বিএনপির আলতাফ আরও ৩, আলাল ৪ মামলায় গ্রেপ্তার

রাজধানীতে গত বছরের ২৮ অক্টোবর সহিংসতার অভিযোগে বিএনপির এই দুই নেতাকে নতুন করে মোট সাত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হল।

আদালত প্রতিবেদক
Published : 11 Feb 2024, 11:11 AM
Updated : 11 Feb 2024, 11:11 AM

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে তিনটি ও যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে আরো চারটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত।

ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম সুলতান সোহাগ উদ্দিন রোববার তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

আলতাফ হোসেনকে এদিন কারাগার থেকে ‍ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। অপরদিকে আলালকে হাজির করা হয় সশরীরে। মামলাগুলোর মূল নথি মহানগর দায়রা জজ আদালতে থাকায় নথিপ্রাপ্তি সাপেক্ষে রোববারই তাদের জামিনের ব্যাপারে শুনানি হতে পারে।

আদালতে এদিন আইনজীবী ইকবাল হোসেন, মোসলেহ উদ্দিন জসীম, তাহেরুল ইসলাম তৌহিদসহ বেশ কয়েকজন আসামিপক্ষে শুনানি করেন।

আলতাফকে গ্রেপ্তার দেখানোর মামলা তিনটি দায়ের করা হয়েছে রমনা থানায়। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে আগে গত বছরের ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশের দিনে সহিংসতার ঘটনায় এসব মামলা করা হয়।

গত ৩০ জানুয়ারি বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাই কোর্ট বেঞ্চ এই তিন মামলায় আলতাফকে গ্রেপ্তার দেখাতে এবং ১৫ দিনের মধ্যে তার জামিন আবেদন নিষ্পত্তি করতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমকে নির্দেশ দিয়েছিল।

এর আগের দিন, অর্থাৎ ২৯ জানুয়ারি রমনা থানার তিনটি ও পল্টন থানার একটি মামলায় বিএনপির আরেক নেতা আলালের জামিন আবেদন গ্রহণ করে তা নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয় হাই কোর্টের একই বেঞ্চ।

১৫ দিনের মধ্যে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। সে মোতাবেক রোববার বিএনপির এ দুই নেতাকে হাজির করা হয় আদালতে।

আলতাফকে যেসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, সেগুলোতে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা, যানবাহন ভাঙচুর, সড়কে বেআইনি জমায়েত, সহিংসতা, সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি, পুলিশ সদস্যদের লাঞ্ছনা ও দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

৫ নভেম্বর ভোরে গাজীপুরের টঙ্গী থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব। গ্রেপ্তারের দিনই তাকে নাশকতা ও ভাঙচুরের এক মামলায় আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

অপরদিকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে পল্টন থানার এক মামলায় গত বছরের ৩১ অক্টোবর শাহজাহানপুরের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই মামলায় কারাগারে আছেন তিনি।