১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২ কার্তিক ১৪৩৩

চাকরির বাজারে এআইয়ের প্রভাব নিয়ে ইউল্যাবে সম্মেলন

সম্মেলনে বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান, শিল্পখাতের প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 18 Oct 2026, 12:10 AM

Updated : 18 Oct 2026, 12:10 AM

চাকরির বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মজীবনের প্রস্তুতি নিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে (ইউল্যাব) এইচআর সামিট হয়েছে।

ঢাকার মোহাম্মদপুরে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাসে শুক্রবার দিনভর এ সম্মেলন হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ইউল্যাবের স্কুল অব বিজনেস সম্মেলনে আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান, শিল্পখাতের প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পেশাজীবীদের সরাসরি মতবিনিময়ের পাশাপাশি ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, দক্ষতা উন্নয়ন ও সিভি তৈরির কৌশল নিয়ে আলোচনা হয় সেখানে।

ইউল্যাবের উপাচার্য সামসাদ মর্তূজা অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। পরে চাকরির বাজারে এআইয়ের প্রভাবে পরিবর্তিত কর্মপরিবেশের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে প্যানেল আলোচনা হয়।

এতে অংশ নেন আরএকে-এর চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন, নগদের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার আনুব্বাব রহমান এবং রেনাটা পিএলসির এইচআর শেয়ার্ড সার্ভিস ম্যানেজার জানশের আল সাবাহ খান। আলোচনা সঞ্চালনা করেন ব্লু কাইট লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার আবু নাসের আমিন উল্লাহ।

আলোচকরা চাকরির বাজারের পরিবর্তিত চাহিদা, নেতৃত্ব বিকাশ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও কর্মসংস্থানের নতুন প্রবণতা তুলে ধরেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা করপোরেট খাতের প্রতিনিধিদের সরাসরি প্রশ্ন করার সুযোগ পান।

অনুষ্ঠানে ইউল্যাব স্কুল অব বিজনেসের বিবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক এবং এ এফ ওয়াজির আহমদ শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেন।

স্কুল অব বিজনেসের গ্র্যাজুয়েট বিজনেস প্রোগ্রামের পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদ রিয়াজ বলেন, পরিবর্তনশীল চাকরির বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে নিয়মিত শেখা, ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জন এবং করপোরেট খাতের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।

সম্মেলনে ‘সিভি তৈরি ও ক্যারিয়ার উন্নয়নে এআইয়ের ব্যবহার’ শিরোনামের সেশনে বক্তব্য দেন দারাজের এইচআর ম্যানেজার ফাহাম কবির।

সম্মেলনের অংশ হিসেবে সিভি প্রতিযোগিতায় সেরা তিনটি সিভির জন্য পুরস্কার ও সনদ দেওয়া হয়। এ ছাড়া সেরা ১০টি সিভির জন্য দেওয়া হয় ‘সার্টিফিকেট অব এক্সিলেন্স’।