১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়নুল উৎসব

উৎসবে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিল্পীরা তাদের শিল্পকর্মী নিয়ে হাজির হয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Dec 2024, 07:26 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:12 AM

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ১১০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে শুরু হয়েছে ‘জয়নুল উৎসব’।

তিন দিনের এ উৎসব শুক্রবার উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বিভিন্ন শিল্পীদের তৈরি শিল্পকর্ম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রদর্শন করা হয়। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিল্পীরা তাদের শিল্পকর্মী নিয়ে হাজির হয়েছেন উৎসবে।

ধাতব জিনিসপত্র, শোলা, মাটি ও কাঠের পুতুল, পাখা, নকশী কাঁথা, পট, গোলা, শীতলপাটি, শখের হাঁড়ি, মনিপুরী তাঁত শিল্প, শতরঞ্জি, শঙ্খ, মুখোশ, বাঁশি ও হস্তশিল্পসহ নানা শিল্পকর্ম রয়েছে উৎসবে।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন শনিবার স্মারক বক্তৃতা হবে। সমাপনী দিন রোববার শিল্পাচার্যের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এদিন শিল্পী মিজানুর রহিম ও রফিকুল আলমকে 'জয়নুল সম্মাননা ২০২৪' দেওয়া হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম শেখ, এমিরেটাস অধ্যাপক মু. আবুল হাশেম খান, অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার, জয়নুল আবেদিনের ছেলে প্রকৌশলী ময়নুল আবেদিন, বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক কাজী মাহবুবুল আলম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলা আন্দোলনের পথিকৃৎ। শিল্পকলায় অবদানের জন্য তার জীবদ্দশায় তিনি পেয়েছেন শিল্পাচার্য খেতাব। চিত্রশিল্পও যে কোনো প্রতিবাদের প্রতিচ্ছবি বা প্রতিরোধের হাতিয়ার অথবা অধিকার-সাম্য-স্বাধীনতার ভাষা হতে পারে, তা শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন দেখিয়েছেন।

১৯১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে জন্ম নেওয়া শিল্পাচার্য ফুসফুসে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ১৯৭৬ সালের ২৮ মে মারা গেছেন।