তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির
এই ‘গণবিরোধী’ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করে আগের দাম বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
মধ্যরাতে হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
সোমবার সমিতির এক বিৃবতিতে বলা হয়, “বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম এখন নিম্নমুখী। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকটে বিভিন্ন কলকারখানা বন্ধের কারণে বেকারত্ব বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে দেশে এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে।
“এমন সময়ে সংকট মোকাবিলায় দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সাত মাসের মাথায় দুই দফা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করেছে। ফলে যাতায়াত, যোগাযোগ, পণ্য ও যাত্রী পরিবহনসহ শিল্প উৎপাদনে ভাড়া ও মূল্য উসকে দেওয়া হয়েছে।”
এই ‘গণবিরোধী’ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করে আগের দাম বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
রোববার রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
নতুন দর অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকায় বিক্রি হবে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, “সরকার জনস্বার্থে কোথাও ব্যবসা করবে, কোথাও ভর্তুকি দেবে এটাই বাস্তবতা। দেশের চরম আর্থিক সংকটের মুহূর্তে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিয়ে দেশের অর্থনীতি সচল রাখা, মূল্যস্ফীতি কমানোর মধ্য দিয়ে দেশের সংকটাপন্ন জনগণের পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব।”
