Published : 22 Jul 2026, 11:11 PM
দেশের ফ্রিল্যান্সার ও ব্যক্তি পর্যায়ের সেবা রপ্তানিকারকদের বিদেশি মুদ্রা লেনদেন আরও সহজ করার পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এর অংশ হিসেবে ডিজিটাল সেবা খাতের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আয় দেশে আনা, জমা রাখা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বুধবার এ বিষয়ক নতুন নির্দেশনা বিদেশি মুদ্রা লেনদেনকারী সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ফ্রিল্যান্সাররা এখন ‘প্ল্যাটফর্ম স্টেটমেন্ট’, ইমেইল এবং অন্যান্য ডিজিটাল যোগাযোগের মত ইলেকট্রনিক প্রমাণের ভিত্তিতে বিদেশি আয়ের অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।
“এর ফলে প্রচলিত রপ্তানি নথির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে প্রক্রিয়াটি আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।”
এতে বলা হয়েছে, স্বল্প পরিমাণের লেনদেন সহজ করতে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত ইনওয়ার্ড রেমিটেন্স কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র ছাড়াই গ্রহণ করা যাবে। একই সঙ্গে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস প্রোভাইডারের (ওপিজিএসপি) মাধ্যমে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত অর্থ গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে।
“তবে এসব অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।”
এছাড়া নতুন সার্কুলারে ডুয়াল-কারেন্সি ‘ফ্রিল্যান্সার কার্ড’ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার (এমএফএসপি) ও পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারের (পিএসপি) ব্যবহার সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
এটি ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও কার্যকর করবে বলে তুলে ধরা হয়েছে সার্কুলারে।
নতুন নির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ফ্রিল্যান্সারদের রপ্তানি আয়ের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বিদেশি মুদ্রায় সংরক্ষণ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, নতুন নির্দেশনা টাকা আনার প্রক্রিয়াকে সহজ করবে এবং আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে এটি সেবা রপ্তানির আয়কে আরও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনবে।