চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টরের অনুমতি ছাড়া ড্রোন ওড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা
“অনুমোদন ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ড্রোন ওড়ানোকে আমরা আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করছি,” বলেন প্রক্টর।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রক্টরের পূর্বানুমতি ছাড়া ড্রোন ক্যামেরা ওড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. কামরুল হোসেনের সইয়ে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও দর্শনার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এ নির্দেশনা মেনের চলার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠী প্রায়ই বিনা অনুমতিতে ড্রোন ক্যামেরা ওড়াচ্ছেন। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ছাত্রীদের হল এলাকায়ও ড্রোন ওড়ানো হচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য উদ্বেগজনক।”
এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রক্টর অফিসের পূর্বানুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে কোনো ধরনের ড্রোন ক্যামেরা ওড়ানো যাবে না, বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
একই সঙ্গে সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্দেশ অমান্যকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. কামরুল হোসেন বলেন, “অনুমোদন ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ড্রোন ওড়ানোকে আমরা আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করছি। ছাত্রীদের হলের আশপাশেও অযাচিতভাবে ড্রোন ওড়ানোর বিষয়ে আমরা কিছু অভিযোগ পেয়েছি। ছাত্রীদের হলসহ অন্যান্য হলের নিরাপত্তার বিষয়টিও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া দেশের আইনেও যত্রতত্র ড্রোন ওড়ানোর বিষয়ে নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ রয়েছে।
“কেউ বিশেষ কোনো প্রয়োজনে ড্রোন ওড়াতে চাইলে তাকে প্রক্টর অফিসে আবেদন করতে হবে। আবেদনের কারণ ও যৌক্তিকতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় শর্ত এবং কোথায় ওড়ানো যাবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়ে অনুমতি দেওয়া হতে পারে।”
