১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শিক্ষার্থীদের হাতে আটকের দুই ঘণ্টা পর ছাড়া পেলেন জবি শিক্ষক

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে বিকেল ৪টায় তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের হাতে আটকের দুই ঘণ্টা পর ছাড়া পেলেন জবি শিক্ষক
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গেলে শিক্ষক মিল্টন বিশ্বাসকে ঘিরে ধরেন শিক্ষার্থীরা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 05 Mar 2025, 08:48 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:57 AM

মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদনপত্র দিতে এসে শিক্ষার্থীদের হাতে আটক হওয়ার দুই ঘণ্টার মাথায় ছাড়া পেয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাস।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. রইছ উদদীনের কাছে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদনপত্র জমা দিতে আসেন তিনি। 

বুধবার বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিল্টন বিশ্বাসকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান শিক্ষার্থীরা।

আটকের দুই ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রক্টর অফিস থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক।

প্রক্টর বলেন, “আমি স্পষ্টভাবেই বলছি, ক্যাম্পাসের ভেতর থেকে কোনো শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থীকে পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে, তা আমরা হতে দিতে পারি না।

শিক্ষক মিল্টন বিশ্বাসকে ঘিরে ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।

শিক্ষক মিল্টন বিশ্বাসকে ঘিরে ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।

“বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে উনাকে যদি পুলিশ আটক করে কিংবা আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়, সেটা ভিন্ন বিষয়। একজন শিক্ষককে ক্যাম্পাসের ভেতর থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে সুনাম নষ্ট হয়; শিক্ষার্থীদের এটা বোঝা উচিত।”

মিল্টন বিশ্বাস বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমার নামে করা দুটি ভিত্তিহীন মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য আমি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের কাছে চিঠি দিতে এসেছিলাম। কিছু লোক আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘিরে ধরে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় আমি ক্যাম্পাস থেকে ফিরে আসি।”

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রইছ উদদীন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দুটি মামলা থেকে তার নাম প্রত্যাহারের জন্য শিক্ষক সমিতির নিকট আবেদনপত্র জমা দিতে তিনি আমার কাছে আসেন। 

“পরে আমি তাকে শিক্ষক সমিতির অফিসে গিয়ে জমা দেওয়ার জন্য বললে তিনি চলে যান। আমার বিভাগের অফিস থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর এই ঘটনা ঘটে।”