০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
গত ডিসেম্বর থেকে মে পর্যন্ত টানা ছয় মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স দেশে এসেছিল; জুন মাসে সেই ধারায় ছেদ পড়েছে।
“আইডিএ এর ঋণ ও অনুদানের ৬৬ কোটি ৭১ লাখ ডলার যোগ হয়েছে।”
“আশঙ্কা ছিল, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে রেমিটেন্স প্রবাহ কমবে। কিন্তু এখনও কোনো প্রভাব পড়েনি,” বলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
এ নিয়ে টানা ৬ মাস তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স দেশে এসেছে। জুনে তিন বিলিয়ন ছাড়ালে টানা সাত মাস হবে।
এই ধারা চলতে থাকলে অর্থবছর শেষে রেমিটেন্সের পরিমাণ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
“সরকারকে মোটা অঙ্কের ঋণের জোগান দিলে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়বে না। সরকার এখন উভয় সংকটে পড়েছে,” বলেন মোস্তফা কে মুজেরী।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “যুক্তরাজ্য থেকে হঠাৎ বাড়ল কেন, তার কোনো সদুত্তর কিন্তু আমি পাচ্ছি না।”
মে মাসে ৩ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।