২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

নিজের গায়ে আগুন দেওয়া সেই প্রবাসীকে বাঁচানো গেল না

দগ্ধ বাকি চারজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 20 Sep 2026, 01:26 PM

Updated : 20 Sep 2026, 01:26 PM

পুরান ঢাকায় ‘পারিবারিক কলহের জেরে’ নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া প্রবাসী মারা গেছেন।

২৬ বছর বয়সি ইমন শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সেখানেই রোববার বেলা ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে জানান ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন সুলতান মাহমুদ।

শনিবার বিকালে সূত্রাপুরের শ্যামবাজার চামারটুলি এলাকার নিজ বাসায় নিজের গায়ে আগুন দিয়েছিলেন সৌদি আরব প্রবাসী ইমন। এ সময় আগুনে পরিবারের আরো ৪ জন দগ্ধ হন, যারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দগ্ধরা বাকিরা হলেন হলেন- ইমনের বাবা সিদ্দিক বেপারী (৬০), চাচাতো ভাই রাজিব (৩৮), ফুফাত ভাই আরিফুর রহমান ধলু (৩৫) এবং ফুফাত বোন তানিয়া আক্তার (২০)।

‘পারিবারিক কলহের জেরে’ ইমন শুক্রবারই দেশে ফিরেছিলেন, পরদিন তিনি এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

দগ্ধ আরিফুর রহমান ধলুর স্ত্রী সোনিয়া আক্তার শনিবার বলেছিলেন, বাড়িটি তাদের পৈতৃক। শুক্রবার বাসার সামনে ময়লা পানি জমিয়ে রাখা নিয়ে ইমনের বোন সুলতানার সঙ্গে তানিয়ার বাগবিতণ্ডা হয়।

“তানিয়া ময়লা পানি পরিষ্কার করতে বললে সুলতানা বিষয়টি সৌদি আরবে অবস্থানরত ভাই ইমনকে জানান। খবর পেয়ে ইমন গতকালই দেশে ফেরেন।”

সোনিয়ার ভাষ্য, “শনিবার বিকালে ইমন সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আমিও মরব, তোদেরকেও মারব'। এ কথা বলেই নিজের ও অন্যদের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।”

পরে সবাইকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ জানিয়েছেন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন তানিয়ার শরীরের ৬০ শতাংশ, সিদ্দিকের ৩৫ শতাংশ, রাজিবের ১৫ শতাংশ এবং আরিফুরের শরীরের ৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

দগ্ধদের মধ্যে রাজিব ন্যাশনাল হাসপাতালে মেকানিক হিসেবে কর্মরত, ধলু পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি এবং তানিয়া পুরান ঢাকার উইমেন্স কলেজের স্নাতকের শিক্ষার্থী।

পুরানো খবর:

‘কলহের জেরে’ নিজের গায়ে প্রবাসীর আগুন, দগ্ধ পরিবারের আরও ৪