ উইকেট।
নিউ জিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে বড় অবদান রাখা অ্যামেলিয়া কার চলতি বছর এই সংস্করণে ১৮ ম্যাচ খেলেন। ২৪.১৮ গড়ে ৩৮৭ রান করেন তিনি। সঙ্গে ২৯ উইকেট নেন ১৫.৫৫ গড়ে, এক পঞ্জিকাবর্সে মেয়েদের টি-টোয়েন্টিতে যা নিউ জিল্যান্ডের রেকর্ড।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৩৫ রান করার পাশাপাশি ১৫ উইকেট নেন অ্যামেলিয়া। তার ১৫ উইকেট মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রেকর্ড।
গণমাধ্যম প্রতিনিধি, আইসিসি ভোটিং একাডেমি এবং সমর্থকদের ভোটে নির্বাচিত করা হয়েছে বিজয়ীদের।