২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বসুন্ধরায় তরুণীকে মারধর ও ন্যাড়া করার অভিযোগে মামলা

মামলায় ‘পূর্ব শত্রুতার’ কথা বলা হলেও কী নিয়ে কার সাথে শত্রুতা– সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। আসামিদের কারও নামও উল্লেখ করা হয়নি।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 May 2023, 04:36 PM

Updated : 02 May 2023, 04:36 PM

ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এক তরুণীকে মারধর করে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে; এ ঘটনায় মামলা হলেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

ওই তরুণী এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে বসুন্ধরা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থেকে ভর্তি পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে মামলার এজাহারে।

তিনি অভিযোগ করেছেন, ‘পূর্ব শত্রুতার জের ধরে’ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ৪/৫ জন নিরাপত্তাকর্মী ৩০ এপ্রিল সকাল ৮টার দিকে তাকে জোর করে বাসা থেকে ধরে মাদানী এভিনিউ এলাকার একটি নার্সারিতে নিয়ে যায়। নার্সারির ভেতর তাকে ‘এলোপাতাড়ি মারধর করে, চুল কেটে মাথা ন্যাড়া করে দেয়’ আসামিরা।

এজাহারে বলা হয়েছে, সেদিন বেলা ১১টার দিকে তিনি তার মাকে ফোন করে বিষয়টি জানান। পরে তার মা ও বোনসহ ভাটারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিকাল ৪টার দিকে তাকে উদ্ধার করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালিয়ে যায়।

পরে পুলিশ ওই তরুণীকে ভাটারা থানায় নিয়ে যায়। সেই রাতেই মামলা করে মেয়েটি।

মামলায় ‘পূর্ব শত্রুতার’ কথা বলা হলেও কী নিয়ে কার সাথে শত্রুতা– সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। আসামিদের কারও নামও উল্লেখ করা হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে জানতে মামলার বাদী এবং তার স্বজনদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এজাহারে দেওয়া বর্তমান ঠিকানাতেও তিনি আর অবস্থান করছেন না।

যোগাযোগ করা হলে ভাটারা থানার ওসি আবুল বাসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, থানার পরিদর্শককে (তদন্ত) মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে ওসি বলেন, “যেহেতু এজাহারে বাদী কোনো আসামির নাম উল্লেখ করেননি, তাই আমরা চেষ্টা করছি তাদের নামগুলো জানতে। নাম পেলেই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

সেদিন ঘটনাস্থলের কোনো সিসিটিভি ভিডিও পাওয়া গেছে কী না জানতে চাইলে ওসি বলেন, “সেখানে পুলিশের কোনো সিসি ক্যামেরা ছিল না। তবে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টায় তদন্ত কর্মকর্তা আজ মাদানী এভিনিউয়ে গেছেন।”