১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বহরে 'আন্তর্জাতিক মানের' উড়োজাহাজ যুক্ত করতেই বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি: বিমান প্রতিমন্ত্রী

“আমাদের বহরে আন্তর্জাতিক বিমান আছে ঠিকই, কিন্তু আন্তর্জাতিক মানের নয়।”

বহরে 'আন্তর্জাতিক মানের' উড়োজাহাজ যুক্ত করতেই বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি: বিমান প্রতিমন্ত্রী
বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 May 2026, 11:41 AM

Updated : 26 Aug 2026, 03:32 PM

বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, বিমান বহরে 'আন্তর্জাতিক মানের' উড়োজাহাজ যুক্ত করতেই মার্কিন কোম্পানি বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে।

সোমবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সেশনের আলোচনার তথ্য দিতে গিয়ে তিনি এ বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের বিমান বহরটি একদম আন্তর্জাতিক মানের হলেও, আন্তর্জাতিক বিমান আছে ঠিকই, কিন্তু আন্তর্জাতিক মানের নয়।

"সেই মান সম্পন্ন করার জন্য আমরা ইতিমধ্যে ১৪টি বোয়িং ক্রয়ের স্বাক্ষর করেছি এবং আরো কিছু বিমান আমরা লিজ করব।"

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প গতবছর হোয়াইট হাউজে বসে যে বাণিজ্য যুদ্ধের সূচনা করেন, তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ে। 

ট্রাম্পের ৩৫ শতাংশ শুল্কের মধ্যে গত বছরের জুলাইয়ে বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে অন্তর্বর্তী সরকার।

এর অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার একটি হোটেলে বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়। এর মধ্যে ১০টি ওয়াইড-বডির ‘৭৮৭ ড্রিমলাইনার’ এবং ৪টি ন্যারো-বডির ‘৭৩৭ ম্যাক্স’ মডেলের উড়োজাহাজ।

এসব উড়োজাহাজ কিনতে খরচ পড়বে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা (১ ডলারে ১২২ টাকা ৭৩ পয়সা হিসাবে) ।

বিমানের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে বিমানের বহরে ১৯টি এয়ারক্রাফট রযেছে। এর মধ্যে ১৪টি বোয়িংয়ের আর পাঁচটি স্বল্পপাল্লার ড্যাশ কিউ-এইট ৩০০ মডেলের এয়ারক্রাফট।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৮-৯টি বিমানবন্দর ব্যবহৃত হচ্ছে না। সেগুলোর সংস্কার করে অভ্যন্তরীণ রুট হিসেবে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। 

ডিসি সম্মেলনে এ বিষয়ে আলোচনার কথা তুলে ধরে মিল্লাত বলেন, "আমাদের অনেক জেলায় বিমানবন্দর রয়েছে, সেগুলিকে কীভাবে অ্যাড্রেস করবেন উনারা, সে সম্বন্ধে তাদেরকে বলা হয়েছে এবং সেগুলি উন্নত করার জন্য তাদেরকেও আমরা নির্দেশনা দিয়েছি এবং আমরা কী কী কাজ করছি সেগুলি তাদেরকে অবহিত করেছি।

"এবং আমাদের পর্যটন সম্বন্ধে অনেক কথা হয়েছে, বিশেষ করে আমাদের কক্সবাজার, আমাদের কুয়াকাটা এবং বড় বড় স্থাপনাগুলো যেগুলো আছে পর্যটনের, কীভাবে আমরা কাজ করতে পারি সম্মিলিতভাবে।"

চলতি বছরই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, "১৬ ডিসেম্বর আমরা আশা করছি থার্ড টার্মিনাল শুরু করতে পারব।”