Published : 07 Sep 2025, 06:24 PM
‘বদরুদ্দীন উমরের অবদান আমাদের প্রেরণা জোগাবে’ বলে মন্তব্য করেছেন আ স ম আবদুর রব।
সকালে তার মৃত্যুর পরে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘‘ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার অবদান চিরস্মরণীয়। জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগঠনের মাধ্যমে তিনি দেশের জন্য অমূল্য সেবা করে গেছেন।
‘‘রাজনীতি, সাহিত্য ও সমাজচিন্তায় তার চিরস্মরণীয় অবদান আমাদের প্রেরণা জোগাবে।”
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের প্রখ্যাত লেখক, সমাজবিজ্ঞানী ও বামপন্থি রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমরের প্রয়াণে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি। তার অসীম জ্ঞানের আলো, ইতিহাস ও রাজনীতির উপর লেখা অসংখ্য গ্রন্থ এ জাতিকে সমৃদ্ধ করেছে।
‘‘এছাড়া তার অবিস্মরণীয় রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক অবদান এবং মানুষের প্রতি আন্তরিক দায়বদ্ধতা দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনকে চিরকাল সমৃদ্ধ করে গেছে।”
বদরুদ্দীন উমরের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান জেএসডি সভাপতি।
রোববার সকাল ১০টার দিকে ঢাকায় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মৃত্যু হয় লেখক, গবেষক ও মার্ক্সবাদী তাত্ত্বিক বদরুদ্দীন উমরের। তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।
তিনি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের সভাপতি এবং গণতান্ত্রিক বিপ্লবী জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী।
এক সময় পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিলেন বদরুদ্দীন উমর। ২০০৩ সালে তিনি জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল নামে একটি সংগঠন গড়ে সভাপতির দায়িত্ব নেন।
অন্তর্বর্তী সরকার চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য বদরুদ্দীন উমরকে মনোনীত করলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।
তার ভাষ্য ছিল, এর আগেও বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে তাকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে, তিনি কোনোটিই গ্রহণ করেননি।