প্রিন্টিং মেশিন ঘোষণায় আমদানি, কন্টেইনারে মিলল প্রসাধনী ও সিগারেটের স্ট্যাম্প
চালানটি ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ‘চায়না মার্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানি করা হয়।
প্রিন্টিং মেশিন ঘোষণায় চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে আমদানি করা একটি চালান পরীক্ষা তাতে প্রসাধনী সামগ্রী ও নকল সিগারেটের স্ট্যাম্প পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)।
কর আদায়ের সংস্থাটি রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, সিআইসি এবং চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখা গত ৫ নভেম্বর যৌথ অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য উদ্ধার করে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চালানটি ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ‘চায়না মার্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানি করা হয়। গত ৯ অগাস্ট চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো চালানটিতে পণ্য হিসেবে ‘প্রিন্টিং মেশিন’ ঘোষণা করা হয়েছিল।
সিআইসি এবং চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখা ৫ নভেম্বর চালানটি বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে। এ সময় কন্টেইনারে ঘোষিত পণ্যের পরিবর্তে বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী এবং জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প পাওয়া যায়।
এনবিআর বলছে, পরীক্ষায় ৪০ লাখ ৮০ হাজার পিস জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়। এসব স্ট্যাম্প মূলত নিম্নস্তরের ২০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটে ব্যবহারের উপযোগী।
দেশে ২০ শলাকার নিম্নস্তরের একটি সিগারেট প্যাকেটের নির্ধারিত খুচরা মূল্য ১৩০ টাকা এবং এর বিপরীতে সরকারের প্রাপ্য রাজস্বের পরিমাণ ১০৬ দশমিক ৬০ টাকা। সে হিসাবে উদ্ধারকৃত জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে অবৈধভাবে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাত করা হলে সরকারের আনুমানিক ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।
এছাড়া চালানটিতে পাওয়া প্রসাধনী সামগ্রীর বিপরীতে আনুমানিক ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নিরূপণ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে এনবিআর।
