পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ব্যয় সঙ্কোচন নীতি’ বাস্তবায়নের নির্দেশনা

জ্বালানি সঙ্কটে ব্যয় সঙ্কোচনের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

নিজস্ব প্রতিবেদক
Published : 26 July 2022, 02:54 PM
Updated : 26 July 2022, 02:54 PM

সরকারের ব্যয় সঙ্কোচন পরিপত্র অনুসরণ করে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে চলতি অর্থবছরের বাজেট যথাযথভাবে খরচ এবং বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) প্রণয়ন করার নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

প্রণীত বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা আগামী ৩১ জুলাই এপিএ সফটওয়্যারে আপলোড করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউজিসি জানায়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বরাদ্দ বাজেট সঠিকভাবে ব্যবহারের লক্ষ্যে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সরকারি পরিপত্র/আদেশ/অনুশাসন পালনসহ ‘বাজেট বাস্তবায়ন পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক সভায় এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

সভায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকারি নিয়মাচার ও সময়ে সময়ে জারিকৃত সরকারি পরিপত্র ও আদেশ প্রতিপালনের জন্য সবাইকে আহ্বান জানান ইউজিসির অর্থ ও হিসাব বিভাগের সদস্য অধ্যাপক আবু তাহের।

তিনি বলেন, “ব্যয় সঙ্কোচনের অংশ হিসেবে সরকার ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি এসব নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।”

সভায় জানানো হয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নতুন বা প্রতিস্থাপক হিসেবে সব ধরণের যানবাহন ক্রয় বন্ধ থাকবে। শুধু জরুরি ও অপরিহার্য ক্ষেত্র বিবেচনায় আপ্যায়ন ব্যয়, অন্যান্য মনোহরী, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি, আসবাবপত্র খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ব্যয় করা যাবে।

দেশের অভ্যন্তরে প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ খাতে বরাদ্দ অর্থের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ব্যয় করা যাবে। পেট্রোল, ওয়েল এবং লুব্রিকেন্ট, গ্যাস ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ অর্থের সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ ব্যয় করা যাবে। বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ অর্থের ২৫ শতাংশ সাশ্রয় করতে হবে।

এছাড়া উন্নয়ন বাজেট ও নিজস্ব তহবিলের আওতায় বাস্তবায়নাধীন সব ধরনের প্রকল্প বা কর্মসূচি অথবা স্কিমসমূহের ক্ষেত্রে সম্মানি খাতে বরাদ্দ থেকে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি), প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটি (পিএসসি), বিভাগীয় প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (ডিপিইসি), বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (এসপিইসি) এবং বিভাগীয় বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (ডিএসপিইসি) সভায় সম্মানি বাবদ কোন অর্থ ব্যয় করা যাবে না।

সভা-সেমিনার-ওয়ার্কশপ-প্রশিক্ষণ যথাসম্ভব ভার্চুয়ালি করার চেষ্টা করতে বলা হয়েছে সভায়।

উল্লেখিত খাতের অব্যয়িত অর্থ অন্য কোন খাতে স্থানান্তর বা পুনঃউপযোজন করা যাবে না বলেও সভায় জানানো হয়।

সভায় কমিশনের অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শাহ আলম, বাজেট শাখার উপপরিচালক হাফিজুর রহমান, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের রেজিস্ট্রার, হিসাব বিভাগীয় প্রধান ও প্রকৌশল দপ্তর প্রধানরা অংশ নেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক