করোনাভাইরাস: আমাদের সচেতনতাই সুরক্ষা দেবে বয়স্কদের
সিএনএন, বিবিসি, আল-জাজিরা অথবা বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে অনেকের ফুসফুস ২০-৩০ শতাংশ কার্যকারিতা হারায়।
এই মহামারীর দিনে বিনা প্রয়োজনে যদি রাস্তাঘাটে, চায়ের দোকানে, বাজারে, জনাকীর্ণ জায়গায় ইচ্ছে মতো ঘোরাঘুরি করেন কেউ, তাহলে তিনিই হতে পারেন বাড়িতে তার পিতা-মাতা বা অন্য কোনো বয়োজ্যেষ্ঠ বা শারীরিক ভাবে দুর্বল ব্যক্তির আক্রান্ত হওয়ার কারণ।
অনেকেরই মায়ের ডায়াবেটিস. কোমরে ব্যাথা, থাইরয়েড রয়েছে; এখন চায়ের দোকান, চকবাজার, সিনেমাহল, সভা-সমাবেশ থেকে করোনাভাইরাস হাতে-গায়ে বয়ে আনলে সবার মায়েরই জ্বর, কাশি, নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
অন্তঃসত্ত্বা নারী ঘরে থাকলে ভাইরাস আক্রমণে তারও হতে পারে মারাত্মক বিপত্তি। নবজাতকেরও হতে পারে ভাইরাস আক্রমণ, শুধু পরিবারের কোনো একজন সদস্যের দায়িত্বহীন আচরণে।
পাশের জেলার বা পাশের শহরের বিদেশ ফেরৎ লোকটা যে, কভিড-১৯ ক্যারিয়ার হয়ে রাস্তাঘাটে সবার মাঝে এই ভাইরাস ছড়ায়নি, এর কোনো নিশ্চয়তা নেই।
ছোঁয়াচে রোগ যখন মহামারী, তখন ঘরে বসে নিজেকে অবরুদ্ধ করে নিরাপদ রাখা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।
যতদিন স্কুল বন্ধ, বাসায় বসে বসে গল্পের বই পড়া যায়, ইচ্ছামত ঘুমানো যায়, টিভি দেখা যায়, সিনেমা দেখা যায় ঘরে বসে, মাকে বা স্ত্রীকে রান্নার কাজে সাহায্য করা যায়।
আমাদের একজন সচেতন মানুষের মত আচরণ করতে হবে। এক সচেতন হিসাবে বৈশ্বিক মহামারী ও ছোঁয়াচে ভাইরাস থেকে নিজেকে ও আপনজনকে বাঁচাতে চলাফেরা সীমাবদ্ধ করার এখনও সময় আছে।
হৃদরোগী বাবার কথা ভাবুন। নবজাতক শিশুটির কথা ভাবুন। নিজে সুস্থ থাকুন। অন্যকে সুরক্ষিত রাখুন।
